
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাজপথের পর্ব শেষ হয়েছে, এখন দেশের মানুষের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার সময় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে এক আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিটি দলের বিভিন্ন চিন্তা থাকবে, নিজস্ব দর্শন থাকবে, ভাবনা থাকবে, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা থাকবে। এটার একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচনে যাওয়া।
জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে পরিবর্তন করা যেতে পারে। এর বাইরে কিছু করতে গেলে সেটা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করবে।’ তিনি জানান, জনসমর্থন ছাড়া কিছু করতে গেলে গণতন্ত্র ব্যাহত হবে। নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলে সংবিধানকে অসম্মান করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে দলগুলোকে জনসমর্থন নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা বোধ হয় রাজপথের পর্ব শেষ করেছি, এখন জনগণের কাছে মালিকানা ফেরানোর সময়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই জনগণের কাছে নিজ দলের ম্যান্ডেট নিতে হবে।’
আমীর খসরু জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করবে বিএনপি।
এ জন্য আর্থিক, নৈতিক ও মানবিক বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যার যেখানে বিনিয়োগ প্রয়োজন, সরকারকে তা করতে হবে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিপ্লবের পরে যেসব দেশ যত তাড়াতাড়ি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে পেরেছে, সেই দেশগুলো ভালো করছে। আর যারা বিভক্তির মাধ্যমে বিলম্বিত করেছে সেই দেশগুলোতে সিভিল ওয়ার চলছে এবং অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছে। আমরা বাংলাদেশকে সেদিকে নিয়ে যেতে চাই না।’

রাজপথের পর্ব শেষ হয়েছে, এখন দেশের মানুষের হাতে মালিকানা ফিরিয়ে দেওয়ার সময় বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে রাজধানীর উত্তরার দক্ষিণখানে এক আলোচনাসভায় তিনি এ মন্তব্য করেন।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘প্রতিটি দলের বিভিন্ন চিন্তা থাকবে, নিজস্ব দর্শন থাকবে, ভাবনা থাকবে, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা থাকবে। এটার একমাত্র পথ হচ্ছে নির্বাচনে যাওয়া।
জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে পরিবর্তন করা যেতে পারে। এর বাইরে কিছু করতে গেলে সেটা গণতন্ত্রকে বাধাগ্রস্ত করবে।’ তিনি জানান, জনসমর্থন ছাড়া কিছু করতে গেলে গণতন্ত্র ব্যাহত হবে। নাগরিকদের মধ্যে বিভেদ তৈরি হলে সংবিধানকে অসম্মান করা হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
গণতন্ত্র টিকিয়ে রাখতে দলগুলোকে জনসমর্থন নিয়েই কার্যক্রম চালাতে হবে বলে জানান বিএনপির এই নেতা। তিনি বলেন, ‘আমরা বোধ হয় রাজপথের পর্ব শেষ করেছি, এখন জনগণের কাছে মালিকানা ফেরানোর সময়। প্রতিটি রাজনৈতিক দলকেই জনগণের কাছে নিজ দলের ম্যান্ডেট নিতে হবে।’
আমীর খসরু জানান, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও ক্ষমতায়নের জন্য কাজ করবে বিএনপি।
এ জন্য আর্থিক, নৈতিক ও মানবিক বিনিয়োগ প্রয়োজন উল্লেখ করে তিনি বলেন, যার যেখানে বিনিয়োগ প্রয়োজন, সরকারকে তা করতে হবে।
সাবেক এই মন্ত্রী বলেন, ‘বিপ্লবের পরে যেসব দেশ যত তাড়াতাড়ি নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরে যেতে পেরেছে, সেই দেশগুলো ভালো করছে। আর যারা বিভক্তির মাধ্যমে বিলম্বিত করেছে সেই দেশগুলোতে সিভিল ওয়ার চলছে এবং অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু হয়ে গেছে। আমরা বাংলাদেশকে সেদিকে নিয়ে যেতে চাই না।’

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে