
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

কোটা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংলাপে বসার যে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রক্ত মাড়িয়ে সংলাপ নয়’। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে আইনমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের পরপরই তিনি এই স্ট্যাটাস দেন।
তার স্ট্যাটাসটি ৪৫ মিনিটি সাড়ে ৩ হাজার শেয়ার, দেড় হাজার কমেন্ট ও সাড়ে ৮ হাজার মানুষ রিয়েক্ট করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কোটা সংস্কারে আমরা নীতিগতভাবে ঐকমত্য পোষণ করি। যেকোনো সময় এ নিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছি।
এর আগে অন্য আরেকটি ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দেশবাসীকে ওয়াইফাই উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দেশবাসীকে ওয়াইফাই উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন মোকাবিলায় এগিয়ে আসুন।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দখলে নেওয়ার সরকারি বাহিনীর অপচেষ্টার উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঘের বাচ্চারা। আপনারা যেই উদ্যম নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তা বাকিদেরও উজ্জীবিত করবে।’
সরকারি বাহিনীর হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘যে নৃশংসতা সরকারি বাহিনীর পক্ষ থেকে করা হচ্ছে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই বোনদের ঝরানো রক্তের জবাব দেওয়া হবে। দমন-পীড়নের যে পথ সরকার অবলম্বন করছে এটা সমাধানের পথ নয়। আমাদের বারবার সংঘাতের পথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা কোনো সুফল বয়ে আনবে না। ছাত্র-জনতার লিমিট পুশ করার চেষ্টা বুমেরাং হবে।’

কোটা সংস্কার দাবিতে শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলনের মধ্যে আইনমন্ত্রী আনিসুল হক সংলাপে বসার যে আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তা প্রত্যাখ্যান করেছেন কোটা সংস্কার আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।
তিনি ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রক্ত মাড়িয়ে সংলাপ নয়’। বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) বিকেলে আইনমন্ত্রীর ব্রিফিংয়ের পরপরই তিনি এই স্ট্যাটাস দেন।
তার স্ট্যাটাসটি ৪৫ মিনিটি সাড়ে ৩ হাজার শেয়ার, দেড় হাজার কমেন্ট ও সাড়ে ৮ হাজার মানুষ রিয়েক্ট করেছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৮ জুলাই) আইনমন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, কোটা সংস্কারে আমরা নীতিগতভাবে ঐকমত্য পোষণ করি। যেকোনো সময় এ নিয়ে আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে রাজি আছি।
এর আগে অন্য আরেকটি ফেসবুক পোস্টে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দেশবাসীকে ওয়াইফাই উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, ‘আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সহযোগিতায় দেশবাসীকে ওয়াইফাই উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ডিজিটাল ক্র্যাকডাউন মোকাবিলায় এগিয়ে আসুন।’
আসিফ মাহমুদ আরও বলেন, ‘পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে দখলে নেওয়ার সরকারি বাহিনীর অপচেষ্টার উপযুক্ত জবাব দিচ্ছে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাঘের বাচ্চারা। আপনারা যেই উদ্যম নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছেন তা বাকিদেরও উজ্জীবিত করবে।’
সরকারি বাহিনীর হামলার কঠোর জবাব দেওয়া হবে উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, ‘যে নৃশংসতা সরকারি বাহিনীর পক্ষ থেকে করা হচ্ছে এর কড়া জবাব দেওয়া হবে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাই বোনদের ঝরানো রক্তের জবাব দেওয়া হবে। দমন-পীড়নের যে পথ সরকার অবলম্বন করছে এটা সমাধানের পথ নয়। আমাদের বারবার সংঘাতের পথে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা কোনো সুফল বয়ে আনবে না। ছাত্র-জনতার লিমিট পুশ করার চেষ্টা বুমেরাং হবে।’

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
২ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
২ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
৩ দিন আগে