
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিক্ষক ও বিএনপিপন্থি চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ এবং দলটির ২০ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় এই আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য এই আবেদন করেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ডা. সায়ন্থ ছাড়া এ মামলায় কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, দারুস-সালাম থানার ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস-সালাম থানায় ১২নং ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারি শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন।
গতকাল ১৭ জুলাই বুধবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চার-পাঁচ শ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, জানাজা শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করেন। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে পল্টন মোড়ে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদের অনুরোধ করেন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সেই সঙ্গে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান ও রাস্তায় থাকা যানবাহন ভাঙচুর করেন।
এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আলাউল হক বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে চার থেকে পাঁচ শ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিক্ষক ও বিএনপিপন্থি চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত সাখাওয়াত হোসেন সায়ন্থ এবং দলটির ২০ নেতা-কর্মীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। গায়েবানা জানাজা শেষে অরাজকতা সৃষ্টির অভিযোগে রাজধানীর পল্টন থানায় করা মামলায় এই আদেশ দিয়েছেন আদালত।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।
আসামি পক্ষের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ এই তথ্য নিশ্চিত করেন।
তিনি জানান, পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এই আদেশ দেন আদালত। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পল্টন মডেল থানার উপ-পরিদর্শক মোহাম্মদ ইব্রাহিম খলিল উল্লাহ আসামিদের আদালতে হাজির করে তাদের কারাগারে আটক রাখার জন্য এই আবেদন করেন। আদালতে আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাদের জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত।
ডা. সায়ন্থ ছাড়া এ মামলায় কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, দারুস-সালাম থানার ১০নং ওয়ার্ড বিএনপির সহসভাপতি আব্দুল কাইয়ুম খান জুয়েল, তুরাগ থানার বিএনপির আহ্বায়ক মো. আমান উল্লাহ ভূঁইয়া, দিল মোহাম্মদ, মো. নওয়াব আলী, দারুস-সালাম থানায় ১২নং ওয়ার্ড যুবদল সেক্রেটারি শেখ মর্তুজা আলী, রূপনগর থানার শ্রমিক দলের সেক্রেটারি মো. শামছুল আলম মিন্টু, বিএনপি নেতা এস এম মশিউর রহমান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সুমন আহম্মেদ, মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, ফজলুর রহমান, ইকতারুল ইসলাম মিতু, মো. মাছুম, আমির হোসেন, মনির হোসেন, পটুয়াখালী জেলা যুবদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সুজন, মো. কামরুল হাসান, মো. হামিদুর রহমান হাম্মাদ, রফিকুল ইসলাম, মো. ফয়েজ আহমেদ, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন।
গতকাল ১৭ জুলাই বুধবার বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে আন্দোলনে নিহতদের স্মরণে বিএনপি আয়োজিত গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের চার-পাঁচ শ নেতা-কর্মী উপস্থিত ছিলেন।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, জানাজা শেষে তারা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের উত্তর গেট দিয়ে বের হয়ে মিছিলসহ অরাজকতা সৃষ্টি করেন। বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী বিভিন্ন ধরনের রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী স্লোগান দিয়ে পল্টন মোড়ে এলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার জন্য তাদের অনুরোধ করেন কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যরা। কিন্তু তারা অনুরোধ অমান্য করে পুলিশের ওপর মারমুখী হয়ে ওঠেন এবং ইটপাটকেল নিক্ষেপ করেন। সেই সঙ্গে কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটান ও রাস্তায় থাকা যানবাহন ভাঙচুর করেন।
এ ঘটনায় পুলিশের উপপরিদর্শক মো. আলাউল হক বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা করেন। এতে বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব হাবিব-উন-নবী খান সোহেলসহ ৩৫ জনের নাম উল্লেখ করে চার থেকে পাঁচ শ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
৩ দিন আগে