
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাফরুল থানা বিএনপির উদ্যোগে এ খাবার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিংসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের সকল দুর্যোগে মেজর জিয়াউর রহমান জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৭১ সালে দেশের নেতৃত্ব যখন দোদূল্যমান, তারা যখন কোন দিক নির্দেশনা দিতে পারছিলেন না, ঠিক ওই সময় সেনাবাহিনীর একজন মেজর চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন। ১৯৭৫ সালে আজকের সরকারের পূর্বসূরীরা জাতিকে একটা অন্ধকারের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন। তারপর সিপাহীর জনতা একত্রিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে রাজনীতি ও ক্ষমতা সামনে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মানুষের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, একটা মুক্ত বাংলাদেশ তৈরি করেছিলেন। আবার একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই জাতি কখনো জাতির অবস্মরণীয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানকে ভুলে যাবে না। জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা গণতন্ত্র পেতাম না, জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে পেতাম না।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান বন্ধ না করলে বাকশাল যেভাবে কায়েম করা হয়েছিল তাই অব্যাহত রাখা হত। জিয়াউর রহমান যেমন রাজনীতি করেছেন, তেমনি সবাইকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন।
খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে রিজভী বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা নির্বাচনকে নির্বাসনে দিয়েছেন। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন না। সবকিছু বন্দি করেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। এই দম বন্ধ করার মতন পরিস্থিতিতে আমরা বসবাস করছি। এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সততা ধারণ করে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা ভালোমতো আমরা ফিরে পেতে পারবো।

সরকার অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ৪৩তম শাহাদত বার্ষিকী উপলক্ষে খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এ মন্তব্য করেন।
কাফরুল থানা বিএনপির উদ্যোগে এ খাবার বিতরণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। এ সময় বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার রফিকুল ইসলাম, নির্বাহী কমিটির সদস্য তারিকুল আলম তেনজিংসহ দলের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, দেশের সকল দুর্যোগে মেজর জিয়াউর রহমান জাতির ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন। ৭১ সালে দেশের নেতৃত্ব যখন দোদূল্যমান, তারা যখন কোন দিক নির্দেশনা দিতে পারছিলেন না, ঠিক ওই সময় সেনাবাহিনীর একজন মেজর চট্টগ্রাম থেকে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে জাতিকে স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য উদ্বুদ্ধ করলেন। ১৯৭৫ সালে আজকের সরকারের পূর্বসূরীরা জাতিকে একটা অন্ধকারের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন। তারপর সিপাহীর জনতা একত্রিত হয়ে জিয়াউর রহমানকে রাজনীতি ও ক্ষমতা সামনে নিয়ে আসেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান মানুষের স্বাধীনতা, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা, একটা মুক্ত বাংলাদেশ তৈরি করেছিলেন। আবার একটি স্বাধীন দেশ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এই জাতি কখনো জাতির অবস্মরণীয় নেতা শহীদ জিয়াউর রহমানকে ভুলে যাবে না। জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা গণতন্ত্র পেতাম না, জিয়াউর রহমান না থাকলে আমরা মত প্রকাশের স্বাধীনতাকে পেতাম না।
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব বলেন, জিয়াউর রহমান বন্ধ না করলে বাকশাল যেভাবে কায়েম করা হয়েছিল তাই অব্যাহত রাখা হত। জিয়াউর রহমান যেমন রাজনীতি করেছেন, তেমনি সবাইকে রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছেন।
খাবার বিতরণ কর্মসূচিতে রিজভী বলেন, আজকে যারা ক্ষমতায় আছেন তারা নির্বাচনকে নির্বাসনে দিয়েছেন। ভোটাররা ভোটকেন্দ্রে যেতে পারেন না। সবকিছু বন্দি করেছেন। অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনকে জাদুঘরে পাঠিয়েছেন। এই দম বন্ধ করার মতন পরিস্থিতিতে আমরা বসবাস করছি। এই পরিস্থিতি থেকে পরিত্রাণের জন্য জিয়াউর রহমানের আদর্শ, সততা ধারণ করে কাজ করতে পারলে বাংলাদেশে স্বাধীনতা ভালোমতো আমরা ফিরে পেতে পারবো।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে