
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আওয়ামী লীগ সরকার কোনোদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, তারা ভয় দেখিয়ে, প্রতারণা করে, ভুল বুঝিয়ে জোর করে ক্ষমতা দখল করে থাকতে চায়। এই রাষ্ট্রকে তারা সত্যিকার অর্থে গভীর পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে৷ দেশে এখন আওয়ামী লীগ নাই সব পুলিশ লীগ।
শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আকরাম হোসেনের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন৷
ফখরুল বলেন, শুধু আকরামের ঘটনা নতুন নয়। আমাদের আন্দোলন চলাকালে ৩০ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৬০ লাখ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ৭০০ থেকে ৮০০ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে৷ গত কয়েকদিনের মধ্যে তারা ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে৷ তারা সারা দেশকে নির্যাতনের কারখানায় পরিণত করেছ।
তিনি বলেন, এবারে আপনাদের ঈদ আনন্দের হয় নাই। এই দানবীয় সরকারের আপনার সন্তানকে পুলিশ বাহিনী দিয়ে হত্যা করেছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা অধিকার সংগ্রামের জন্য লড়াই করছে। ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার আর বেঁচে থাকার অধিকারের জন্য৷ অথচ এই দানবীয় সরকার জোরদখল করে আছে৷
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন চাই৷ সবাই যেন অবাধে, বিনা ভয়ে ভোট দিতে পারে এমন একটা নির্বাচন চায়। গোটা দেশকে তারা ভয়ের রাজত্বে পরিণত করেছে। তারা কাউকে সম্মান করে না। দেশের আলেম-ওলামা, অধ্যাপক,বিখ্যাত কাউকে তারা সম্মান করে না। পৃথিবী যাকে চিনে নোবেল বিজয়ী তাকেও তারা শাস্তি দিয়েছে।
এ সময় জেলা-উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মৃত্যুবরণকারী উপজেলা যুবদল নেতার কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল হরিপুর থানা পুলিশের হেফাজতে উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আকরাম হোসেন মারা যান বলে পরিবার ও দলের অভিযোগ।

আওয়ামী লীগ সরকার কোনোদিন জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারেনি বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, তারা ভয় দেখিয়ে, প্রতারণা করে, ভুল বুঝিয়ে জোর করে ক্ষমতা দখল করে থাকতে চায়। এই রাষ্ট্রকে তারা সত্যিকার অর্থে গভীর পুলিশি রাষ্ট্রে পরিণত করেছে৷ দেশে এখন আওয়ামী লীগ নাই সব পুলিশ লীগ।
শুক্রবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলার হরিপুর উপজেলার পুলিশ হেফাজতে মৃত্যুবরণকারী উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আকরাম হোসেনের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সঙ্গে সৌজন্যে সাক্ষাৎ এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বিএনপি মহাসচিব এসব কথা বলেন৷
ফখরুল বলেন, শুধু আকরামের ঘটনা নতুন নয়। আমাদের আন্দোলন চলাকালে ৩০ জন নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছে। আমাদের বিরুদ্ধে প্রায় ৬০ লাখ মিথ্যা মামলা দেওয়া হয়েছে। ৭০০ থেকে ৮০০ জন নেতাকর্মীকে গুম করা হয়েছে৷ গত কয়েকদিনের মধ্যে তারা ২৭ হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে৷ তারা সারা দেশকে নির্যাতনের কারখানায় পরিণত করেছ।
তিনি বলেন, এবারে আপনাদের ঈদ আনন্দের হয় নাই। এই দানবীয় সরকারের আপনার সন্তানকে পুলিশ বাহিনী দিয়ে হত্যা করেছে। আমাদের ছেলে-মেয়েরা অধিকার সংগ্রামের জন্য লড়াই করছে। ভোটের অধিকার, ভাতের অধিকার আর বেঁচে থাকার অধিকারের জন্য৷ অথচ এই দানবীয় সরকার জোরদখল করে আছে৷
মির্জা ফখরুল বলেন, আমরা নির্বাচন চাই৷ সবাই যেন অবাধে, বিনা ভয়ে ভোট দিতে পারে এমন একটা নির্বাচন চায়। গোটা দেশকে তারা ভয়ের রাজত্বে পরিণত করেছে। তারা কাউকে সম্মান করে না। দেশের আলেম-ওলামা, অধ্যাপক,বিখ্যাত কাউকে তারা সম্মান করে না। পৃথিবী যাকে চিনে নোবেল বিজয়ী তাকেও তারা শাস্তি দিয়েছে।
এ সময় জেলা-উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে মৃত্যুবরণকারী উপজেলা যুবদল নেতার কবর জিয়ারত ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন তিনি।
প্রসঙ্গত, গত ৮ এপ্রিল হরিপুর থানা পুলিশের হেফাজতে উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব আকরাম হোসেন মারা যান বলে পরিবার ও দলের অভিযোগ।

বিরোধীদলের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, তারা নতুন ফ্যাসিবাদের অভিযোগ তুলছে, অথচ তাদের নিজেদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডেই ফ্যাসিবাদী মানসিকতার প্রতিফলন দেখা যায়।
৬ দিন আগে
‘‘উনাদের ওই বক্তব্যটা টোটালি পলিটিক্যাল স্ট্যান্টবাজি, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত। তারা যদি সরকারের বিরুদ্ধে আচরণই করত, তারা যদি সরকারের সুযোগ-সুবিধাই না নিত, তাহলে সরকার গঠন হওয়ার পরদিনই তাদের পদত্যাগ করে চলে যাওয়ার কথা’’
৬ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৭ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে