
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাবন্দি নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটার দিকে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নুরুল ইসলাম সরকারের বড় ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার।
নুরুল ইসলাম সরকার মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন সরকার, রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, নুরুল ইসলাম সরকারের ছেলে শাহানুর ইসলাম রনিসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এদিকে সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমাবেশ শেষে দুপুর বারোটার দিকে নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল কলেজ গেট থেকে বের হয়ে গাজীপুর হয়ে ফের টঙ্গী কলেজ গেট এসে শেষ হয়। নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে ডাকা এই সমাবেশের ফলে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর পৌনে একটার দিকে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, বিএনপির একটি কর্মসূচির কারণে মহাসড়কে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। পরে তা স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
টঙ্গীতে সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার প্রায় ২ দশকের বেশি সময় ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর থেকে নুরুল ইসলাম সরকারের পরিবার ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তার মুক্তি দাবি করে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

বীর মুক্তিযোদ্ধা কারাবন্দি নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছেন বিএনপি নেতা-কর্মীরা। এই সমাবেশকে কেন্দ্র করে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়।
শনিবার (১১ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে দশটার দিকে গাজীপুর মহানগরীর টঙ্গী কলেজ গেট এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের পাশে এই বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন নুরুল ইসলাম সরকারের বড় ভাই বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসান উদ্দিন সরকার।
নুরুল ইসলাম সরকার মুক্তি পরিষদের উদ্যোগে আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন সরকার, রাকিব উদ্দিন সরকার পাপ্পু, নুরুল ইসলাম সরকারের ছেলে শাহানুর ইসলাম রনিসহ বিএনপির নেতা-কর্মীরা।
এদিকে সমাবেশকে কেন্দ্র করে বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মীর উপস্থিতিতে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। সমাবেশ শেষে দুপুর বারোটার দিকে নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে একটি বিশাল বিক্ষোভ মিছিল কলেজ গেট থেকে বের হয়ে গাজীপুর হয়ে ফের টঙ্গী কলেজ গেট এসে শেষ হয়। নুরুল ইসলাম সরকারের মুক্তির দাবিতে ডাকা এই সমাবেশের ফলে প্রায় দুই ঘণ্টা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে দুপুর পৌনে একটার দিকে ওই মহাসড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়।
টঙ্গী পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইসকান্দার হাবিবুর রহমান বলেন, বিএনপির একটি কর্মসূচির কারণে মহাসড়কে নেতাকর্মীদের উপচে পড়া ভিড়ের কারণে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। পরে তা স্বাভাবিক হয়ে গেছে।
টঙ্গীতে সাবেক সংসদ সদস্য আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলায় ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম সরকার প্রায় ২ দশকের বেশি সময় ধরে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ৫ আগস্ট পট পরিবর্তনের পর থেকে নুরুল ইসলাম সরকারের পরিবার ও বিএনপির নেতাকর্মীরা তার মুক্তি দাবি করে নানা কর্মসূচি পালন করে আসছেন।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৫ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে