
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেছেন, শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা আজ প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা আজ অতিষ্ঠ। যে ছাত্ররা মুক্তিযুদ্ধে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, সেই ছাত্ররাই আজ ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি করছেন। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ছাত্র রাজনীতিকে বিষিয়ে তুলেছে।
শনিবার( ৩০ মার্চ) বিকেলে নয়াপল্টন ভাসানী মিলনায়তনে গুম হওয়া "চৌধুরী আলম সন্ধান ও মুক্তি পরিষদ"
আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাম বলেন, নিজেদের স্বাধীনতার শক্তি দাবিদার আওয়ামী লীগ এই স্বাধীনতার মাসেও নিরস্ত্র জনগণের ওপর অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে। বিনা কারণে বিরোধি মতধারীদের কারাগারে নিক্ষেপ করা হচ্ছে। আসলে এরা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নয়, এরা এদেশে কোনো রাষ্ট্রের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, যারা ভিনদেশী শক্তিতে বলিয়ান তারা কখনও জনগণের বন্ধু হতে পারে না। তাই জনগণের প্রতি তাদের কোনো মায়া দয়া নেই। সেজন্য আজ কেড়ে নেওয়া হয়েছে জনগণের সকল মৌলিক অধিকার। আর এ অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। আসুন এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে ঐক্যবদ্ধ হই।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু সাদাত চৌধুরী শাওনের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব সারোয়ার হোসেন মিয়ার সঞ্চলনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইন্জিনিয়ার ইশরাক হোসন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, সাইদুর রহমান মিন্টু (দপ্তরের দায়িত্বে), সদস্য এম. এ হান্নান, সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন, শাহাবাগ থানা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম স্বপন, জাকির হোসেন মিন্টু, জাহিদ হোসেন নোয়াব, মনির হোসেন টিটু, আবু সুফিয়ান, তৌহিদুল ইসলাম বাবু, আব্দুল মোতালেব রুবেল, সাইফুল বিশ্বাসসহ শাহাবাগ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের আহ্বায়ক আব্দুস সালাম বলেছেন, শেখ হাসিনার সোনার ছেলেরা আজ প্রতিটি শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছে। তাদের অত্যাচারে সাধারণ ছাত্রছাত্রীরা আজ অতিষ্ঠ। যে ছাত্ররা মুক্তিযুদ্ধে নিজের জীবন বাজি রেখে যুদ্ধে অংশ নিয়েছে, সেই ছাত্ররাই আজ ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধের দাবি করছেন। সরকার সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে ছাত্র রাজনীতিকে বিষিয়ে তুলেছে।
শনিবার( ৩০ মার্চ) বিকেলে নয়াপল্টন ভাসানী মিলনায়তনে গুম হওয়া "চৌধুরী আলম সন্ধান ও মুক্তি পরিষদ"
আয়োজিত এক ইফতার ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
সালাম বলেন, নিজেদের স্বাধীনতার শক্তি দাবিদার আওয়ামী লীগ এই স্বাধীনতার মাসেও নিরস্ত্র জনগণের ওপর অত্যাচার অব্যাহত রেখেছে। বিনা কারণে বিরোধি মতধারীদের কারাগারে নিক্ষেপ করা হচ্ছে। আসলে এরা স্বাধীনতার পক্ষের শক্তি নয়, এরা এদেশে কোনো রাষ্ট্রের এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে।
তিনি বলেন, যারা ভিনদেশী শক্তিতে বলিয়ান তারা কখনও জনগণের বন্ধু হতে পারে না। তাই জনগণের প্রতি তাদের কোনো মায়া দয়া নেই। সেজন্য আজ কেড়ে নেওয়া হয়েছে জনগণের সকল মৌলিক অধিকার। আর এ অধিকার ফিরিয়ে আনতে হলে প্রয়োজন ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন। আসুন এই অবৈধ সরকারের পতন ঘটাতে ঐক্যবদ্ধ হই।
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি আবু সাদাত চৌধুরী শাওনের সভাপতিত্বে সদস্য সচিব সারোয়ার হোসেন মিয়ার সঞ্চলনায় এতে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির সদস্য সচিব রফিকুল আলম মজনু, বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য ইন্জিনিয়ার ইশরাক হোসন, ঢাকা মহানগর দক্ষিণের যুগ্ম আহবায়ক ইউনুস মৃধা, সাইদুর রহমান মিন্টু (দপ্তরের দায়িত্বে), সদস্য এম. এ হান্নান, সাইফুল্লাহ খালেদ রাজন, শাহাবাগ থানা বিএনপি নেতা রফিকুল ইসলাম স্বপন, জাকির হোসেন মিন্টু, জাহিদ হোসেন নোয়াব, মনির হোসেন টিটু, আবু সুফিয়ান, তৌহিদুল ইসলাম বাবু, আব্দুল মোতালেব রুবেল, সাইফুল বিশ্বাসসহ শাহাবাগ থানা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে