
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রধান ভিত্তি জ্বালানি খাতকে ‘মাফিয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর’ হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রকে জিম্মি করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, এই উদ্যোগ দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী। এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সোমবার (১০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ মডেলেরই পুনরাবৃত্তি। তাঁদের অভিযোগ, আগের সরকার কুইক রেন্টাল ও ‘দায়মুক্তি আইন’-এর সুযোগ নিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।
এনসিপির নেতারা দাবি করেন, বর্তমানে একই ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে অভিযুক্ত একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে জাতীয় পেট্রোলিয়াম বাণিজ্যের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দলটি। বিবৃতিতে বলা হয়, মাত্র দুই দিনের সময় দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে অপসারণ এবং চার দিনের মধ্যে নীতিমালার খসড়া তৈরির উদ্যোগ প্রমাণ করে, এটি সাধারণ কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং এর পেছনে ‘মাফিয়া তোষণের নগ্ন চক্রান্ত’ রয়েছে।
এনসিপির নেতাদের ভাষ্য, ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের মতো জরুরি জ্বালানির সরবরাহ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হলে তা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করবে। তাঁরা এটিকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সঙ্গে ‘প্রত্যক্ষ বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেও উল্লেখ করেন।
দলটি বলেছে, জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। এ ধরনের উদ্যোগ বন্ধ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এনসিপি।

জাতীয় নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম প্রধান ভিত্তি জ্বালানি খাতকে ‘মাফিয়া ব্যবসায়ী গোষ্ঠীর’ হাতে তুলে দিয়ে রাষ্ট্রকে জিম্মি করার ষড়যন্ত্র চলছে বলে অভিযোগ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটি বলেছে, এই উদ্যোগ দেশ ও জনস্বার্থবিরোধী। এটি বাস্তবায়নের চেষ্টা হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে কঠোর আন্দোলনের মাধ্যমে তা প্রতিহত করা হবে।
সম্প্রতি সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত কয়েকটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রসঙ্গ তুলে ধরে সোমবার (১০ আগস্ট) এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম ও সদস্যসচিব আখতার হোসেন।
বিবৃতিতে তারা বলেন, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার যে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, তা বিগত সরকারের ‘ফ্যাসিবাদী শাসনের’ মডেলেরই পুনরাবৃত্তি। তাঁদের অভিযোগ, আগের সরকার কুইক রেন্টাল ও ‘দায়মুক্তি আইন’-এর সুযোগ নিয়ে ক্যাপাসিটি চার্জের নামে হাজার হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার করেছে।
এনসিপির নেতারা দাবি করেন, বর্তমানে একই ধরনের একটি উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। আইনি বাধ্যবাধকতা উপেক্ষা করে ঋণ জালিয়াতি ও অর্থ পাচারে অভিযুক্ত একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীকে জাতীয় পেট্রোলিয়াম বাণিজ্যের বড় অংশ নিয়ন্ত্রণের সুযোগ দেওয়ার চেষ্টা চলছে।
প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের গতি নিয়েও প্রশ্ন তুলেছে দলটি। বিবৃতিতে বলা হয়, মাত্র দুই দিনের সময় দিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন, বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) চেয়ারম্যানকে অপসারণ এবং চার দিনের মধ্যে নীতিমালার খসড়া তৈরির উদ্যোগ প্রমাণ করে, এটি সাধারণ কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়। বরং এর পেছনে ‘মাফিয়া তোষণের নগ্ন চক্রান্ত’ রয়েছে।
এনসিপির নেতাদের ভাষ্য, ডিজেল, পেট্রল ও অকটেনের মতো জরুরি জ্বালানির সরবরাহ এবং মূল্য নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়া হলে তা রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য গুরুতর ঝুঁকি তৈরি করবে। তাঁরা এটিকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তার সঙ্গে ‘প্রত্যক্ষ বিশ্বাসঘাতকতা’ বলেও উল্লেখ করেন।
দলটি বলেছে, জাতীয় জ্বালানি নিরাপত্তা ও জনস্বার্থ রক্ষায় কোনো ধরনের আপস করা হবে না। এ ধরনের উদ্যোগ বন্ধ না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে রাজপথে আন্দোলনে যাওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছে এনসিপি।

আসিফ মাহমুদের অভিযোগ, অনুসন্ধান শুরুর আগেই অভিযোগের ‘প্রাথমিক সত্যতা’ পাওয়ার কথা বলা এবং তা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের ফলে তার মানহানি হয়েছে। এ ঘটনায় দুদকের কাছে প্রকাশ্যে দুঃখপ্রকাশের দাবিও জানিয়েছেন তিনি।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিরোধী দলের সদস্যরাও নিয়মিত প্রশ্ন জমা দেন উল্লেখ করে নাহিদ ইসলাম বলেন, তাদের প্রশ্ন করার সুযোগ আরও বাড়ানো প্রয়োজন। এতে সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার প্রক্রিয়া শক্তিশালী হবে। জবাবে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, বিষয়টি পরবর্তী সময়ে বিবেচনা করা হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
প্রশাসনে বড় ধরনের রদবদল এনে চারটি মন্ত্রণালয় ও বিভাগে নতুন সচিব পদায়ন করেছে সরকার। এর মধ্যে তিনজন অতিরিক্ত সচিবকে সচিব পদে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় আজ বুধবার আলাদা প্রজ্ঞাপনে এসব পদোন্নতি ও বদলির আদেশ জারি করে।
২১ ঘণ্টা আগে
দেশে চলমান জ্বালানি সংকট থেকে উত্তরণে সরকার পাঁচ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এই পাঁচ কর্মপরিকল্পনা হলো— দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধি, সাইসমিক জরিপ, বাপেক্সকে শক্তিশালীকরণ, প্রোডাশন শেয়ারিং কন্ট্যাক্ট (পিএসসি) ও বিডিং এবং এলএনজি অবকাঠামো সস্প্রসারণ।
১ দিন আগে