
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এক ভয়াবহ দৈত্য দেশের সব কিছু তছনছ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আজকে গোটা জাতি শুধু রাজনৈতিক দল নয় বা ব্যক্তি নয়, শুধু পেশাজীবীরা নয় সমস্ত জাতি একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আমার মনে পড়ছে যে, সাবেক একজন প্রধান বিচারপতি তার বইতে লেখেছিলেন তার একটি রায়ের মধ্যে বলেছেন যে, একজন মনোস্টার সব কিছু দখল করে নিচ্ছে… সব কিছু তচনচ করে দিচ্ছে।
‘‘ আসলে আজকে ব্যাপারটা সেটাই হয়েছে। একজন ভয়াবহ দৈত্য সমস্ত আক্রোস নিয়ে পুরো বাংলাদেশটাকে তচনচ করে ফেলছে। আমরা এই ১৫ বছরের মধ্যে যখন গণতন্ত্রকে হারিয়েছি সেই সময় থেকে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধবংস করে ফেলা হয়েছে।”
দেশের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে বিরোধি দলের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন যাওয়ার কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যুগপৎ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একদফায় আমরা বিরোধি রাজনৈতিক দল ও বাম রাজনৈতিক দল সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে আমরা সংগ্রাম শুরু করেছি। ২৮ অক্টোবরে আমাদের যে সমাবেশে সেখানে পুলিশ নির্লজ্জভাবে ঢুকে পন্ড করে দিয়েছে- অনেকে ভাবতে পারে বিএনপির আন্দোলনে নস্যাত হয়ে গেছে, বিরোধী দলের আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কখনো মানুষের গণতান্ত্রিক আন্দোলন হয় না। বরং প্রতিটি আন্দোলনের পরে আরও শক্তিশালী হয়েছে এই শক্তিগুলো। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ইটের ওপর ইট বিছিয়ে যেমন একটি স্তম্ভ গড়ে উঠে। আমাদের অবশ্যই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে সক্ষম হবো। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা সংগ্রাম আরও বেগবান করব। আমরা বিশ্বাস করি যে, আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলনের মাধ্যমেই্ এই ফ্যাসিবাদী সরকারের পরাজয় নিয়ে আসব।”
এজন্য বিরোধি রাজনৈতিক দলসহ দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করা’র আহ্বানও জানান তিনি।
প্যালেষ্টাইনের গাজায় ইজরাইলী বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি দূঃখ ভরাক্রান্ত হৃদয়ে স্মরণ করছি, আমাদের প্যালেষ্টাইনী ভাই-বোনদের কথা যারা এই রমজান মাসে ইজরাইলের নারকীয় হত্যা, গণহত্যার শিকার হয়েছে এবং এই রমজান মাসে তারা খোলা আকাশে ইফতার করছে, কাঁদছে, খাদ্য পাচ্ছে না সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।
‘‘ কত নৃশংস হতে পারে একটা জনপদকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার পর তারা যাতে বাঁচতে থাকতে না পারে সেজন্য সেখানে খাদ্য সরবারহ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা মনে হয়, বিশ্বজনমত যেভাবে গড়ে উঠা উচিত ছিলো সেভাবে হয়নি। আরও দূঃখের কথা মুসলিম বিশ্ব তারা সেভাবে প্রতিবাদ করেনি। আজকে মানবতার দাবি যে, প্যালেষ্টাইনের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সংগ্রামের পাশে দাঁড়ানো।”
বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থা এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-চিকিৎসক-প্রকৌশলী-আইনজীবীসহ পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ এই ইফতারে অংশ নেন।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের সঞ্চালনায় ইফতারপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জামায়াতের ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোওয়ার, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
ইফতারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, জহির উদ্দিন স্বপন, রফিকুল আলম মজনু, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান, আবদুল হালিম, মতিউর রহমান আখন্দ, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদেরসহ পেশাজীবী নেতাদের নিয়ে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ইফতার করেন বিএনপি মহাসচিব।

এক ভয়াবহ দৈত্য দেশের সব কিছু তছনছ করে দিচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার (৫ এপ্রিল) জাতীয় প্রেসক্লাব মিলনায়তনে ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের যৌথ উদ্যোগে ইফতার মাহফিলের পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে বিএনপি মহাসচিব এই মন্তব্য করেন।
তিনি বলেন, আজকে গোটা জাতি শুধু রাজনৈতিক দল নয় বা ব্যক্তি নয়, শুধু পেশাজীবীরা নয় সমস্ত জাতি একটা ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এই প্রসঙ্গে আমার মনে পড়ছে যে, সাবেক একজন প্রধান বিচারপতি তার বইতে লেখেছিলেন তার একটি রায়ের মধ্যে বলেছেন যে, একজন মনোস্টার সব কিছু দখল করে নিচ্ছে… সব কিছু তচনচ করে দিচ্ছে।
‘‘ আসলে আজকে ব্যাপারটা সেটাই হয়েছে। একজন ভয়াবহ দৈত্য সমস্ত আক্রোস নিয়ে পুরো বাংলাদেশটাকে তচনচ করে ফেলছে। আমরা এই ১৫ বছরের মধ্যে যখন গণতন্ত্রকে হারিয়েছি সেই সময় থেকে রাষ্ট্রের সব প্রতিষ্ঠান ধবংস করে ফেলা হয়েছে।”
দেশের বর্তমান অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে বিরোধি দলের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন যাওয়ার কথা তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমরা যুগপৎ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে একদফায় আমরা বিরোধি রাজনৈতিক দল ও বাম রাজনৈতিক দল সকলকে ঐক্যবদ্ধ করে আমরা সংগ্রাম শুরু করেছি। ২৮ অক্টোবরে আমাদের যে সমাবেশে সেখানে পুলিশ নির্লজ্জভাবে ঢুকে পন্ড করে দিয়েছে- অনেকে ভাবতে পারে বিএনপির আন্দোলনে নস্যাত হয়ে গেছে, বিরোধী দলের আন্দোলন শেষ হয়ে গেছে। কিন্তু কখনো মানুষের গণতান্ত্রিক আন্দোলন হয় না। বরং প্রতিটি আন্দোলনের পরে আরও শক্তিশালী হয়েছে এই শক্তিগুলো। এটা আমাদের সবচেয়ে বড় অর্জন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, আমাদের মনে রাখতে হবে প্রতিটি ইটের ওপর ইট বিছিয়ে যেমন একটি স্তম্ভ গড়ে উঠে। আমাদের অবশ্যই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে এই ফ্যাসিবাদকে পরাজিত করতে সক্ষম হবো। আমরা স্পষ্টভাবে বলতে চাই, আমরা সংগ্রাম আরও বেগবান করব। আমরা বিশ্বাস করি যে, আন্দোলন, আন্দোলন, আন্দোলনের মাধ্যমেই্ এই ফ্যাসিবাদী সরকারের পরাজয় নিয়ে আসব।”
এজন্য বিরোধি রাজনৈতিক দলসহ দলমত নির্বিশেষে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ‘জাতীয় ঐক্যকে আরও সুদৃঢ় করা’র আহ্বানও জানান তিনি।
প্যালেষ্টাইনের গাজায় ইজরাইলী বাহিনীর নির্মম হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমি দূঃখ ভরাক্রান্ত হৃদয়ে স্মরণ করছি, আমাদের প্যালেষ্টাইনী ভাই-বোনদের কথা যারা এই রমজান মাসে ইজরাইলের নারকীয় হত্যা, গণহত্যার শিকার হয়েছে এবং এই রমজান মাসে তারা খোলা আকাশে ইফতার করছে, কাঁদছে, খাদ্য পাচ্ছে না সেখানে দুর্ভিক্ষ দেখা দিয়েছে।
‘‘ কত নৃশংস হতে পারে একটা জনপদকে সম্পূর্ণ নিশ্চিহ্ন করে দেয়ার পর তারা যাতে বাঁচতে থাকতে না পারে সেজন্য সেখানে খাদ্য সরবারহ বন্ধ করে দিয়েছে। আমরা মনে হয়, বিশ্বজনমত যেভাবে গড়ে উঠা উচিত ছিলো সেভাবে হয়নি। আরও দূঃখের কথা মুসলিম বিশ্ব তারা সেভাবে প্রতিবাদ করেনি। আজকে মানবতার দাবি যে, প্যালেষ্টাইনের পাশে দাঁড়ানো, তাদের সংগ্রামের পাশে দাঁড়ানো।”
বিভিন্ন জাতীয় দৈনিক, সংবাদ সংস্থা এবং ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকগণ, রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষক-চিকিৎসক-প্রকৌশলী-আইনজীবীসহ পেশাজীবী নেতৃবৃন্দ এই ইফতারে অংশ নেন।
ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি রুহুল আমিন গাজীর সভাপতিত্বে ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলমের সঞ্চালনায় ইফতারপূর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনায় জামায়াতের ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরোওয়ার, বিএফইউজের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি শহিদুল ইসলাম বক্তব্য দেন।
ইফতারে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, অ্যাডভোকেট শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, জহির উদ্দিন স্বপন, রফিকুল আলম মজনু, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জামায়াতের রফিকুল ইসলাম খান, আবদুল হালিম, মতিউর রহমান আখন্দ, খেলাফত মজলিসের আহমেদ আবদুল কাদেরসহ পেশাজীবী নেতাদের নিয়ে নেতৃবৃন্দকে নিয়ে ইফতার করেন বিএনপি মহাসচিব।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে