
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় রাজনীতির বিকাশকে ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পর্যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৮তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
এ সময় রিজভী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পর্যায় হলো উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র ধর্মীয় রাজনীতির বিকাশ, যা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর হতে পারে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশের মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, আবার টেলিভিশনে নাটক দেখে, গান শোনে। মানুষের জীবনযাপন বহুমাত্রিক। অথচ একপাক্ষিক আধিপত্য চাপিয়ে দিলে তা নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদের জন্ম দেবে। ’
জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘ইসলাম অনেক আগেই বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই মওদুদী মতবাদ প্রচারের চেষ্টা করলে জনগণেরও বক্তব্য জানানোর অধিকার রয়েছে। ’
যারা অভ্যুত্থানে ছিলেন, তাদের অনেকে এখন সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি বরাবরই দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশ্রিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক চর্চার ধারক। ’
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্মূলের নীল নকশা সাজানো হচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নও তোলেন বিএনপির এই নেতা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, উপাচার্য ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ জারি করে সাবেকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, যা একচেটিয়া নির্বাচনের ইঙ্গিত বহন করছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাকসু) নির্বাচন নিয়েও তিনি সমালোচনা করে জানান, ব্যালট পেপার সরকারি প্রেসে ছাপানোর সুযোগ থাকলেও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছাপানো হয়েছে, যার মালিক একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ। এতে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আঁতাতের অভিযোগ তোলেন তিনি।
রিজভী জানান, জাবির শিক্ষকরা এসব অনিয়ম দেখে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ অশনি সংকেত।

উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় রাজনীতির বিকাশকে ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পর্যায় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
আজ দুপুরে রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ডিইএবি) মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি এই মন্তব্য করেন।
বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অসুস্থতা এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ১৮তম কারামুক্তি দিবস উপলক্ষে এ আয়োজন করা হয়।
এ সময় রিজভী বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পর্যায় হলো উগ্র সাম্প্রদায়িকতা ও উগ্র ধর্মীয় রাজনীতির বিকাশ, যা গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ ক্ষতিকর হতে পারে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘এ দেশের মানুষ পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে, আবার টেলিভিশনে নাটক দেখে, গান শোনে। মানুষের জীবনযাপন বহুমাত্রিক। অথচ একপাক্ষিক আধিপত্য চাপিয়ে দিলে তা নতুন ধরনের ফ্যাসিবাদের জন্ম দেবে। ’
জামায়াতে ইসলামীর কর্মকাণ্ডের প্রসঙ্গে রিজভী বলেন, ‘ইসলাম অনেক আগেই বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তাই মওদুদী মতবাদ প্রচারের চেষ্টা করলে জনগণেরও বক্তব্য জানানোর অধিকার রয়েছে। ’
যারা অভ্যুত্থানে ছিলেন, তাদের অনেকে এখন সাংস্কৃতিক আধিপত্য প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছেন অভিযোগ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপি বরাবরই দেশের মাটি ও মানুষের সঙ্গে মিশ্রিত রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক চর্চার ধারক। ’
দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সাম্প্রতিক নির্বাচনের মাধ্যমে জাতীয়তাবাদী শক্তিকে নির্মূলের নীল নকশা সাজানো হচ্ছে কিনা- এমন প্রশ্নও তোলেন বিএনপির এই নেতা।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আসন্ন ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি অভিযোগ করেন, উপাচার্য ‘কোড অব কন্ডাক্ট’ জারি করে সাবেকদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন, যা একচেটিয়া নির্বাচনের ইঙ্গিত বহন করছে।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাকসু) নির্বাচন নিয়েও তিনি সমালোচনা করে জানান, ব্যালট পেপার সরকারি প্রেসে ছাপানোর সুযোগ থাকলেও একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে ছাপানো হয়েছে, যার মালিক একটি বিশেষ রাজনৈতিক দলের ঘনিষ্ঠ। এতে রাষ্ট্র ও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের আঁতাতের অভিযোগ তোলেন তিনি।
রিজভী জানান, জাবির শিক্ষকরা এসব অনিয়ম দেখে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন, যা দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থার জন্য ভয়াবহ অশনি সংকেত।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে