
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

এবার আর দিনের ভোট রাতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশনই হবে জনগণের পক্ষে জয়ী। জনগণের খেলার মধ্যদিয়েই নির্বাচন হবে এবং সেটিই হবে সঠিক গণতন্ত্রের প্রতিফলন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত ‘আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ’ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার পদদলিত হয়েছে।
তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন, এটি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি বড় পদক্ষেপ।
সমাবেশে গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদ দূর করেছি। এখন চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
গণতন্ত্র ফোরামের সম্পাদক ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু অভিযোগ করে বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে একটি গুপ্ত সংগঠন ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমানে সেই শক্তি আবারও নির্বাচনের রোডম্যাপ বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। ওবায়দুর রহমান আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ভোট দিতে পারিনি। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।
সভায় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক (পিআর) নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন করার নামে নির্বাচন বানচালের নানা রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে, কিন্তু এটি হতে দেওয়া যাবে না।
আয়োজিত এ সমাবেশে বিএনপি ও গণতন্ত্র ফোরামের অঙ্গসংগঠনের নেতারা বলেন, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই সময় বক্তারা গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এটি হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই সংবিধান অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হতে হবে। ‘রাতের ভোট’ আর হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনির, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল সিরাজী এবং মাগুরা-২ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

এবার আর দিনের ভোট রাতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ জয়নুল আবদিন ফারুক। তিনি বলেন, এবার নির্বাচন কমিশনই হবে জনগণের পক্ষে জয়ী। জনগণের খেলার মধ্যদিয়েই নির্বাচন হবে এবং সেটিই হবে সঠিক গণতন্ত্রের প্রতিফলন।
বৃহস্পতিবার (৪ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে গণতন্ত্র ফোরাম আয়োজিত ‘আগামী ফেব্রুয়ারির জাতীয় সংসদ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্রের প্রতিবাদ’ সমাবেশে তিনি এ কথা বলেন।
জয়নুল আবদিন ফারুক বলেন, পতিত সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার শাসনামলে গণতন্ত্র, সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানুষের অধিকার পদদলিত হয়েছে।
তিনি বলেন, সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান সব মিথ্যা মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন, এটি গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার একটি বড় পদক্ষেপ।
সমাবেশে গণতন্ত্র ফোরামের সভাপতি ভিপি ইব্রাহিম বলেন, আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে ফ্যাসিবাদ দূর করেছি। এখন চাই একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন।
গণতন্ত্র ফোরামের সম্পাদক ব্যারিস্টার ওবায়দুর রহমান টিপু অভিযোগ করে বলেন, ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে একটি গুপ্ত সংগঠন ভূমিকা রেখেছিল। বর্তমানে সেই শক্তি আবারও নির্বাচনের রোডম্যাপ বানচাল করার ষড়যন্ত্র করছে। ওবায়দুর রহমান আরও বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর ভোট দিতে পারিনি। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার জন্য নির্বাচনের বিকল্প নেই।
সভায় আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বমূলক (পিআর) নির্বাচন নিয়ে বিএনপি যুগ্ম মহাসচিব আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, প্রতিনিধিত্বমূলক নির্বাচন করার নামে নির্বাচন বানচালের নানা রকম ষড়যন্ত্র হচ্ছে, কিন্তু এটি হতে দেওয়া যাবে না।
আয়োজিত এ সমাবেশে বিএনপি ও গণতন্ত্র ফোরামের অঙ্গসংগঠনের নেতারা বলেন, দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার একমাত্র উপায় একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। এই সময় বক্তারা গণ অধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নূরের ওপর হামলার নিন্দা জানিয়ে তিনি বলেন, এটি হত্যার উদ্দেশ্যে হামলা।
সমাবেশে বক্তারা আরও বলেন, নির্বাচন অবশ্যই সংবিধান অনুযায়ী অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনে হতে হবে। ‘রাতের ভোট’ আর হবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন তারা।
প্রতিবাদ সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন তাঁতি দলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাজী মনির, মৎস্যজীবী দলের সদস্য ইসমাইল সিরাজী এবং মাগুরা-২ আসনের বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ।

রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৩ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৩ দিন আগে
ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
৩ দিন আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
৩ দিন আগে