
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজধানীর রমনা থানার দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় বিএনপির ৩৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রাজধানীর সূত্রাপুর থানার আরেক মামলায় ২৩ আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
১২ বছর আগে রাজধানীর রমনা থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে পৃথক দুই ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে দুই ধারায় তাদের এক বছর করে দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একত্রে চলবে বিধায় তাদের এক বছর কারাভোগ করতে হবে।
২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানীর রমনা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে মামলাটি করে পুলিশ। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আ. রহমান, ফারুক, নুর নবী, কামাল উদ্দিন, সুমন, বেল্লাল হোসেন, ফারুক, একরামুল হক কুসুম, ইউনুস, সাহাবুদ্দিন, রবিন, ফয়সাল ইনাম, খন্দকার আ. রব, সিয়াম মাহমুদ আব্দুল্লাহ, শাহিন ইসলাম, নকিব নাসরুল্লাহ, আ. রহমান, ফাকরে আলম, আ. কাদের ও কবির হোসেন সরকার।
পাঁচ বছর আগে ঢাকার রমনা থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীকে দণ্ডবিধির দুই ধারায় দুই বছর তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৮ সালের আগস্টে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আমিনুল ইসলাম লিপন, নান্নু মিয়া, মো. মোবাশ্বের ইসলাম নির্জন, মো. রাজিব আল হাসান, মেহেদী হাসান তালুকদার, শেখ আবু তাহের, মিজানুর রহমান রাজ, মো. সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, জহির উদ্দিন তুহিন, গিয়াস উদ্দিন মানিক, কামরুজ্জামান জুয়েল, মো. তসলিম আহসান মাসুম, রিফাত বিন জিয়া, মো. আশরাফ হোসেন চৌধুরী অপু, মো. রেজাউল ইসলাম প্রিন্স ও মো. আরাফাত হোসেন।
দশ বছর আগে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার মামলায় বিএনপির ২৩ নেতাকর্মীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালত তাদের খালাস দেন। ২০১৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মিছিলে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করে পুলিশ।

রাজধানীর রমনা থানার দায়ের করা পৃথক দুই মামলায় বিএনপির ৩৬ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
আর অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় রাজধানীর সূত্রাপুর থানার আরেক মামলায় ২৩ আসামির সবাইকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত।
১২ বছর আগে রাজধানীর রমনা থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ২০ নেতাকর্মীকে পৃথক দুই ধারায় দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট শফি উদ্দিনের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন।
রায়ে দুই ধারায় তাদের এক বছর করে দুই বছরের কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে উভয় সাজা একত্রে চলবে বিধায় তাদের এক বছর কারাভোগ করতে হবে।
২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসে রাজধানীর রমনা এলাকায় নাশকতার অভিযোগে মামলাটি করে পুলিশ। এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আ. রহমান, ফারুক, নুর নবী, কামাল উদ্দিন, সুমন, বেল্লাল হোসেন, ফারুক, একরামুল হক কুসুম, ইউনুস, সাহাবুদ্দিন, রবিন, ফয়সাল ইনাম, খন্দকার আ. রব, সিয়াম মাহমুদ আব্দুল্লাহ, শাহিন ইসলাম, নকিব নাসরুল্লাহ, আ. রহমান, ফাকরে আলম, আ. কাদের ও কবির হোসেন সরকার।
পাঁচ বছর আগে ঢাকার রমনা থানায় করা নাশকতার মামলায় বিএনপির ১৬ নেতাকর্মীকে দণ্ডবিধির দুই ধারায় দুই বছর তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোশাররফ হোসেন এ রায় ঘোষণা করেন। ২০১৮ সালের আগস্টে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে পুলিশ।
এ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- আমিনুল ইসলাম লিপন, নান্নু মিয়া, মো. মোবাশ্বের ইসলাম নির্জন, মো. রাজিব আল হাসান, মেহেদী হাসান তালুকদার, শেখ আবু তাহের, মিজানুর রহমান রাজ, মো. সাজ্জাদ হোসেন রুবেল, জহির উদ্দিন তুহিন, গিয়াস উদ্দিন মানিক, কামরুজ্জামান জুয়েল, মো. তসলিম আহসান মাসুম, রিফাত বিন জিয়া, মো. আশরাফ হোসেন চৌধুরী অপু, মো. রেজাউল ইসলাম প্রিন্স ও মো. আরাফাত হোসেন।
দশ বছর আগে রাজধানীর সূত্রাপুর থানার মামলায় বিএনপির ২৩ নেতাকর্মীকে বেকসুর খালাস দিয়েছেন আদালত। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলামের আদালত তাদের খালাস দেন। ২০১৩ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি মিছিলে নাশকতার অভিযোগে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে এ মামলাটি করে পুলিশ।

সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৩ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৩ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
৪ দিন আগে