
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে। আর এই সংসদকে ডামি নির্বাচনের অবৈধ সংসদ দাবি করে শুরুর দিনই ‘কালো পতাকা’ মিছিলের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। রাজধানীর ঢাকায়ও সাতটি জায়গায় এই মিছিল হবে।
গত শনিবার (২৭ জানুয়ারি) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা মিছিলপূর্ব সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সব জেলা ও উপজেলা শহর এবং মহানগরে কালো পতাকা মিছিল করা হবে। জনগণকে নিয়ে এই অবৈধ সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে হবে।
কর্মসূচির বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ‘ডামি সংসদ বাতিল করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে’ এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
দুপুর ২টায় রাজধানীর ৭টি স্থান থেকে এই মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া একই দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোটসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা পৃথকভাবে কালো পতাকা মিছিল করবে।
বিএনপির দপ্তর থেকে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির তিনটি ও দক্ষিণের চারটি জায়গা থেকে কালো পতাকা মিছিল বের হবে। এর মধ্যে মহানগর উত্তর উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর, মিরপুর ১২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড ও শাহজাদপুরের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে মিছিল করবে। আর মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে মতিঝিলের পীরজঙ্গি মাজার, যাত্রাবাড়ীর কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, সূত্রাপুরের দয়াগঞ্জ মোড় ও ধানমন্ডির নিউমার্কেটের সামনে মিছিল করবে ।
বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, উত্তরায় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও মিরপুরে সেলিমা রহমান, শাহজাদপুরে ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান উপস্থিত থাকবেন। আর মতিঝিলে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিউমার্কেট এলাকায় নজরুল ইসলাম খান, দয়াগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, যাত্রাবাড়ীতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত থাকবেন।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হচ্ছে মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) বিকেলে। আর এই সংসদকে ডামি নির্বাচনের অবৈধ সংসদ দাবি করে শুরুর দিনই ‘কালো পতাকা’ মিছিলের কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। রাজধানীর ঢাকায়ও সাতটি জায়গায় এই মিছিল হবে।
গত শনিবার (২৭ জানুয়ারি) নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে কালো পতাকা মিছিলপূর্ব সমাবেশ থেকে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। তিনি বলেন, সব জেলা ও উপজেলা শহর এবং মহানগরে কালো পতাকা মিছিল করা হবে। জনগণকে নিয়ে এই অবৈধ সরকারের সব কর্মকাণ্ডকে প্রতিরোধ করতে হবে।
কর্মসূচির বিষয়ে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান জানান, ‘ডামি সংসদ বাতিল করে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচনের দাবিতে’ এই কর্মসূচি পালন করা হবে।
দুপুর ২টায় রাজধানীর ৭টি স্থান থেকে এই মিছিল বের হওয়ার কথা রয়েছে। এছাড়া একই দাবিতে গণতন্ত্র মঞ্চ, ১২ দলীয় জোটসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিকরা পৃথকভাবে কালো পতাকা মিছিল করবে।
বিএনপির দপ্তর থেকে জানানো হয়, ঢাকা মহানগর উত্তর বিএনপির তিনটি ও দক্ষিণের চারটি জায়গা থেকে কালো পতাকা মিছিল বের হবে। এর মধ্যে মহানগর উত্তর উত্তরা ১২ নম্বর সেক্টর, মিরপুর ১২ নম্বর বাসস্ট্যান্ড ও শাহজাদপুরের সুবাস্তু টাওয়ারের সামনে মিছিল করবে। আর মহানগর দক্ষিণ বিএনপির উদ্যোগে মতিঝিলের পীরজঙ্গি মাজার, যাত্রাবাড়ীর কদমতলী বাসস্ট্যান্ড, সূত্রাপুরের দয়াগঞ্জ মোড় ও ধানমন্ডির নিউমার্কেটের সামনে মিছিল করবে ।
বিএনপির মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়, উত্তরায় স্থায়ী কমিটির সদস্য আবদুল মঈন খান ও মিরপুরে সেলিমা রহমান, শাহজাদপুরে ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান উপস্থিত থাকবেন। আর মতিঝিলে স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, নিউমার্কেট এলাকায় নজরুল ইসলাম খান, দয়াগঞ্জে ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী, যাত্রাবাড়ীতে সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী উপস্থিত থাকবেন।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৭ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৭ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৮ দিন আগে