
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে আদালতের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণার পর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান এসব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ইশরাক নিজেই।
তিনি জানিয়েছে,আদালতের এ ঘোষণার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তবে মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন কিনা, তা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, একটি মহল আমার আদালতের মেয়র ঘোষণার রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি করছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্যই আদালতে গিয়েছিলাম, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার পেয়েছি। এ রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসনের দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রিকশা–ভ্যান ও অটোচালকদের মধ্যে ঈদ উপহার দিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটি।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পরই আইন মেনে তিনি মামলা করেছিলাম। দীর্ঘ পাঁচ বছর আইনি লড়াইয়ের এখন ন্যায়বিচার পেয়েছি।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইশরাক নির্বাচন নিয়ে মামলা করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি দাবির বিষয়ে ইশরাক বলেন, অনেকেই হয়তো মনে করছেন যে, ৫ আগস্টের পর এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বা আমরা হয়তো এরপর এসে (২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর) এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ করতে হয়। সে ৩০ দিনের মধ্যেই মামলাটি করা হয়েছিল।
মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির এ সদস্য বলেন, এখন আমি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়টি পেয়েছি। রায় পাওয়ার পর গতকালও বলেছি এটা দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সে অনুযায়ী আমি আমার পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনকে আদালতের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ঘোষণার পর আলোচনা-সমালোচনা চলছে। রাজনৈতিক অঙ্গনে ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে চলমান এসব সমালোচনার জবাব দিয়েছেন ইশরাক নিজেই।
তিনি জানিয়েছে,আদালতের এ ঘোষণার মাধ্যমে ন্যায়বিচার পেয়েছেন। তবে মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন কিনা, তা দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী হবে।
ইশরাক হোসেন বলেন, একটি মহল আমার আদালতের মেয়র ঘোষণার রায় নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্ক তৈরি করছে। ন্যায়বিচার পাওয়ার জন্যই আদালতে গিয়েছিলাম, আইনি প্রক্রিয়া শেষে ন্যায়বিচার পেয়েছি। এ রায়ের মাধ্যমে আইনের শাসনের দৃষ্টান্ত তৈরি হয়েছে।
শুক্রবার (২৮ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি। এদিন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষ থেকে রিকশা–ভ্যান ও অটোচালকদের মধ্যে ঈদ উপহার দিতে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে দলটি।
ইশরাক হোসেন বলেন, আমাকে হারিয়ে দেওয়া হয়েছিল। যে কারণে ২০২০ সালে অনুষ্ঠিত নির্বাচনের পরই আইন মেনে তিনি মামলা করেছিলাম। দীর্ঘ পাঁচ বছর আইনি লড়াইয়ের এখন ন্যায়বিচার পেয়েছি।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ইশরাক নির্বাচন নিয়ে মামলা করেছেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এমনি দাবির বিষয়ে ইশরাক বলেন, অনেকেই হয়তো মনে করছেন যে, ৫ আগস্টের পর এ মামলা দায়ের করা হয়েছে বা আমরা হয়তো এরপর এসে (২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর) এ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছি। তাদের উদ্দেশে বলতে চাই যে, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আইন অনুযায়ী নির্বাচন হওয়ার পরবর্তী ৩০ দিনের মধ্যে অভিযোগ করতে হয়। সে ৩০ দিনের মধ্যেই মামলাটি করা হয়েছিল।
মেয়র হিসেবে শপথ নেবেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে বিএনপির আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির এ সদস্য বলেন, এখন আমি আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে রায়টি পেয়েছি। রায় পাওয়ার পর গতকালও বলেছি এটা দলের সর্বোচ্চ ফোরাম সিদ্ধান্ত নেবে। সব দিক বিবেচনা করেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। সে অনুযায়ী আমি আমার পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।

ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৪ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৪ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৫ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৫ দিন আগে