
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ উল্লেখ করে তার ‘চিকিৎসা প্রয়োজন’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
গতকাল রোববার পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় চাঁদাবাজ এবং জমিদারদের বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য দেন শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে নাসীরুদ্দীনের দেওয়া বক্তব্যকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ উল্লেখ করে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান ইশরাক হোসেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে সূত্রাপুর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসময় তিনি নাসীরুদ্দীনের ‘মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন’ বলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতি ইঙ্গিত করে ইশরাক হোসেন বলেন, এই ধরনের বক্তব্য মানসিক বিকারগ্রস্ততার পরিচয় দেয়। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। পাশাপাশি রাজনৈতিক সৌহার্দ্য কীভাবে বজায় রাখতে হয় এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত তাকে তা শেখানো দরকার।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সব শক্তির মূল চাবিকাঠি জনগণের হাতেই থাকা উচিত। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের রায় দেবে। আমরা জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীল।
দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ধানের শীষের এ প্রার্থী বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু ব্যক্তির বেফাঁস ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে। আমরা সবাইকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানাই।
তিনি বলেন, যিনি (পাটওয়ারী) এমন বক্তব্য দিয়েছেন, তার উচিত জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। তা না হলে তার দলের উচিত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার ও প্রার্থিতা বাতিল করা।
এর আগে সকালে ইশরাক হোসেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যানারে আয়োজিত এক সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বজনীন চিকিৎসা সংস্কার ও উন্নয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী সূত্রাপুরের বিভিন্ন এলাকায় ইশরাক হোসেনের নির্বাচনি গণসংযোগ কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।

ঢাকা-৮ আসনে এনসিপির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে ‘মানসিক বিকারগ্রস্ত’ উল্লেখ করে তার ‘চিকিৎসা প্রয়োজন’ বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা-৬ আসনের বিএনপির প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন।
গতকাল রোববার পুরান ঢাকার ধূপখোলা মাঠে নির্বাচনি জনসভায় চাঁদাবাজ এবং জমিদারদের বিরুদ্ধে রায় দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বক্তব্য দেন শাপলা কলির প্রার্থী নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী।
এ ধরনের শব্দ ব্যবহার করে নাসীরুদ্দীনের দেওয়া বক্তব্যকে ‘কুরুচিপূর্ণ’ উল্লেখ করে তাকে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানান ইশরাক হোসেন।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে সূত্রাপুর এলাকায় নির্বাচনি গণসংযোগকালে গণমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এসময় তিনি নাসীরুদ্দীনের ‘মানসিক চিকিৎসা প্রয়োজন’ বলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া দেন।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর প্রতি ইঙ্গিত করে ইশরাক হোসেন বলেন, এই ধরনের বক্তব্য মানসিক বিকারগ্রস্ততার পরিচয় দেয়। তার চিকিৎসা প্রয়োজন। পাশাপাশি রাজনৈতিক সৌহার্দ্য কীভাবে বজায় রাখতে হয় এবং প্রতিপক্ষের সঙ্গে কী ধরনের ভাষা ব্যবহার করা উচিত তাকে তা শেখানো দরকার।
তিনি বলেন, আমরা বিশ্বাস করি, সব শক্তির মূল চাবিকাঠি জনগণের হাতেই থাকা উচিত। একটি সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণ তাদের রায় দেবে। আমরা জনগণের রায়ের প্রতি আস্থাশীল।
দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে ধানের শীষের এ প্রার্থী বলেন, এখন পর্যন্ত ঢাকাসহ সারাদেশে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। তবে কিছু ব্যক্তির বেফাঁস ও কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য ভোটারদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি করছে। আমরা সবাইকে শান্তি বজায় রাখার অনুরোধ জানাই।
তিনি বলেন, যিনি (পাটওয়ারী) এমন বক্তব্য দিয়েছেন, তার উচিত জাতির সামনে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। তা না হলে তার দলের উচিত সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে তাকে দল থেকে বহিষ্কার ও প্রার্থিতা বাতিল করা।
এর আগে সকালে ইশরাক হোসেন ঢাকা ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সর্বস্তরের চিকিৎসক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ব্যানারে আয়োজিত এক সভায় অংশ নেন। সেখানে তিনি সবার জন্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতকরণ এবং সর্বজনীন চিকিৎসা সংস্কার ও উন্নয়নের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
দিনব্যাপী সূত্রাপুরের বিভিন্ন এলাকায় ইশরাক হোসেনের নির্বাচনি গণসংযোগ কর্মসূচি চলবে বলে জানানো হয়েছে।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে