
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরবর্তী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ইশরাক যখন এ ঘোষণা দিচ্ছেন, তখন সারা দেশেই সিটি করপোরেশন রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে। এ দিন সকালেই স্থানীয় সরকার বিভাগের রোববারের (২২ ফেব্রুয়ারি) একটি প্রজ্ঞাপনের কথা জানাজানি হয়েছে, যেখানে ঢাকার দুটিসহ ছয় সিটি করপোরেশনে ছয় বিএনপি নেতাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ইশরাক। বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহ না যেতেই তিনি এখন ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে থাকাকালে আদালত ঢাকা দক্ষিণ সিটির সবশেষ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করেন। এতে ওই ফলাফলে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে হেরে যাওয়া ইশরাক হোসেনের এই সিটির মেয়র হওয়ার পথ সুগম হয়। তবে তখনকার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইশরাকের শপথের আয়োজন করেনি, ইশরাককে দায়িত্বও বুঝিয়ে দেয়নি।
ওই সময় এই সিটি করপোরেশনের মেয়রের আসনে বসাকে কেন্দ্র করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বর্তমান এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ইশরাকের অভিযোগ ছিল, আসিফ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে মেয়রের আসনে বসতে দিচ্ছেন না। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ নানা ধরনের আইনি জটিলতার কথা বলে মন্ত্রণালয়ের শপথ আয়োজন অপারগতার কথা জানান।
এ নিয়ে ইশরাক ও আসিদের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দেয়। আসিফ ও ইশরাক— দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও বাগযুদ্ধ হয়। ইশরাক হোসেন তার নেতাকর্মীদের নিয়ে সিটি করপোরেশন ঘেরাও করে রাখেন, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করে।
ইশরাকের ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণার আগে আসিফ মাহমুদেরও একই পদে ভোটে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তারা দুজনেই মেয়র পদে প্রার্থী হলে তা আগের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে আনবে, এ কথা বলাই যায়।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) পরবর্তী নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার ঘোষণা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টায় এক ফেসবুক পোস্টে তিনি এ সিদ্ধান্তের কথা জানান।
ইশরাক যখন এ ঘোষণা দিচ্ছেন, তখন সারা দেশেই সিটি করপোরেশন রয়েছে আলোচনার কেন্দ্রে। এ দিন সকালেই স্থানীয় সরকার বিভাগের রোববারের (২২ ফেব্রুয়ারি) একটি প্রজ্ঞাপনের কথা জানাজানি হয়েছে, যেখানে ঢাকার দুটিসহ ছয় সিটি করপোরেশনে ছয় বিএনপি নেতাকে প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে সরকার।
এর আগে গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৬ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ইশরাক। বিএনপি সরকার গঠন করলে তাকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়। সংসদ সদস্য ও প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার এক সপ্তাহ না যেতেই তিনি এখন ঢাকা দক্ষিণ সিটির মেয়র পদে লড়ার ঘোষণা দিলেন।
এর আগে অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্বে থাকাকালে আদালত ঢাকা দক্ষিণ সিটির সবশেষ নির্বাচনের ফলাফল বাতিল করেন। এতে ওই ফলাফলে আওয়ামী লীগ নেতা শেখ ফজলে নূর তাপসের কাছে হেরে যাওয়া ইশরাক হোসেনের এই সিটির মেয়র হওয়ার পথ সুগম হয়। তবে তখনকার স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় ইশরাকের শপথের আয়োজন করেনি, ইশরাককে দায়িত্বও বুঝিয়ে দেয়নি।
ওই সময় এই সিটি করপোরেশনের মেয়রের আসনে বসাকে কেন্দ্র করে সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ও বর্তমান এনসিপি নেতা আসিফ মাহমুদের সঙ্গে ইশরাক হোসেনের রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব তৈরি হয়। ইশরাকের অভিযোগ ছিল, আসিফ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে মেয়রের আসনে বসতে দিচ্ছেন না। অন্যদিকে আসিফ মাহমুদ নানা ধরনের আইনি জটিলতার কথা বলে মন্ত্রণালয়ের শপথ আয়োজন অপারগতার কথা জানান।
এ নিয়ে ইশরাক ও আসিদের মধ্যে তীব্র বিরোধ দেখা দেয়। আসিফ ও ইশরাক— দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনা ও বাগযুদ্ধ হয়। ইশরাক হোসেন তার নেতাকর্মীদের নিয়ে সিটি করপোরেশন ঘেরাও করে রাখেন, যা রাজনৈতিক মহলে বেশ চাঞ্চল্য তৈরি করে।
ইশরাকের ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র পদে লড়াইয়ের ঘোষণার আগে আসিফ মাহমুদেরও একই পদে ভোটে দাঁড়ানোর গুঞ্জন ছড়িয়েছে। তারা দুজনেই মেয়র পদে প্রার্থী হলে তা আগের রাজনৈতিক দ্বন্দ্বকে নতুন করে সামনে আনবে, এ কথা বলাই যায়।

সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৭ দিন আগে
প্রস্তাবিত এ বাজেট নিয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় দলটি বলছে, বজেটের আকার বড় দেখানোর জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা প্রাক্কলন করা হয়েছে। এই বিশালাকৃতির বাজেট অবাস্তব এবং কোনোভাবেই অর্জনযোগ্য নয়।
৯ দিন আগে