
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারি করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার লালমাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর আজকে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের ফলে যে বিজয় এসেছে, সেই বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল কাজ করছে। আমাদের মধ্যে আবার বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। আমাদের কিছু লোকের দ্বারাই বিভিন্ন রকমের কথা বলে পত্রপত্রিকতায় বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এইখান থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। যদি কাউকে দেখেন চাঁদাবাজি করছে বা দখলদারী করছে, তাকে ধরে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে দিবেন। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো রকমের কোনো সুপারিশ থাকবে না। বিএনপির কোনো লোক এরকম করতে পারে না। আপনাদেরকে এটা প্রতিরোধ করতে হবে। আমাদের এই কথাটা, ম্যাসেজটুকু ক্লিয়ার।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর লড়াই করেছি। আমাদের অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। অনেককে দিনের পর দিন কোর্টে যেতে হয়েছে। এখন আমরা একটা অবস্থানে এসে পৌঁছেছি, সেই সময়টাকে ধরে রাখতে হবে। যদি আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে পারি, সেই নির্বাচনে যদি জনগণের প্রতিনিধি নিয়ে আসতে পারি তাহলে আমাদের সমস্যার সমাধান হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে এখন নতুন সরকার। ২০/২২দিন মাত্র বয়স হয়েছে। তাদেরকে আমাদের সময় দিতে হবে। তারা যেনো একটু সুষ্ঠু নির্বাচন করার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। আগেভাগে কোনো কথা বলা ঠিক হবে না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা সেখানে গিয়েছি। আমরা বলেছি, মানুষ যেরকম চায়, সেরকম একটা নির্বাচন দিতে হবে। দ্রুততার সঙ্গে জনগণের যে দাবি, জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে। জনগণের সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

বিএনপির নাম ভাঙিয়ে কেউ চাঁদাবাজি বা দখলদারি করলে সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশে সোপর্দ করার নির্দেশ দিয়েছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (৩১ আগস্ট) কুমিল্লার লালমাইয়ে বন্যার্তদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ লড়াই-সংগ্রামের পর আজকে ছাত্র-জনতার গণআন্দোলনের ফলে যে বিজয় এসেছে, সেই বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্য একটি মহল কাজ করছে। আমাদের মধ্যে আবার বিভেদ সৃষ্টি করার চেষ্টা চলছে। আমাদের কিছু লোকের দ্বারাই বিভিন্ন রকমের কথা বলে পত্রপত্রিকতায় বিএনপির ভাবমূর্তি নষ্ট করার চেষ্টা করছে। এইখান থেকে সবাইকে বিরত থাকতে হবে। যদি কাউকে দেখেন চাঁদাবাজি করছে বা দখলদারী করছে, তাকে ধরে সঙ্গে সঙ্গে পুলিশে দিবেন। এ ব্যাপারে আমাদের কোনো রকমের কোনো সুপারিশ থাকবে না। বিএনপির কোনো লোক এরকম করতে পারে না। আপনাদেরকে এটা প্রতিরোধ করতে হবে। আমাদের এই কথাটা, ম্যাসেজটুকু ক্লিয়ার।’
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আমরা দীর্ঘ ১৫/১৬ বছর লড়াই করেছি। আমাদের অনেকে প্রাণ হারিয়েছে। অনেককে দিনের পর দিন কোর্টে যেতে হয়েছে। এখন আমরা একটা অবস্থানে এসে পৌঁছেছি, সেই সময়টাকে ধরে রাখতে হবে। যদি আমরা একটা ভালো নির্বাচন করতে পারি, সেই নির্বাচনে যদি জনগণের প্রতিনিধি নিয়ে আসতে পারি তাহলে আমাদের সমস্যার সমাধান হবে।’
তিনি বলেন, ‘দেশে এখন নতুন সরকার। ২০/২২দিন মাত্র বয়স হয়েছে। তাদেরকে আমাদের সময় দিতে হবে। তারা যেনো একটু সুষ্ঠু নির্বাচন করার মতো পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারে। আগেভাগে কোনো কথা বলা ঠিক হবে না। সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে আমরা সেখানে গিয়েছি। আমরা বলেছি, মানুষ যেরকম চায়, সেরকম একটা নির্বাচন দিতে হবে। দ্রুততার সঙ্গে জনগণের যে দাবি, জনগণের প্রতিনিধির হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে। জনগণের সরকারের হাতে ক্ষমতা তুলে দিতে হবে।’
বিএনপির কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি মনিরুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিএনপির কেন্দ্রীয় ত্রাণ ও পুনর্বাসন সম্পাদক এবং দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক হাজী আমিন উর রশিদ ইয়াছিন, কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ সেলিম ভূঁইয়া, বিএনপি নেতা ড. শাহ মোহাম্মদ সেলিমসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৬ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে