
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন ও মহাসমাবেশকে ঘিরে বন্দরনগরীতে বইছে উৎসবের আমেজ।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এই মহাসমাবেশে যোগ দিতে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে দলবেঁধে ছুটে আসছেন বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী। এমনকি প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার আকাঙ্ক্ষায় অনেকে আগের রাত থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন।
তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার এই সফরকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা।
শনিবার সন্ধ্যায় তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছান এবং আজ বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ডের বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং মঞ্চ এলাকাকে তিনটি বিশেষ নিরাপত্তা জোনে ভাগ করা হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় সরেজমিন দেখা যায়, পলোগ্রাউন্ড মাঠের সামনের অংশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি। উপস্থিত নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার ব্যাকুলতা থেকেই তারা কাকভোরে সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছেন। এদিকে মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হায়দার চৌধুরী বলেন, আমরা রাত থেকেই সমাবেশের আশেপাশে রয়েছি। আমাদের মতো অনেকেই ছিলেন।
দীর্ঘ দুই দশক পর দলের প্রধান হিসেবে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের মাটিতে পা রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৭ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি সরাসরি নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান। সেখানেই রাত্রিযাপন করেন তিনি।
দলীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি তরুণদের সঙ্গে একটি পলিসি ডায়ালগে অংশ নেবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠের মহাসমাবেশে যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম সফর শেষে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে মহাসমাবেশ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে রাখা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার আওতায়। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে—রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন। মঞ্চকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন।
মঞ্চের সামনের অংশ ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিক ও নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠকে রাখা হয়েছে গ্রিন জোন হিসেবে।
তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন। সে সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।

দলের প্রধান হিসেবে তারেক রহমানের চট্টগ্রাম আগমন ও মহাসমাবেশকে ঘিরে বন্দরনগরীতে বইছে উৎসবের আমেজ।
আজ রোববার (২৫ জানুয়ারি) ঐতিহাসিক পলোগ্রাউন্ড মাঠে আয়োজিত এই মহাসমাবেশে যোগ দিতে ভোর থেকেই দূর-দূরান্ত থেকে দলবেঁধে ছুটে আসছেন বিএনপির হাজার হাজার নেতাকর্মী। এমনকি প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার আকাঙ্ক্ষায় অনেকে আগের রাত থেকেই সমাবেশস্থলে অবস্থান নিয়েছেন।
তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রাম সফর করেছিলেন। দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর তার এই সফরকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে অভূতপূর্ব উদ্দীপনা।
শনিবার সন্ধ্যায় তিনি চট্টগ্রামে পৌঁছান এবং আজ বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ডের বিশাল জনসভায় ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে। সমাবেশকে কেন্দ্র করে পুরো শহরজুড়ে নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং মঞ্চ এলাকাকে তিনটি বিশেষ নিরাপত্তা জোনে ভাগ করা হয়েছে।
রোববার সকাল সাড়ে ৭টায় সরেজমিন দেখা যায়, পলোগ্রাউন্ড মাঠের সামনের অংশে নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি। উপস্থিত নেতাকর্মীরা জানান, দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্রিয় নেতাকে একনজর দেখার ব্যাকুলতা থেকেই তারা কাকভোরে সমাবেশস্থলে হাজির হয়েছেন। এদিকে মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে সমাবেশস্থল ও আশপাশের এলাকায় বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।
দক্ষিণ জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল হায়দার চৌধুরী বলেন, আমরা রাত থেকেই সমাবেশের আশেপাশে রয়েছি। আমাদের মতো অনেকেই ছিলেন।
দীর্ঘ দুই দশক পর দলের প্রধান হিসেবে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের মাটিতে পা রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে তাকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ফ্লাইট বিজি-১৪৭ চট্টগ্রাম শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে তিনি সরাসরি নগরীর পাঁচ তারকা হোটেল রেডিসন ব্লুতে যান। সেখানেই রাত্রিযাপন করেন তিনি।
দলীয় সূত্র জানায়, রোববার সকাল সাড়ে ৯টায় তিনি তরুণদের সঙ্গে একটি পলিসি ডায়ালগে অংশ নেবেন। এরপর বেলা সাড়ে ১১টায় পলোগ্রাউন্ড মাঠের মহাসমাবেশে যোগ দেবেন। চট্টগ্রাম সফর শেষে ফেনী, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে একাধিক পথসভায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে।
এদিকে মহাসমাবেশ উপলক্ষ্যে চট্টগ্রাম নগরীতে রাখা হয়েছে কঠোর নিরাপত্তার আওতায়। প্রায় দুই হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। মঞ্চসহ পুরো এলাকাকে তিন স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ভাগ করা হয়েছে—রেড জোন, ইয়েলো জোন ও গ্রিন জোন। মঞ্চকে রেড জোন ঘোষণা করা হয়েছে। যেখানে কেবল বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা, স্থায়ী কমিটির সদস্যরা এবং বৃহত্তর চট্টগ্রামের ২৩টি আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থীরা অবস্থান করতে পারবেন।
মঞ্চের সামনের অংশ ইয়েলো জোন হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে, যেখানে সাংবাদিক ও নারীদের জন্য আলাদা ব্লক থাকবে। পুরো মাঠকে রাখা হয়েছে গ্রিন জোন হিসেবে।
তারেক রহমান সর্বশেষ ২০০৫ সালে চট্টগ্রামে গিয়েছিলেন। সে সময় চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের প্রচারণায় অংশ নিয়ে তিনি নগরীর লালদিঘী ময়দানে জনসভায় বক্তব্য দিয়েছিলেন।

একই সাথে তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য আশার বাণী শুনিয়ে তারেক রহমান বলেন, তরুণ উদ্যোক্তা ও শিক্ষার্থীদের জন্য তারেক বলেন, আমরা ছোট উদ্যোক্তাদের সহজে ব্যবসা করতে সাহায্য করতে চাই। আইন পুরোপুরি পাল্টানো সম্ভব না হলেও, যেখানে সম্ভব তাতে সংশোধন আনা হবে। যেমন, স্টুডেন্ট লোনের মাধ্যমে যারা বিদেশে পড়
২ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, ‘যেখানে আমাদের জন্ম ও বেড়ে ওঠা, সেখান থেকেই আমরা থিম সং উদ্বোধন করতে চেয়েছি। কোনো ফাইভ স্টার হোটেলে গিয়ে এই আয়োজন করিনি। আমরা চাই, আমাদের প্রতিটি আয়োজনে সাধারণ মানুষের সক্রিয় অংশগ্রহণ থাকুক। সে লক্ষ্যেই সাদামাটা পরিবেশে অনুষ্ঠানটির আয়োজন করা হয়েছে, যাতে সবাই স
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ জামায়াতের ইসলামীসহ ১০টি রাজনৈতিক দলের নির্বাচনি ঐক্যের সঙ্গে বাংলাদেশ লেবার পার্টি যুক্ত হয়েছে। ফলে জোটটি আবারও ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যে পরিণত হলো। এর আগে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ১১ দলীয় নির্বাচনি জোট থেকে বের হয়ে গিয়েছিল।
১৮ ঘণ্টা আগে