
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খুব শিগগিরই উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কাযালয়ের নিচে দোয়া মাহফিলের তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আল্লাহ যদি রহম করেন তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমরা বর্তমানে একটি ভাসমান অবস্থায় আছি। ভারতে বসে শেখ হাসিনা যে কোনো একটা ষড়যন্ত্রের সুযোগ নিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনা সংখ্যালঘুদের দিয়ে একটা চক্রান্ত তৈরি করতে চেয়েছিল। তারা সেটি পারেনি। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেটা মোকাবিলা করেছে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, কোনো দুষ্কৃতিকারী যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য প্রত্যক এলাকায় শান্তি বিগ্রেড তৈরি করতে হবে। মসজিদ, মন্দিরসহ সংখ্যালঘুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা দিবেন। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, এক ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি। নব্য ফ্যাসিবাদ যাতে আর আসতে না পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অন্তবর্তীকালী সরকার একটি নতুন সরকার। একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কিছু ঝঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে তা পরিস্কার করতে হবে। আমাদের সবাইকে সেই পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, খাইরুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে খুব শিগগিরই উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
শুক্রবার রাজধানীর নয়াপল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কাযালয়ের নিচে দোয়া মাহফিলের তিনি এ কথা জানান। খালেদা জিয়ার ৮০তম জন্মদিন উপলক্ষে এই দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
মির্জা ফখরুল বলেন, আল্লাহ যদি রহম করেন তিনি আমাদের মাঝে ফিরে আসবেন। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) জন্য সবাই দোয়া করবেন। আমরা বর্তমানে একটি ভাসমান অবস্থায় আছি। ভারতে বসে শেখ হাসিনা যে কোনো একটা ষড়যন্ত্রের সুযোগ নিতে পারে। সাম্প্রতিক সময়ে শেখ হাসিনা সংখ্যালঘুদের দিয়ে একটা চক্রান্ত তৈরি করতে চেয়েছিল। তারা সেটি পারেনি। জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে সেটা মোকাবিলা করেছে।
সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে মির্জা ফখরুল বলেন, কোনো দুষ্কৃতিকারী যাতে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য প্রত্যক এলাকায় শান্তি বিগ্রেড তৈরি করতে হবে। মসজিদ, মন্দিরসহ সংখ্যালঘুদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা দিবেন। আমাদের নেত্রীর নির্দেশ অনুযায়ী দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে।
তিনি বলেন, এক ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করেছি। নব্য ফ্যাসিবাদ যাতে আর আসতে না পারে সেই দিকে খেয়াল রাখতে হবে। অন্তবর্তীকালী সরকার একটি নতুন সরকার। একটি অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য কিছু ঝঞ্জাল সৃষ্টি হয়েছে তা পরিস্কার করতে হবে। আমাদের সবাইকে সেই পর্যন্ত ধৈর্য ধারণ করতে হবে।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ডক্টর আব্দুল মঈন খান, ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু, অ্যাডভোকেট আহমেদ আজম খান, ড. আসাদুজ্জামান রিপন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, খাইরুল কবির খোকন, হাবিব উন নবী খান সোহেল, আব্দুস সালাম আজাদ, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরফত আলী সপুসহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে