
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ধর্ষণবিরোধী মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা দায়েরের নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ডকে বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টারও নিন্দা জানিয়েছেন।
রোববার (১৬ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এ নিন্দা জানান। তার পক্ষে বিবৃতি পাঠিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
এর আগে গত ১১ মার্চ ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ধর্ষণবিরোধী মিছিল হয় শাহবাগ এলাকায়। ওই মিছিল থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগসহ ৯ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে মিছিলটিকে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে আন্দোলনকারীরা সামনে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের ১২ নেতার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) মামলা দায়ের করে রমনা থানায়। এই ১২ জনের সবাই বিভিন্ন বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের নেতা। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ডকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায় পুলিশ।
এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, নারী নিপীড়ন, হয়রানি ও ধর্ষণের ঘটনা সারা দেশে ঘটে চলেছে। এটা উদ্বেগজনক। এই ধর্ষণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালিয়ে, পরে ১২ ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মামলা এবং গভীর রাতে ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতিকে তার নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে যারা সচেতনতা তৈরি করছেন, তাদের সহযোগিতা না করে হয়রানি করা অন্যায়।
সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ভূমিকা পালন করবে এবং হয়রানি থেকে বিরত থাকবে— বিবৃতিতে এমন প্রত্যাশার কথা জানান মির্জা ফখরুল।

ধর্ষণবিরোধী মিছিল থেকে পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের মামলা দায়েরের নিন্দা জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ডকে বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টারও নিন্দা জানিয়েছেন।
রোববার (১৬ মার্চ) রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল এ নিন্দা জানান। তার পক্ষে বিবৃতি পাঠিয়েছেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
এর আগে গত ১১ মার্চ ‘ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ’ প্ল্যাটফর্মের আয়োজনে ধর্ষণবিরোধী মিছিল হয় শাহবাগ এলাকায়। ওই মিছিল থেকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগসহ ৯ দাবিতে প্রধান উপদেষ্টার কাছে স্মারকলিপি দেওয়ার কথা ছিল। হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের সামনে মিছিলটিকে বাধা দেয় পুলিশ। ব্যারিকেড ভেঙে আন্দোলনকারীরা সামনে যাওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে হাতাহাতি ও সংঘর্ষ হয়।
এ ঘটনায় বিভিন্ন ছাত্রসংগঠনের ১২ নেতার বিরুদ্ধে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) মামলা দায়ের করে রমনা থানায়। এই ১২ জনের সবাই বিভিন্ন বামপন্থি ছাত্র সংগঠনের নেতা। মামলায় অজ্ঞাত আরও ৭০-৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পরে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি মশিউর রহমান খান রিচার্ডকে তার বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালায় পুলিশ।
এসব ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিবৃতিতে মির্জা ফখরুল বলেন, নারী নিপীড়ন, হয়রানি ও ধর্ষণের ঘটনা সারা দেশে ঘটে চলেছে। এটা উদ্বেগজনক। এই ধর্ষণ, নির্যাতন ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে ছাত্রছাত্রীদের আন্দোলনে হামলা চালিয়ে, পরে ১২ ছাত্রনেতার বিরুদ্ধে মামলা এবং গভীর রাতে ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতিকে তার নিজের বাসা থেকে গ্রেপ্তারের চেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।
বিবৃতিতে বিএনপির মহাসচিব বলেন, ধর্ষণ ও নিপীড়নের বিরুদ্ধে যারা সচেতনতা তৈরি করছেন, তাদের সহযোগিতা না করে হয়রানি করা অন্যায়।
সমাজে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনী যথাযথ ভূমিকা পালন করবে এবং হয়রানি থেকে বিরত থাকবে— বিবৃতিতে এমন প্রত্যাশার কথা জানান মির্জা ফখরুল।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৫ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে