
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আশ্বাসের পরেও সকাল থেকে অপেক্ষারত পেশাদার সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি ।এতে অনেকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দুপুর ১২টা পেরিয়ে গেলেও সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশে অনুমতি মেলেনি।
সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ২৬ ডিসেম্বর রাতে সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয় কাভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আশ্বাস দেন, সোমবার থেকে অস্থায়ী পাস নিয়ে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও সাংবাদিকদের একই তথ্য জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্থায়ী পাসের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সাংবাদিকদের তালিকাও দেওয়া হয়। এত কিছুর পরও সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারছেন না সাংবাদিকরা।
এ বিষয়ে সচিবালয়ের প্রধান গেটে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে গেটে সাংবাদিকদের একটি তালিকা দেওয়া হলেও পরে সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কাজ এখনো চলমান থাকায় কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সাংবাদিকদের প্রবেশে এখনো অনুমতি দেননি।
সচিবালয়ের এক নম্বর গেটে গিয়ে দেখা গেছে, রোববারের মতো আজও উপদেষ্টা, সচিব এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি সচিবালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক ও দুই নম্বর গেটের মধ্যবর্তী দর্শনার্থী কক্ষ এবং পাঁচ নম্বর গেট দিয়ে হেঁটে প্রবেশ করছেন।
গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আগুন লাগার ঘটনায় পুড়েছে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের চারটি তলা। এ চার তলায় পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের অফিস ছিল। বুধবার দিনগত রাত ২টার কিছু আগে আগুন লাগে, ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুন পুরোপুরি নিভতে সময় লাগে প্রায় ১০ ঘণ্টা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির স্বার্থে সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের অনুকূলে দেওয়া স্থায়ী প্রবেশ পাস (ডিজিটাল এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম) এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দেওয়া অস্থায়ী প্রবেশ পাস ছাড়া সব ধরনের অস্থায়ী (বেসরকারি ব্যক্তিদের জন্য) সচিবালয় প্রবেশ পাস বাতিল করা হলো।
এরপর সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার থেকে পরবর্তী ১৫ দিন সাংবাদিকরা অস্থায়ী পাস নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করবেন। এরপর আবেদনের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের নতুন প্রবেশ পাস দেওয়া হবে।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার আশ্বাসের পরেও সকাল থেকে অপেক্ষারত পেশাদার সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারেননি ।এতে অনেকে নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। দুপুর ১২টা পেরিয়ে গেলেও সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রবেশে অনুমতি মেলেনি।
সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর ২৬ ডিসেম্বর রাতে সাংবাদিকদের সচিবালয়ে প্রবেশের অ্যাক্রিডিটেশন কার্ড বাতিল করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। রোববার (২৯ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয় কাভার করা সাংবাদিকদের সংগঠন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট রিপোর্টার্স ফোরামের (বিএসআরএফ) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী আশ্বাস দেন, সোমবার থেকে অস্থায়ী পাস নিয়ে সাংবাদিকরা সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারবেন।
তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা নাহিদ ইসলামও সাংবাদিকদের একই তথ্য জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে অস্থায়ী পাসের জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে সাংবাদিকদের তালিকাও দেওয়া হয়। এত কিছুর পরও সচিবালয়ে প্রবেশ করতে পারছেন না সাংবাদিকরা।
এ বিষয়ে সচিবালয়ের প্রধান গেটে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে গেটে সাংবাদিকদের একটি তালিকা দেওয়া হলেও পরে সেটি প্রত্যাহার করা হয়েছে।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তদন্ত কাজ এখনো চলমান থাকায় কমিটির প্রধান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সাংবাদিকদের প্রবেশে এখনো অনুমতি দেননি।
সচিবালয়ের এক নম্বর গেটে গিয়ে দেখা গেছে, রোববারের মতো আজও উপদেষ্টা, সচিব এবং গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কোনো গাড়ি সচিবালয়ে প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এক ও দুই নম্বর গেটের মধ্যবর্তী দর্শনার্থী কক্ষ এবং পাঁচ নম্বর গেট দিয়ে হেঁটে প্রবেশ করছেন।
গত বুধবার (২৫ ডিসেম্বর) দিনগত রাতে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় আগুন লাগার ঘটনায় পুড়েছে সচিবালয়ের ৭ নম্বর ভবনের চারটি তলা। এ চার তলায় পাঁচটি মন্ত্রণালয়ের অফিস ছিল। বুধবার দিনগত রাত ২টার কিছু আগে আগুন লাগে, ছয় ঘণ্টা চেষ্টার পর বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ফায়ার সার্ভিস। আগুন পুরোপুরি নিভতে সময় লাগে প্রায় ১০ ঘণ্টা।
বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) রাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরীর স্বাক্ষরিত এক আদেশে বলা হয়, বাংলাদেশ সচিবালয়ের সার্বিক নিরাপত্তা বৃদ্ধির স্বার্থে সচিবালয়ে কর্মরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের অনুকূলে দেওয়া স্থায়ী প্রবেশ পাস (ডিজিটাল এক্সেস কন্ট্রোল সিস্টেম) এবং সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য দেওয়া অস্থায়ী প্রবেশ পাস ছাড়া সব ধরনের অস্থায়ী (বেসরকারি ব্যক্তিদের জন্য) সচিবালয় প্রবেশ পাস বাতিল করা হলো।
এরপর সাংবাদিক নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সোমবার থেকে পরবর্তী ১৫ দিন সাংবাদিকরা অস্থায়ী পাস নিয়ে সচিবালয়ে প্রবেশ করবেন। এরপর আবেদনের ভিত্তিতে সাংবাদিকদের নতুন প্রবেশ পাস দেওয়া হবে।

নাহিদ আরও বলেন, কে বোমা হামলা করেছে, আমরা জানি না। আমরা জানি, এর দায় হলো প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের। ফলে আমরা এখানকার পুলিশ-প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষের কাছে জবাবদিহিতা চাইব— কেন তারা নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হয়েছে? তাদের চোখ ফাঁকি দিয়ে সন্ত্রাসীরা কীভাবে বোমা হামলা করার সুযোগ পেল?
২ দিন আগে
জাতীয় সংসদ ভবন প্রাঙ্গণে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ২৫০তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদ জানিয়ে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) বলেছে, দেশকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘করদ রাজ্যে' পরিণত করার চক্রান্ত চলছে। এ চক্রান্ত প্রতিহত করতে দেশবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়েছে দলটি।
২ দিন আগে
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে কোটা সংস্কারের দাবিতে শুরু হওয়া শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত প্রতিবাদ পরবর্তীতে ছাত্র-জনতার এক ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয় এবং ৫ আগস্ট তৎকালীন সরকারের পতন ঘটে। জুন-জুলাই মাসের এই আন্দোলনটি দেশে ‘জুলাই আন্দোলন’ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।
৩ দিন আগে
শনিবার সন্ধ্যায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ঘোষণার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গোপালগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয় দলটি।
৩ দিন আগে