
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সরকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছে ও স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সেগুনবগিচায় শিশু কল্যাণ পরিষদে মিলনায়তনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে রমজানের শিক্ষায় দেশ রক্ষায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, আমার ধারণা সরকার নিজেও বিশ্বাস করে যে তারা আর বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। তাদের কথাবার্তা চালচলন আচার-আচরণে বোঝা যায়। কিছুদিন আগে সরকার প্রধান বলে বসলেন বিএনপি নেতাকর্মীদের স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি আগে পোড়াতে হবে। তিনি পক্ষান্তরে ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর আহ্বান জানিয়েন। তাহলে তিনি কি ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন?
তিনি বলেন, বিএনপি কিন্তু ভারতের পণ্য বর্জনের কথা বলেনি। ভারতের আনন্দবাজার বলেছে এটা বিএনপি বলেছে। ভারতের বিভিন্ন মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া বিএনপিকে জড়িয়েছে। ভারতীয় জনগনের প্রতি আমাদের কোন বিদ্বেষ নাই। ভারতীয় সরকারের একচোখা নীতিকে আমরা বিরোধিতা করি। ১৯৭১ সালে ভারত গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাধীনতার পক্ষে ছিল কিন্তু ৫২ বছর পরে এসে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশের তথাকথিত নির্বাচন যে নির্বাচনে গণতান্ত্রিক বিশ্ব সমর্থন করে নাই কিন্তু ভারত সমর্থন করেছে।
দুদু বলেন, এ সরকারের বিরুদ্ধে যে কথা বলবে সে স্বাধীনতার বিপক্ষের লোক। কারণ এ সরকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছে। স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, প্রতিদিনই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েই চলেছে। সরকারের এদিকে কোনো হস্তক্ষেপ নাই। সরকার ক্ষমতাশালী নাকি সিন্ডিকেট ক্ষমতাশালী এই প্রশ্নের সাবেক একজন বাণিজ্যমন্ত্রী তার চাকরি হারিয়েছ।
তিনি বলেন, ঈদের পরে আন্দোলন করবো এটা না। ঈদের আগেও এ সরকারের পতন হতে পারে। প্রতিনিয়ত এ সরকার একটি বিপদজনক অবস্থায় আছে আমার কাছে মনে হয়েছে। কারণ তারা নির্বাচিত নয়। যারা নির্বাচিত নয় তারা যে কোন মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। তবে এ সরকার বিদায় নেওয়ার আগে একটি ভালো কাজ করে যেতে পারে। তা হল তত্ত্বাবধায় সরকার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা। যে তত্ত্বাবধায় সরকারের জন্য তারা আন্দোলন করেছে সেই তত্ত্ববোধক সরকার আবার ফিরিয়ে আনা।
কৃষকদলের সাবেক এ আহ্বায়ক বলেন,সরকার সমর্থিত একটি পত্রিকা সাবেক আইজির বিরুদ্ধে যে তথ্যগুলো প্রকাশ করেছে তাতে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এটা কি সরকার প্রকাশ করল নাকি অন্য কেউ? সাবেক আইজিপি তার যে পোশাক আশাক। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এই দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা নিহত গুম হয়েছে তাদের সংখ্যা অনেক বড়। যে সরকার ক্ষমতায় বসে আছে, যদিও আমরা তাকে মানি না তবুও অনতিবিলম্বে তাকে সাবেক আইজিকে আইনের আওতায় আনা উচিত।
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনে সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু, মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের,এবি পার্টির যুগ্ন মহাসচিব ব্যারিস্টার ফুয়াদ, জাপার সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

সরকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছে ও স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু।
আজ মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) সেগুনবগিচায় শিশু কল্যাণ পরিষদে মিলনায়তনে দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের উদ্যোগে রমজানের শিক্ষায় দেশ রক্ষায় গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার শীর্ষক আলোচনা সভা ও ইফতার মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।
দুদু বলেন, আমার ধারণা সরকার নিজেও বিশ্বাস করে যে তারা আর বেশিদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। তাদের কথাবার্তা চালচলন আচার-আচরণে বোঝা যায়। কিছুদিন আগে সরকার প্রধান বলে বসলেন বিএনপি নেতাকর্মীদের স্ত্রীর ভারতীয় শাড়ি আগে পোড়াতে হবে। তিনি পক্ষান্তরে ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর আহ্বান জানিয়েন। তাহলে তিনি কি ভারতীয় শাড়ি পোড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন?
তিনি বলেন, বিএনপি কিন্তু ভারতের পণ্য বর্জনের কথা বলেনি। ভারতের আনন্দবাজার বলেছে এটা বিএনপি বলেছে। ভারতের বিভিন্ন মাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া বিএনপিকে জড়িয়েছে। ভারতীয় জনগনের প্রতি আমাদের কোন বিদ্বেষ নাই। ভারতীয় সরকারের একচোখা নীতিকে আমরা বিরোধিতা করি। ১৯৭১ সালে ভারত গণতন্ত্রের পক্ষে স্বাধীনতার পক্ষে ছিল কিন্তু ৫২ বছর পরে এসে তারা গণতন্ত্রের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে। বাংলাদেশের তথাকথিত নির্বাচন যে নির্বাচনে গণতান্ত্রিক বিশ্ব সমর্থন করে নাই কিন্তু ভারত সমর্থন করেছে।
দুদু বলেন, এ সরকারের বিরুদ্ধে যে কথা বলবে সে স্বাধীনতার বিপক্ষের লোক। কারণ এ সরকার গণতন্ত্রকে হরণ করেছে। স্বাধীনতার বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে।
ছাত্রদলের সাবেক এই সভাপতি বলেন, প্রতিদিনই নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বেড়েই চলেছে। সরকারের এদিকে কোনো হস্তক্ষেপ নাই। সরকার ক্ষমতাশালী নাকি সিন্ডিকেট ক্ষমতাশালী এই প্রশ্নের সাবেক একজন বাণিজ্যমন্ত্রী তার চাকরি হারিয়েছ।
তিনি বলেন, ঈদের পরে আন্দোলন করবো এটা না। ঈদের আগেও এ সরকারের পতন হতে পারে। প্রতিনিয়ত এ সরকার একটি বিপদজনক অবস্থায় আছে আমার কাছে মনে হয়েছে। কারণ তারা নির্বাচিত নয়। যারা নির্বাচিত নয় তারা যে কোন মুহূর্তে পড়ে যেতে পারে। তবে এ সরকার বিদায় নেওয়ার আগে একটি ভালো কাজ করে যেতে পারে। তা হল তত্ত্বাবধায় সরকার পুনরায় প্রতিষ্ঠিত করা। যে তত্ত্বাবধায় সরকারের জন্য তারা আন্দোলন করেছে সেই তত্ত্ববোধক সরকার আবার ফিরিয়ে আনা।
কৃষকদলের সাবেক এ আহ্বায়ক বলেন,সরকার সমর্থিত একটি পত্রিকা সাবেক আইজির বিরুদ্ধে যে তথ্যগুলো প্রকাশ করেছে তাতে দেশে ভয়াবহ পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এটা কি সরকার প্রকাশ করল নাকি অন্য কেউ? সাবেক আইজিপি তার যে পোশাক আশাক। তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় এই দেশে গণতান্ত্রিক আন্দোলনে যারা নিহত গুম হয়েছে তাদের সংখ্যা অনেক বড়। যে সরকার ক্ষমতায় বসে আছে, যদিও আমরা তাকে মানি না তবুও অনতিবিলম্বে তাকে সাবেক আইজিকে আইনের আওতায় আনা উচিত।
দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনে সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ সঞ্চালনায় আরও উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপির আহ্বায়ক বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সালাম, সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরু, মুসলিম লীগের মহাসচিব কাজী আবুল খায়ের,এবি পার্টির যুগ্ন মহাসচিব ব্যারিস্টার ফুয়াদ, জাপার সহ সভাপতি রাশেদ প্রধান প্রমুখ।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
১ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
১ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে