
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ এবং ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হুমা খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই, বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের বাইরে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
কবে নাগাদ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কিছুই বলেননি খসরু।
বাংলাদেশের বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে, দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পেয়েছেন দাবি করে খসরু বলেন, আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের জনসমর্থন যেভাবে ছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভালো সমর্থন ছিল। বিশেষ করে জাতিসংঘের। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে এটা নিয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। আজকের সকলের সেই শঙ্কা কেটে গেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে কারও মনে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশেও নেই বাইরেও নেই, এটা তো হবেই। এ জন্যই বাংলাদেশ আন্দোলন হয়েছে, রক্ত দিয়েছে।
এদিকে, গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ। কী করে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে তা নিয়ে সব দল ও সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা হচ্ছে। সহিংসতা বন্ধ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ঢাকায় নিযুক্ত জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়কারী গোয়েন লুইসের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। শুক্রবার (৯ আগস্ট) বেলা ১১টায় গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় বিএনপির স্থায়ী কমিটি ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, বিএনপি সাংগঠনিক সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক কমিটির সদস্য শামা ওবায়েদ এবং ঢাকায় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ হুমা খান উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠক শেষে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, নিরপেক্ষ নির্বাচন হবেই, বাংলাদেশে এবং বাংলাদেশের বাইরে এ নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই।
কবে নাগাদ নিরপেক্ষ নির্বাচন হবে জানতে চাইলে সাংবাদিকদের কিছুই বলেননি খসরু।
বাংলাদেশের বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে, দ্বিতীয়বার স্বাধীনতা পেয়েছেন দাবি করে খসরু বলেন, আন্দোলনের সঙ্গে বাংলাদেশের মানুষের জনসমর্থন যেভাবে ছিল আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ভালো সমর্থন ছিল। বিশেষ করে জাতিসংঘের। বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ কী হবে এটা নিয়ে উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছিল। আজকের সকলের সেই শঙ্কা কেটে গেছে। নিরপেক্ষ নির্বাচন নিয়ে কারও মনে কোনো সন্দেহ নেই। বাংলাদেশেও নেই বাইরেও নেই, এটা তো হবেই। এ জন্যই বাংলাদেশ আন্দোলন হয়েছে, রক্ত দিয়েছে।
এদিকে, গোয়েন লুইস বলেন, বাংলাদেশের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে অন্তর্বর্তী সরকারকে সহযোগিতা করবে জাতিসংঘ। কী করে জাতিসংঘ বাংলাদেশকে সহযোগিতা করতে পারে তা নিয়ে সব দল ও সুশীল সমাজের সঙ্গে কথা হচ্ছে। সহিংসতা বন্ধ করে অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য আলোচনা অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে