
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ না মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই আ. লীগ সব বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে চায়।’
রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাঁতি দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামে বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধে দাবি উঠেছে এবং সেটি কীভাবে করা যায়, আইনগত প্রক্রিয়ার কথাও তারা বলছেন। তারা বলছেন, বিএনপি সন্ত্রাসের রাজনীতি করে—গণমাধ্যমকর্মীরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই তারা এ দেশ থেকে বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে চায়। আইন বলতে যেটা বোঝায়; তাদের মুখ থেকে যে কথা বের হয়, সেটাই তাদের আইন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে যে অধিকার বাংলাদেশের মানুষকে দেওয়া হয়েছে, সেটা হচ্ছে ভোটের অধিকার। মানুষের কথা বলার অধিকার। সাংবিধানিক অধিকারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে, আমরা কথা বলছি। আজকে সরকার যদি বিএনপি তথা বিরোধী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে এ দেশে কাগজে-কলমে লিখিত বাকশাল নতুন করে তারা কায়েম করে—যে রকম তারা একবার করেছিল সংসদের ভেতরে ১১ মিনিটের ব্যবধানে। বাকশাল যদি তারা নতুন করে কায়েম করে তাহলে আজকে পুনরায় প্রমাণিত হবে যে, এই আওয়ামী লীগ সরকার; যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, সেটা তাদের ভুয়া দাবি।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করলেই একটি সরকার দেশ থেকে সব বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারে। সরকার সেই পথে আজকে হাঁটছে। কাজেই দেশের ১৮ কোটি মানুষকে আজকে সতর্ক হতে হবে, বুঝতে হবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ নয়।’
বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি রাজনীতি করে জনগণের জন্য। আমাদের আন্দোলন চলছে, এ দেশে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য—ক্ষমতার জন্য নয়। আমরা চাই, পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ সত্যিকারের মালিকানা তারা নিজের হাতে ফিরে পাবে।’

বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ না মন্তব্য করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান বলেছেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই আ. লীগ সব বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে চায়।’
রোববার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে তাঁতি দলের ৪৪তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের দলীয় ফোরামে বিএনপির রাজনীতি নিষিদ্ধে দাবি উঠেছে এবং সেটি কীভাবে করা যায়, আইনগত প্রক্রিয়ার কথাও তারা বলছেন। তারা বলছেন, বিএনপি সন্ত্রাসের রাজনীতি করে—গণমাধ্যমকর্মীরা দৃষ্টি আকর্ষণ করলে মঈন খান বলেন, ‘বাংলাদেশের সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না বলেই তারা এ দেশ থেকে বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে চায়। আইন বলতে যেটা বোঝায়; তাদের মুখ থেকে যে কথা বের হয়, সেটাই তাদের আইন।’
তিনি বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে যে অধিকার বাংলাদেশের মানুষকে দেওয়া হয়েছে, সেটা হচ্ছে ভোটের অধিকার। মানুষের কথা বলার অধিকার। সাংবিধানিক অধিকারের পরিপ্রেক্ষিতে বাংলাদেশে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল গঠিত হয়েছে, আমরা কথা বলছি। আজকে সরকার যদি বিএনপি তথা বিরোধী দলগুলোকে নিষিদ্ধ করে দিয়ে এ দেশে কাগজে-কলমে লিখিত বাকশাল নতুন করে তারা কায়েম করে—যে রকম তারা একবার করেছিল সংসদের ভেতরে ১১ মিনিটের ব্যবধানে। বাকশাল যদি তারা নতুন করে কায়েম করে তাহলে আজকে পুনরায় প্রমাণিত হবে যে, এই আওয়ামী লীগ সরকার; যারা নিজেদের স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি বলে দাবি করে, সেটা তাদের ভুয়া দাবি।’
তিনি বলেন, ‘গণতন্ত্রে বিশ্বাস না করলেই একটি সরকার দেশ থেকে সব বিরোধী দলকে নিষিদ্ধ করে দিতে পারে। সরকার সেই পথে আজকে হাঁটছে। কাজেই দেশের ১৮ কোটি মানুষকে আজকে সতর্ক হতে হবে, বুঝতে হবে, বাংলাদেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব আওয়ামী লীগের হাতে নিরাপদ নয়।’
বিএনপি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপি রাজনীতি করে জনগণের জন্য। আমাদের আন্দোলন চলছে, এ দেশে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জন্য—ক্ষমতার জন্য নয়। আমরা চাই, পরিবর্তনের মাধ্যমে বাংলাদেশের জনগণ সত্যিকারের মালিকানা তারা নিজের হাতে ফিরে পাবে।’

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে