
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে মানুষ চোখে অন্ধকার দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ সংকট। ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম্য এবং দাপটে মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাই সব অপকর্মকে আড়াল করতেই ডামি সরকার নতুন করে জুলুমের মাত্রা বাড়িয়েছে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের জামিন বাতিল হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ বিবৃতি দেন তিনি।
এতে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ৭ জানুয়ারির আওয়ামী ডামি সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারাদেশে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর যে জুলুম চালাচ্ছে, এর আরও একটি কু-নজীর স্থাপিত হলো মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২২ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার মধ্যদিয়ে।
তিনি বলেন, অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় আসামি হওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আইনের শাসনহীন এই দেশে নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার। তবে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

লাগামহীন দ্রব্যমূল্যে মানুষ চোখে অন্ধকার দেখছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, নিত্যপণ্যের অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধিতে জনজীবনে নেমে এসেছে দুর্বিষহ সংকট। ক্ষমতাসীনদের দৌরাত্ম্য এবং দাপটে মানুষ চরম উৎকণ্ঠার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। তাই সব অপকর্মকে আড়াল করতেই ডামি সরকার নতুন করে জুলুমের মাত্রা বাড়িয়েছে।
শুক্রবার এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন বিএনপি মহাসচিব। দলটির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও শেরপুর জেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুল হক রুবেলসহ অন্যান্য নেতাকর্মীদের জামিন বাতিল হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করে এ বিবৃতি দেন তিনি।
এতে মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ৭ জানুয়ারির আওয়ামী ডামি সরকার তাদের অনৈতিক ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে সারাদেশে বিরোধীদলের নেতাকর্মীদের ওপর যে জুলুম চালাচ্ছে, এর আরও একটি কু-নজীর স্থাপিত হলো মাহমুদুল হক রুবেলসহ ২২ নেতাকর্মীর জামিন নামঞ্জুর হওয়ার মধ্যদিয়ে।
তিনি বলেন, অপরাধ না করেও মিথ্যা মামলায় আসামি হওয়া এখন নিয়মে পরিণত হয়েছে। আইনের শাসনহীন এই দেশে নিরপরাধ মানুষরাই সরকারি নিপীড়নের শিকার। তবে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে জনগণ ঐক্যবদ্ধভাবে আন্দোলন-সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে