
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩ মার্চ চিকিৎসার জন্য সস্ত্রীক সিঙ্গাপুর যান ৭৭ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর আগে গত বছরের ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন।
শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর সেখানে দু’টি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। সেখানে তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে।
এসব পরীক্ষায় তার স্বাস্থ্যের প্যারামিটার নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে তিন মাস কারাবাসের পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল। এ সময়ে তার ছয় কেজি ওজন কমেছে। কারামুক্তির পর মির্জা ফখরুল ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে অধ্যাপক শামসুল আরেফীনকে দেখান এবং বাসায় থেকে তার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেন।

চিকিৎসা শেষে দেশে ফিরেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৩ মার্চ) সন্ধ্যা ৬টায় বাংলাদেশ বিমান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তিনি।
বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
গত ৩ মার্চ চিকিৎসার জন্য সস্ত্রীক সিঙ্গাপুর যান ৭৭ বছর বয়সী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এর আগে গত বছরের ২০২৩ সালের ২৪ আগস্ট চিকিৎসার জন্য তিনি সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন।
শায়রুল কবির খান জানিয়েছেন, সিঙ্গাপুরে যাওয়ার পর সেখানে দু’টি হাসপাতালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব। সেখানে তার বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে।
এসব পরীক্ষায় তার স্বাস্থ্যের প্যারামিটার নিয়ে কোনো উদ্বেগের কারণ নেই বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য, প্রায় সাড়ে তিন মাস কারাবাসের পর গত ১৫ ফেব্রুয়ারি জামিনে মুক্তি পান মির্জা ফখরুল। এ সময়ে তার ছয় কেজি ওজন কমেছে। কারামুক্তির পর মির্জা ফখরুল ঢাকায় বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে অধ্যাপক শামসুল আরেফীনকে দেখান এবং বাসায় থেকে তার তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেন।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে