
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন,পার্বত্য জেলা বান্দরবনে যে ঘটনা দুদিন ধরে ঘটে চলেছে তা ভয়ংকর এবং সরকারের চূড়ান্ত ব্যর্থতা।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির উদ্যোগে
ঝিনাইদহে প্রান্তিক পার্কে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামরত নির্যাতিত, নেতা-কর্মীর ও স্বজন হারা পরিবারের সম্মানার্থে
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসিত। মানুষ কথা বলতে ভয় পায়। সাংবাদিক সমাজ মন খুলে লিখতে পারেনা।vকারণ এখানে কোনো গণতান্ত্রিক, নির্বাচিত সরকার নাই। যে নির্বাচনের কথা বলা হয় তা সাজানো গোছানো। এই দেশে কোনো জবাবদিহিতামূলক সরকার নেই। এখানে যারা দেশ পরিচালনা করছেন তারা গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করেছে, এবং তথাকথিত নির্বাচনের নামে তারা যেন দেশ পরিচালনার ঠিকাদারি নিয়েছে। এইভাবে বেশি দিন চলতে পারে না। আনতে বিলম্বের এই সরকারকে পদত্যাগ করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে সত্যিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। এছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।'
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। এই বেড়ে যাওয়ার পিছনে সরকার সমর্থিত সিন্ডিকেটের হাত আছে। তাই জিনিসপত্রের দাম কোনোভাবেই সরকার কমাচ্ছে না।
আলোচনা সভার আগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের শহীদ ইসমাইল হোসেন, শহীদ মিন্টু বিশ্বাস, শহীদ নজরুল ইসলাম, শহীদ রবিউল ইসলাম, শহীদ এলাহী মণ্ডল,শহীদ হুমায়ুন কবির,শহীদ নূর মিয়ার পরিবারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা এবং ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেন শামসুজ্জামান দুধু ।
জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম.এ মজিদ সভাপতিত্ব
সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন বাবু জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, মীর রবিউল ইসলাম লাবলু, এ.কে এম ওয়াজেদ,এ্যাডঃ কামাল আজাদ পান্নু, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, এনামুল কবির মুকুল,এম শাহজাহান আলী,আলমগীর হোসেন আলম,মাহবুবুর রহমান শেখর, আসিফ ইকবাল মাখন, আহসান হাবীব রনক, টোকন জোয়াদ্দার, এস.এম সমিনুজ্জামান সমিন, মোঃ রেজাউল ইসলাম, মাহাবুব আলম মিলু, আব্দুর রশিদ মোহন প্রমুখ।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক সংসদ সদস্য শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন,পার্বত্য জেলা বান্দরবনে যে ঘটনা দুদিন ধরে ঘটে চলেছে তা ভয়ংকর এবং সরকারের চূড়ান্ত ব্যর্থতা।
শুক্রবার (৫ এপ্রিল) ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির উদ্যোগে
ঝিনাইদহে প্রান্তিক পার্কে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং ভোট ও ভাতের অধিকার আদায়ের সংগ্রামরত নির্যাতিত, নেতা-কর্মীর ও স্বজন হারা পরিবারের সম্মানার্থে
ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে গণতন্ত্র নির্বাসিত। মানুষ কথা বলতে ভয় পায়। সাংবাদিক সমাজ মন খুলে লিখতে পারেনা।vকারণ এখানে কোনো গণতান্ত্রিক, নির্বাচিত সরকার নাই। যে নির্বাচনের কথা বলা হয় তা সাজানো গোছানো। এই দেশে কোনো জবাবদিহিতামূলক সরকার নেই। এখানে যারা দেশ পরিচালনা করছেন তারা গায়ের জোরে ক্ষমতা দখল করেছে, এবং তথাকথিত নির্বাচনের নামে তারা যেন দেশ পরিচালনার ঠিকাদারি নিয়েছে। এইভাবে বেশি দিন চলতে পারে না। আনতে বিলম্বের এই সরকারকে পদত্যাগ করে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের মাধ্যমে সত্যিকারের নির্বাচন অনুষ্ঠিত করতে হবে। এছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব হবে না।'
তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম অস্বাভাবিক ভাবে বেড়ে গেছে। এই বেড়ে যাওয়ার পিছনে সরকার সমর্থিত সিন্ডিকেটের হাত আছে। তাই জিনিসপত্রের দাম কোনোভাবেই সরকার কমাচ্ছে না।
আলোচনা সভার আগে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনের শহীদ ইসমাইল হোসেন, শহীদ মিন্টু বিশ্বাস, শহীদ নজরুল ইসলাম, শহীদ রবিউল ইসলাম, শহীদ এলাহী মণ্ডল,শহীদ হুমায়ুন কবির,শহীদ নূর মিয়ার পরিবারকে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারপারসন তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ঈদের শুভেচ্ছা এবং ঈদ সামগ্রী পৌঁছে দেন শামসুজ্জামান দুধু ।
জেলা বিএনপির সভাপতি এ্যাড. এম.এ মজিদ সভাপতিত্ব
সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনার সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন বাবু জয়ন্ত কুমার কুণ্ডু, মীর রবিউল ইসলাম লাবলু, এ.কে এম ওয়াজেদ,এ্যাডঃ কামাল আজাদ পান্নু, আব্দুল মজিদ বিশ্বাস, আনোয়ারুল ইসলাম বাদশা, এনামুল কবির মুকুল,এম শাহজাহান আলী,আলমগীর হোসেন আলম,মাহবুবুর রহমান শেখর, আসিফ ইকবাল মাখন, আহসান হাবীব রনক, টোকন জোয়াদ্দার, এস.এম সমিনুজ্জামান সমিন, মোঃ রেজাউল ইসলাম, মাহাবুব আলম মিলু, আব্দুর রশিদ মোহন প্রমুখ।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে