
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘গণহত্যাকে আড়াল করতে সরকার জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়টি সামনে এনেছে। সরকার একটার পর একটা ইস্যু তৈরি করে এবং সেই ইস্যু তৈরি করে ভিন্ন দিকে নিয়ে যায়। জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের বিষয়টি এখন আরেকটা প্রজেক্ট। সরকার আবারও বাকশাল কায়েম করতে চায়। এটি ইস্যু পরিবর্তনের অপকৌশল। যারা রাজনীতি করে তাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার।’
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। পাকিস্তান আমলে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তখন বাম রাজনীতি যারা করতেন, তারা সব দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ভারতে প্রায় দুই বছর থেকে যখন প্রত্যাহার করা হলো তারা আবার দেশে ফিরে আসেন। যারা স্বৈরাচারী, যাদের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না তারা এই ধরনের সিদ্ধান্ত বহু নিয়েছে। এসব তাদের নিতে হয়। কেন এত দিন তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়নি? আজকে এখন নিচ্ছে কেন? এ জন্য তাদের অনেক যুক্তি থাকবে, অনেক কথা তারা বলবে। আমরা যে কথাগুলো বলছি, এসব নিয়েও তারা অনেক কথা বলবে। তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব পরিষ্কার করে বলি, আমরা বিশ্বাস করি যারা রাজনীতি করে তাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার।
এখন জনগণের দায়িত্ব কার রাজনীতি গ্রহণ করবে, কার রাজনীতি গ্রহণ করবে না। এ জন্য যেটা দরকার একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আজকে এখন যে ক্রাইসিস তার মূলে রয়েছে এ দেশে প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো সরকার নেই। প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার না হলে তো এই সমস্যা সমাধান হবে না। আজকে এই সরকারের কোনো জনপ্রিয়তা নেই, তাদের কোনো বৈধতা নেই। তারা কোনো নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গণহত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে হওয়া উচিত।’
সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশে জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দাবি করে ফখরুল বলেন, ‘সরকারের প্রতি আহ্বান জানাব আর কোনো প্রাণ কেড়ে না নিয়ে, আন্দোলন দমনে ব্যর্থ চেষ্টা না করে; হত্যা, ধ্বংস ও নৈরাজ্যের দায়-দায়িত্ব অন্যায়ভাবে অন্যের ওপর না চাপিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। আমি অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে রাজনীতিকে উন্মুক্ত করা, নিষ্ঠুর দমন-নিপীড়ন বন্ধ, গ্রেপ্তার নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি।’

বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘গণহত্যাকে আড়াল করতে সরকার জামায়াত নিষিদ্ধের বিষয়টি সামনে এনেছে। সরকার একটার পর একটা ইস্যু তৈরি করে এবং সেই ইস্যু তৈরি করে ভিন্ন দিকে নিয়ে যায়। জামায়াতে ইসলামীকে নিষিদ্ধের বিষয়টি এখন আরেকটা প্রজেক্ট। সরকার আবারও বাকশাল কায়েম করতে চায়। এটি ইস্যু পরিবর্তনের অপকৌশল। যারা রাজনীতি করে তাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার।’
মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিকেলে রাজধানীর গুলশান কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আমরা বহুদলীয় গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। পাকিস্তান আমলে কমিউনিস্ট পার্টিকে নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। তখন বাম রাজনীতি যারা করতেন, তারা সব দেশ ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন। ভারতে প্রায় দুই বছর থেকে যখন প্রত্যাহার করা হলো তারা আবার দেশে ফিরে আসেন। যারা স্বৈরাচারী, যাদের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক থাকে না তারা এই ধরনের সিদ্ধান্ত বহু নিয়েছে। এসব তাদের নিতে হয়। কেন এত দিন তারা এ সিদ্ধান্ত নেয়নি? আজকে এখন নিচ্ছে কেন? এ জন্য তাদের অনেক যুক্তি থাকবে, অনেক কথা তারা বলবে। আমরা যে কথাগুলো বলছি, এসব নিয়েও তারা অনেক কথা বলবে। তাতে আমাদের কিছু যায় আসে না।’
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমরা খুব পরিষ্কার করে বলি, আমরা বিশ্বাস করি যারা রাজনীতি করে তাদের অধিকার আছে রাজনীতি করার।
এখন জনগণের দায়িত্ব কার রাজনীতি গ্রহণ করবে, কার রাজনীতি গ্রহণ করবে না। এ জন্য যেটা দরকার একটা অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন। আজকে এখন যে ক্রাইসিস তার মূলে রয়েছে এ দেশে প্রতিনিধিত্বমূলক কোনো সরকার নেই। প্রতিনিধিত্বমূলক সরকার না হলে তো এই সমস্যা সমাধান হবে না। আজকে এই সরকারের কোনো জনপ্রিয়তা নেই, তাদের কোনো বৈধতা নেই। তারা কোনো নির্বাচনে নির্বাচিত হয়ে আসেনি।’
তিনি বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সংঘটিত গণহত্যার তদন্ত জাতিসংঘের অধীনে হওয়া উচিত।’
সরকার পরিকল্পিতভাবে দেশে জঙ্গিবাদের পৃষ্ঠপোষকতা করে দাবি করে ফখরুল বলেন, ‘সরকারের প্রতি আহ্বান জানাব আর কোনো প্রাণ কেড়ে না নিয়ে, আন্দোলন দমনে ব্যর্থ চেষ্টা না করে; হত্যা, ধ্বংস ও নৈরাজ্যের দায়-দায়িত্ব অন্যায়ভাবে অন্যের ওপর না চাপিয়ে অবিলম্বে পদত্যাগ করুন। আমি অবিলম্বে কারফিউ প্রত্যাহার, সেনাবাহিনীকে ব্যারাকে ফিরিয়ে নেওয়া, সভা-সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে রাজনীতিকে উন্মুক্ত করা, নিষ্ঠুর দমন-নিপীড়ন বন্ধ, গ্রেপ্তার নেতাকর্মী ও শিক্ষার্থীদের নিঃশর্ত মুক্তি এবং মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবি করছি।’

শফিকুর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের দ্বারা যত গণহত্যা সংঘটিত হয়েছে, তার প্রতিটি হত্যাকাণ্ডের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। কারও প্রতি কোনো প্রতিশোধ নয়, ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে হবে। ন্যায়বিচার নিশ্চিত না করা অন্যায়। আমরা পরিষ্কার বলে দিচ্ছি— আপনারা বিচার নিশ্চিত করুন, না হয় আপনারা যাওয়ার রাস্তা খুঁজে বের করুন।
৬ দিন আগে
ঢাকার ধানমন্ডিতে সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে নেতাকর্মীদের দ্বারা তাদের ওপর যে হামলা-হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে, তা পর্যালোচনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। দলটি বলেছে, এ ঘটনায় তাদের কোনো কর্মীর ‘সম্পৃক্ততা’ পেলে তার বিরুদ্ধে ‘সাংগঠনিক ব্যবস্থা’ নেওয়া হবে।
৭ দিন আগে
রাজধানীর ধানমন্ডি-৩২ এলাকায় পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে কয়েকজন সাংবাদিকের ওপর হামলা ও হেনস্তার অভিযোগে উঠেছে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনাকে ‘জামায়াত নেতাকর্মীদের সন্ত্রাসী কায়দায় বর্বরোচিত হামলা এবং লাঞ্ছনা’ অভিহিত করে তীব্র ক্ষোভ, গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তা
৭ দিন আগে
রিজভী আরও বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করতে দেশবিরোধী, দেশের সার্বভৌমত্ব বিরোধী বক্তব্য দেয়া হচ্ছে। এত সাহস পেলেন কিভাবে? এই জাতিকে গোলাম বানাবেন? দিল্লির ক্রীতদাস বানাবেন? জনগণ তা হতে দেবে না।
৭ দিন আগে