
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমাদের শেষ কথা, অন্তর্বর্তী সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পূর্ণ করতে হবে। এই মুহুর্তে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। যে শক্তি দেশকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই শক্তিকে যদি পরাজিত করতে হয়, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যে ঐক্যমত সৃষ্টি হয়েছে সেটাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১ মাস" শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেন এবি পার্টি।
আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশটা এখন সবার এটা এখন প্রত্যেকে বলতে পারি। এখন সময় বদলে গেছে। যারা নিজের জীবন দিয়েছে, পঙ্গু হয়েছে, গুম হয়েছে, চাকুরী হারিয়েছে, বাড়িঘর ছেড়েছে তাদের ত্যাগকে স্বীকার করতে হবে। সর্বশেষে ছাত্র আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণ কি ভাবছে? তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা কি? আমরা যারা রাজনীতি করি আমাদের জানতে হবে। এটা যারা বুঝবেনা, আমি দু:খের সাথে বলছি, আগামী দিনের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তারা খুব বেশি আগাতে পারবেনা। আজকে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছেন আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করতে চাই।
জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পেয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, শেখ হাসিনা এবং তার পরিবার যে দেশের মালিকানা কেড়ে নিয়েছিল জনগণ সেই মালিকানা ফিরে পেয়েছে। এখন যারা বাংলাদেশের মালিক তারাই সিদ্ধান্ত নিবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। আর আমরা যারা রাজনীতি করি, আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলব, আমরা তাদের জন্য কি করতে চাই। আমরা কি পরিবর্তন চাই। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। কোন ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।
আমাকে সকালে মান্না ভাই বলেছেন, কেমন আছেন? আমি বলছি, এক মাস ৩ দিন আগের থেকে ভালো আছি। কারণ তার আগে আমি জেলে ছিলাম। আমরা গত ১৭ বছর থেকে ভুগছি। আজকে আমরা মুক্ত দেশ পেয়েছি, মুক্ত আবহাওয়া পেয়েছি। কারও কোন শঙ্কা নাই। এই যে মুক্ত দেশ পেয়েছি এটাকে ধরে রাখতে হবে। শেখ হাসিনা পলায়নের পর মানুষের মনজগত পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ এখন পরিপূর্ণভাবে সব ফিরে পেতে চায়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না সহ এবি পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, আমাদের শেষ কথা, অন্তর্বর্তী সরকারকে ঐক্যবদ্ধভাবে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে কাজগুলো সম্পূর্ণ করতে হবে। এই মুহুর্তে জাতীয় ঐক্যের বিকল্প নেই। যে শক্তি দেশকে রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে ধ্বংস করে দিয়েছে। সেই শক্তিকে যদি পরাজিত করতে হয়, জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে যে ঐক্যমত সৃষ্টি হয়েছে সেটাকে অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে।
রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকা রিপোর্টাস ইউনিটিতে "অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ১ মাস" শীর্ষক আলোচনা সভায় তিনি এসব কথা বলেন। আলোচনা সভার আয়োজন করেন এবি পার্টি।
আমির খসরু বলেন, বাংলাদেশটা এখন সবার এটা এখন প্রত্যেকে বলতে পারি। এখন সময় বদলে গেছে। যারা নিজের জীবন দিয়েছে, পঙ্গু হয়েছে, গুম হয়েছে, চাকুরী হারিয়েছে, বাড়িঘর ছেড়েছে তাদের ত্যাগকে স্বীকার করতে হবে। সর্বশেষে ছাত্র আন্দোলনের সফল পরিসমাপ্তি হয়েছে।
তিনি বলেন, জনগণ কি ভাবছে? তাদের প্রত্যাশা ও আকাঙ্ক্ষা কি? আমরা যারা রাজনীতি করি আমাদের জানতে হবে। এটা যারা বুঝবেনা, আমি দু:খের সাথে বলছি, আগামী দিনের রাজনীতির প্রেক্ষাপটে তারা খুব বেশি আগাতে পারবেনা। আজকে যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আছেন আমরা তাদেরকে সহযোগিতা করতে চাই।
জনগণ দেশের মালিকানা ফিরে পেয়েছে উল্লেখ করে বিএনপির এই জ্যেষ্ঠ নেতা বলেন, শেখ হাসিনা এবং তার পরিবার যে দেশের মালিকানা কেড়ে নিয়েছিল জনগণ সেই মালিকানা ফিরে পেয়েছে। এখন যারা বাংলাদেশের মালিক তারাই সিদ্ধান্ত নিবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। আর আমরা যারা রাজনীতি করি, আমরা তাদের কাছে গিয়ে বলব, আমরা তাদের জন্য কি করতে চাই। আমরা কি পরিবর্তন চাই। তারাই সিদ্ধান্ত নিবে বাংলাদেশ কিভাবে চলবে। কোন ব্যতিক্রম হওয়ার সুযোগ নেই।
আমাকে সকালে মান্না ভাই বলেছেন, কেমন আছেন? আমি বলছি, এক মাস ৩ দিন আগের থেকে ভালো আছি। কারণ তার আগে আমি জেলে ছিলাম। আমরা গত ১৭ বছর থেকে ভুগছি। আজকে আমরা মুক্ত দেশ পেয়েছি, মুক্ত আবহাওয়া পেয়েছি। কারও কোন শঙ্কা নাই। এই যে মুক্ত দেশ পেয়েছি এটাকে ধরে রাখতে হবে। শেখ হাসিনা পলায়নের পর মানুষের মনজগত পরিবর্তন হয়েছে। মানুষ এখন পরিপূর্ণভাবে সব ফিরে পেতে চায়।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না সহ এবি পার্টির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে