
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আইনটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ বিষয়ে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর নেতৃত্বে ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞ ও হেফাজত নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় হেফাজতে ইসলামের বাংলাদেশের আমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হেফাজতে ইসলাম দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো এ তথ্য হয়েছে।
গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত নতুন আইনে মুসলিমদের হেবা (দান) নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে বলে সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া বিশেষজ্ঞদের মতামত না নিয়ে তড়িঘড়ি করে জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ কারণে বিলটির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
হেফাজতে ইসলাম নেতারা বলেন, নতুন আইনটি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মুসলিমপ্রধান দেশে ইসলামি শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই এই বিল সংশোধন করতে হবে। তাদের মতে, বিলটি সংসদে উত্থাপনের আগে সরকারের ইসলামি শরিয়া বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল। কোরআনের নিজস্ব আইনি কাঠামোকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করা শরিয়াহকে অবজ্ঞা করার শামিল বলেও তারা মন্তব্য করেন।
হেফাজত নেতারা আরও বলেন, রাষ্ট্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতাকে তারা অস্বীকার করেন না। তবে মুসলিম নাগরিকদের ব্যক্তিগত আইন ও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আলেম-ওলামা, ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ ও আইনজ্ঞদের যথাযথ পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও নিন্দা জানান হেফাজতের নেতারা। তারা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে বলেন, আলেম-ওলামাকে উপেক্ষা না করে তাদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে শুনতে হবে। কোনো বিষয়ে আপত্তি জানানো ব্যক্তিরা আইন পড়েছেন কি না— এমন প্রশ্ন তোলার পরিবর্তে তাদের আপত্তির শরিয়াগত ও আইনগত ভিত্তি যাচাই করাই দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় আচরণ।
হেফাজতের নেতারা আরও বলেন, মুসলিম নাগরিকদের ব্যক্তিগত আইন এবং শরিয়তসম্মত সম্পত্তি বণ্টনব্যবস্থার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে পাস হওয়া বিলটির বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, কোনো ধরনের অহেতুক বিরোধে না গিয়ে আলেম-ওলামা ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান করতে হবে।
হেফাজতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, হেবা প্রথা ও মুসলিম উত্তরাধিকারীদের অধিকার সুরক্ষায় বিতর্কিত বিধান অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কোনো চক্রান্ত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজত নেতারা ও ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংশোধনের দাবি তুলে ধরা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, মাওলানা শায়খ সাজিদুর রহমান, মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি জসিম উদ্দিন হাটহাজারী, মুফতি আরশাদ রহমানী, মাওলানা আব্দুল আউয়াল নারায়ণগঞ্জ, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা ইকরাম হুসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা খুবাইব বিন তৈয়ব, মুফতি বশিরুল্লাহ, মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী, মাওলানা সালাহউদ্দিন এবং মুফতি এনামুল হক কাসেমী।

সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ নিয়ে আপত্তি জানিয়ে আইনটি সংশোধনের দাবি জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ। এ বিষয়ে হেফাজতের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর নেতৃত্বে ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞ ও হেফাজত নেতাদের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবে।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজধানী ঢাকায় হেফাজতে ইসলামের বাংলাদেশের আমিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। হেফাজতে ইসলাম দপ্তর সম্পাদক মাওলানা আফসার মাহমুদের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো এ তথ্য হয়েছে।
গত ৬ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদে পাস হওয়া সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত নতুন আইনে মুসলিমদের হেবা (দান) নিয়ে আইনি জটিলতা তৈরির আশঙ্কা রয়েছে বলে সভায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। সভায় বলা হয়, ইসলামি শরিয়া বিশেষজ্ঞদের মতামত না নিয়ে তড়িঘড়ি করে জাতীয় সংসদে ‘সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬’ পাস করা হয়েছে। এ কারণে বিলটির তীব্র প্রতিবাদ জানানো হয়।
হেফাজতে ইসলাম নেতারা বলেন, নতুন আইনটি কোরআন ও সুন্নাহর সঙ্গে সাংঘর্ষিক। মুসলিমপ্রধান দেশে ইসলামি শরিয়াহবিরোধী কোনো আইন গ্রহণযোগ্য হবে না। তাই এই বিল সংশোধন করতে হবে। তাদের মতে, বিলটি সংসদে উত্থাপনের আগে সরকারের ইসলামি শরিয়া বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া উচিত ছিল। কোরআনের নিজস্ব আইনি কাঠামোকে পাশ কাটিয়ে নিজেদের মতো করে আইন তৈরি করা শরিয়াহকে অবজ্ঞা করার শামিল বলেও তারা মন্তব্য করেন।
হেফাজত নেতারা আরও বলেন, রাষ্ট্রের আইন প্রণয়নের ক্ষমতাকে তারা অস্বীকার করেন না। তবে মুসলিম নাগরিকদের ব্যক্তিগত আইন ও ধর্মীয় বিধানের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোনো আইন প্রণয়ন বা সংশোধনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট আলেম-ওলামা, ইসলামি আইন বিশেষজ্ঞ ও আইনজ্ঞদের যথাযথ পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য।
সভায় আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনির সাম্প্রতিক বক্তব্যেরও নিন্দা জানান হেফাজতের নেতারা। তারা সংশ্লিষ্ট নীতিনির্ধারকদের উদ্দেশে বলেন, আলেম-ওলামাকে উপেক্ষা না করে তাদের বক্তব্য গুরুত্বের সঙ্গে শুনতে হবে। কোনো বিষয়ে আপত্তি জানানো ব্যক্তিরা আইন পড়েছেন কি না— এমন প্রশ্ন তোলার পরিবর্তে তাদের আপত্তির শরিয়াগত ও আইনগত ভিত্তি যাচাই করাই দায়িত্বশীল রাষ্ট্রীয় আচরণ।
হেফাজতের নেতারা আরও বলেন, মুসলিম নাগরিকদের ব্যক্তিগত আইন এবং শরিয়তসম্মত সম্পত্তি বণ্টনব্যবস্থার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তারা বলেন, শান্তিপূর্ণ ও আইনসম্মত উপায়ে পাস হওয়া বিলটির বিরুদ্ধে তাদের প্রতিবাদ অব্যাহত থাকবে। একই সঙ্গে সরকারের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, কোনো ধরনের অহেতুক বিরোধে না গিয়ে আলেম-ওলামা ও আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে আলোচনা করে বিষয়টির গ্রহণযোগ্য সমাধান করতে হবে।
হেফাজতের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, হেবা প্রথা ও মুসলিম উত্তরাধিকারীদের অধিকার সুরক্ষায় বিতর্কিত বিধান অবিলম্বে পুনর্বিবেচনা ও প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে। একই সঙ্গে সরকারকে বেকায়দায় ফেলার কোনো চক্রান্ত থেকে রক্ষা করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।
সভায় হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির আল্লামা শাহ মুহিববুল্লাহ বাবুনগরীর পক্ষ থেকে হেফাজত নেতারা ও ইসলামি ফিকাহ বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেখানে সম্পত্তি হস্তান্তর (সংশোধন) বিল-২০২৬ সংশোধনের দাবি তুলে ধরা হবে।
সভায় উপস্থিত ছিলেন আল্লামা আব্দুল হামিদ পীর সাহেব মধুপুর, মাওলানা শায়খ সাজিদুর রহমান, মাওলানা সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মুফতি জসিম উদ্দিন হাটহাজারী, মুফতি আরশাদ রহমানী, মাওলানা আব্দুল আউয়াল নারায়ণগঞ্জ, মাওলানা মাহফুজুল হক, মাওলানা বাহাউদ্দীন জাকারিয়া, মাওলানা মহিউদ্দিন রাব্বানী, মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব, মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী, মুফতি মনির হোসাইন কাসেমী, মুফতি সাখাওয়াত হোসাইন রাজি, মাওলানা ইকরাম হুসাইন ওয়াদুদী, মাওলানা খুবাইব বিন তৈয়ব, মুফতি বশিরুল্লাহ, মুফতি কেফায়েত উল্লাহ আজহারী, মাওলানা সালাহউদ্দিন এবং মুফতি এনামুল হক কাসেমী।

সরকারের সঙ্গে পূর্ব আলোচনা ছাড়াই সম্ভাব্য নির্বাচনি সময়সূচি ঘোষণার অভিযোগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের প্রক্রিয়া, সাংবিধানিক এখতিয়ার এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে সমন্বয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের মনোভাব বুঝতে পেরেই কি ইসি নির্বাচনের সম্ভাব্য সময়সূচি প
১ দিন আগে
রাজনীতির মাঠের চিত্র বলছে, ঢাকঢোল পিটিয়ে মাঠে কিছু হাইপ্রোফাইল রাজনৈতিক উদ্যোগ ও ব্যক্তিভিত্তিক প্ল্যাটফর্ম বর্তমানে পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় ও কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে। কেউ আবার ইস্যুভিত্তিক ঘরোয়া কর্মসূচির মধ্য দিয়ে নিজেদের বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা করছে।
১ দিন আগে
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, জনগণের সঙ্গে আলাপ-আলোচনার মাধ্যমেই তাদের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে। তিনি বলেন, ‘একটি কল্যাণমূলক রাষ্ট্র ও সমাজ প্রতিষ্ঠা করাই এই মুহূর্তে জনগণের প্রতি সরকারের অঙ্গীকার। এই অঙ্গীকার পূরণে ‘সবার আগে বাংলাদেশ- সবার জন্য বাংলাদেশ’ এই প্রত্যয়ে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে চলেছে।
১ দিন আগে
তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের বিষয়ে দুদকের চলমান কার্যক্রম নিয়ে তিনি বলেন, “খোঁজ নিয়ে আমি স্পষ্টভাবে জানতে পেরেছি কয়েকজন খুবই উচ্চ পর্যায়ের নেতা, তারা বিভিন্ন সময় বিশেষ করে সরকারে থাকা অবস্থায় আমার বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে তারা অসন্তুষ্ট হয়েছেন এবং সেই প্রতিশোধ নেওয়ার জন্যই এই পুরো প্রক্রিয়া চলমান আ
২ দিন আগে