
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দেশে বিপদ ধেয়ে আসছে মন্তব্য করে বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, দেশের জনগণকে আপনারা বারবার ধোকা দিবেন। দেশের জনগণকে আপনারা জনগণ না মনে করে বন্দি করে নির্বাচন করবেন। একই দলের বিভিন্ন স্বতন্ত্র প্রার্থী করে নির্বাচন করবেন আপনারা মনে করছেন জনগণ এটা বুঝবে না। জনগণ সবই বুঝে। বিএনপি ও সমমাননা দলগুলো যে আন্দোলনে রয়েছে, সেই আন্দোলনে দেশের জনগণের সমর্থন রয়েছে।সুতরাং দেশে কিন্তু বিপদ ধেয়ে আসছে।
বুধবার বিকেলে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, এই দুর্ভাগা জাতির রাজনীতির করুণ মৃত্যুর কথা আপনাদের বলতে চাই। সেই করুণ মৃত্যু হচ্ছে গণতন্ত্রের, বাকস্বাধীনতার, ব্যক্তি স্বাধীনতার।
রিজভী বলেন, আওয়ামী সরকারের মন্ত্রীদের যে নিষ্ঠুরতা জঙ্গিদের চাইতেও আর কেউ করেছে বলে আমার মনে হয় না। যে সব প্রতিষ্ঠান গণতন্ত্রকে সবল শক্তিশালী রাখে সেগুলো তো আগেই ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়া হয়েছে।বিরোধী দলকে নির্মূল করার জন্য বিচার বিভাগকে অত্যন্ত নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ক্রীতদাস বিচারকদের দিয়ে প্রতিদিন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে জেল সাজা দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার রাজনৈতিক খেলা, নির্বাচনী খেলা তো আপনারা দেখালেন। একদলকে বিভিন্ন দল করে আমি ডামি মামুদের কে দিয়ে যে নির্বাচন করালেন এই নির্বাচনে গোটা বিশ্ববাসী হাততালি দেয়নি। মুচকি হেসেছে যে এরা মানুষ হিসেবে কথা বলেছে নাকি এদের ভিতর অন্য কিছু আছে, অন্য কোন সত্ত্বা আছে তাদের। এখন রাজনীতির খেলা নাকি দেখাবে। তারা দুর্নীতির সাগরে ভাসছে তারা নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। দুর্নীতি তো আপনাদের সরকারের অঙ্গের ভূষণ, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে আপনাদের পরিবারকে ঐতিহ্যের মধ্যে রেখেছেন এখন নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনীতির খেলা হবে।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে। এছাড়া এ সময়ে ২ মামলায় ১৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

দেশে বিপদ ধেয়ে আসছে মন্তব্য করে বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী সরকারের উদ্দেশে বলেছেন, দেশের জনগণকে আপনারা বারবার ধোকা দিবেন। দেশের জনগণকে আপনারা জনগণ না মনে করে বন্দি করে নির্বাচন করবেন। একই দলের বিভিন্ন স্বতন্ত্র প্রার্থী করে নির্বাচন করবেন আপনারা মনে করছেন জনগণ এটা বুঝবে না। জনগণ সবই বুঝে। বিএনপি ও সমমাননা দলগুলো যে আন্দোলনে রয়েছে, সেই আন্দোলনে দেশের জনগণের সমর্থন রয়েছে।সুতরাং দেশে কিন্তু বিপদ ধেয়ে আসছে।
বুধবার বিকেলে ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
রিজভী বলেন, এই দুর্ভাগা জাতির রাজনীতির করুণ মৃত্যুর কথা আপনাদের বলতে চাই। সেই করুণ মৃত্যু হচ্ছে গণতন্ত্রের, বাকস্বাধীনতার, ব্যক্তি স্বাধীনতার।
রিজভী বলেন, আওয়ামী সরকারের মন্ত্রীদের যে নিষ্ঠুরতা জঙ্গিদের চাইতেও আর কেউ করেছে বলে আমার মনে হয় না। যে সব প্রতিষ্ঠান গণতন্ত্রকে সবল শক্তিশালী রাখে সেগুলো তো আগেই ভেঙ্গে চুরমার করে দেয়া হয়েছে।বিরোধী দলকে নির্মূল করার জন্য বিচার বিভাগকে অত্যন্ত নির্মমভাবে ব্যবহার করা হয়েছে। ক্রীতদাস বিচারকদের দিয়ে প্রতিদিন বিএনপির নেতাকর্মীদেরকে জেল সাজা দেওয়া হচ্ছে।
সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, এবার রাজনৈতিক খেলা, নির্বাচনী খেলা তো আপনারা দেখালেন। একদলকে বিভিন্ন দল করে আমি ডামি মামুদের কে দিয়ে যে নির্বাচন করালেন এই নির্বাচনে গোটা বিশ্ববাসী হাততালি দেয়নি। মুচকি হেসেছে যে এরা মানুষ হিসেবে কথা বলেছে নাকি এদের ভিতর অন্য কিছু আছে, অন্য কোন সত্ত্বা আছে তাদের। এখন রাজনীতির খেলা নাকি দেখাবে। তারা দুর্নীতির সাগরে ভাসছে তারা নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ করবে। দুর্নীতি তো আপনাদের সরকারের অঙ্গের ভূষণ, লক্ষ কোটি টাকা পাচার করে আপনাদের পরিবারকে ঐতিহ্যের মধ্যে রেখেছেন এখন নাকি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাজনীতির খেলা হবে।
রিজভী অভিযোগ করে বলেন, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে বিএনপি ও এর অঙ্গসহযোগী সংগঠনের গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৪০ জনের বেশি নেতাকর্মীকে। এছাড়া এ সময়ে ২ মামলায় ১৩৫ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৩ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
৩ দিন আগে