
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

বাংলাদেশে শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনীতি এবং সমাজ ব্যবস্থাসহ সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে, পুলিশ প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা, সংসদ এবং নির্বাচন কমিশনসহ সবকিছু প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে ধ্বংস হয়পছে। এর থেকে বের হওয়ার একটি মাত্র উপায় হলো আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বানানীতে কারাবন্দি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের বাসায় তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মঈন খান বলেন, আজকে সন্ত্রাসীর সেই জুজুর ভয় দেখিয়ে পশ্চিমা বিশ্বকে ভাঁওতাবাজি দিয়ে তাদেরকে প্রতারিত করা যাবে, সেটি সম্ভব নয়। ৭ জানুয়ারি সেটি প্রমাণিত হয়েছে।
মেজর হাফিজের কারাগারে পাঠানোর প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই জাতির যে অবক্ষয় আজকে এই সরকারের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে মঙ্গলবার। দুঃখজনক, লজ্জাজনক এবং এর নিন্দা জানানোর কোনোরকম ভাষা আমাদের জানা নেই। শুধু এই কথাই বলতে পারি, সরকার আক্রোশ বা প্রতিহিংসার বশে এসব করছে।
মেজর হাফিজের মামলা প্রসঙ্গে তার স্ত্রী দিলারা হাফিজ বলেন, এটির একেবারেই ভিত্তি নেই। সাক্ষীদের কোনো পাত্তা নেই। আলামতও ছিলো না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার স্বামীর এখন বয়স চলছে ৭৯ প্লাস। বয়স্ক মানুষ। সম্প্রতি উনার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া মঙ্গলবার উনাকে পিজিতে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল) ভর্তি অনুমতি দিয়েছে।
পরে সদ্য কারামুক্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে দেখতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় তার বাসায় যান আবদুল মঈন খান।

বাংলাদেশে শুধু রাজনীতি নয়, অর্থনীতি এবং সমাজ ব্যবস্থাসহ সবকিছু ধ্বংস হয়ে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান।
তিনি বলেছেন, বাংলাদেশে যে প্রতিষ্ঠানগুলো রয়েছে, পুলিশ প্রশাসন, বিচার ব্যবস্থা, সংসদ এবং নির্বাচন কমিশনসহ সবকিছু প্রতিহিংসার রাজনীতির কারণে ধ্বংস হয়পছে। এর থেকে বের হওয়ার একটি মাত্র উপায় হলো আমাদের মানসিকতার পরিবর্তন আনতে হবে।
বুধবার (৬ মার্চ) রাজধানীর বানানীতে কারাবন্দি বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদের বাসায় তার স্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
মঈন খান বলেন, আজকে সন্ত্রাসীর সেই জুজুর ভয় দেখিয়ে পশ্চিমা বিশ্বকে ভাঁওতাবাজি দিয়ে তাদেরকে প্রতারিত করা যাবে, সেটি সম্ভব নয়। ৭ জানুয়ারি সেটি প্রমাণিত হয়েছে।
মেজর হাফিজের কারাগারে পাঠানোর প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, এই জাতির যে অবক্ষয় আজকে এই সরকারের কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে অবক্ষয়ের বহিঃপ্রকাশ ঘটছে মঙ্গলবার। দুঃখজনক, লজ্জাজনক এবং এর নিন্দা জানানোর কোনোরকম ভাষা আমাদের জানা নেই। শুধু এই কথাই বলতে পারি, সরকার আক্রোশ বা প্রতিহিংসার বশে এসব করছে।
মেজর হাফিজের মামলা প্রসঙ্গে তার স্ত্রী দিলারা হাফিজ বলেন, এটির একেবারেই ভিত্তি নেই। সাক্ষীদের কোনো পাত্তা নেই। আলামতও ছিলো না। আর সবচেয়ে বড় কথা হলো, আমার স্বামীর এখন বয়স চলছে ৭৯ প্লাস। বয়স্ক মানুষ। সম্প্রতি উনার হাঁটুতে অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে আল্লাহর কাছে শুকরিয়া মঙ্গলবার উনাকে পিজিতে (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতাল) ভর্তি অনুমতি দিয়েছে।
পরে সদ্য কারামুক্ত বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদুকে দেখতে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় তার বাসায় যান আবদুল মঈন খান।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে