
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

৯টি দলকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজনৈতিক জোট গঠন করতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরূদ্দীন পাটওয়ারী।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) এনসিপির নির্বাচন পরিচলনা কমিটির ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ কমিটিরও দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট ইস্যুতে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার টেবিলে বসে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপি ও জামায়াত তারা বিষয়টি নিয়ে মারামারি করছে। এ অবস্থায় গণতন্ত্র মঞ্চ, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও আমরা এনসিপিসহ ৯টি দল আলোচনায় বসেছিলাম। কীভাবে এ সংকটের সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
রাজনৈতিক জোট গঠন প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশ সংকটে রয়েছে। সেখান থেকে বিএনপি ও জামায়াত যদি সংস্কারের একটি পর্যায়ে আসতে পারে এবং সংস্কার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে বিএনপি বা জামায়াত যে কারও সঙ্গেই জোট হতে পারে। তবে বিচার ও সংস্কারের বিষয়ে কোনো সমাধান না হলে কারও সঙ্গে কোনো জোটে যাব না।
৯ দলকে নিয়ে রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের ছয় দলসহ যে ৯টি দল আলোচনায় বসেছিলাম, তাদের মধ্যে রাজনৈতিক জোটের একটি চিন্তাভাবনা চলছে। এই ৯টি দলের মধ্যে রাজনৈতিক জোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গণতন্ত্র মঞ্চ মূলত ছয়টি রাজনৈতিক দলের একটি জোট। এই ছয়টি দল হলো— জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য অনুযায়ী এই ছয়টি দলের সঙ্গে এনসিপি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ যুক্ত হয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি উন্মুক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপি মনোনয়ন আবেদন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে। আবেদন ফরমের মূল্য ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জুলাইযোদ্ধা ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য মনোনয়ন ফরমের দাম দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে এনসিপি দলীয় প্রতিনিধি নয়, সংসদে জনগণের প্রতিনিধি পাঠাতে চায় বলে জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, পেশীশক্তির অধিকারী নয়, যারা স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ, তাদের আমরা প্রার্থী করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আলেম সমাজের যারা আছেন, নারীদের মধ্যে যারা আছেন, শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি যারা আছেন, চিকিৎসক-প্রকৌশলী-শিক্ষক যারা আছেন, সব পেশাজীবীদের নিয়ে আমরা সংসদে যেতে চাই। অন্যরা সবাই দলের প্রতিনিধিত্ব করে, আমরা জনগণের প্রতিনিধিদের মনোনয়ন দিতে চাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত করে তাদের সংসদে পাঠাতে চাই।

৯টি দলকে নিয়ে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) রাজনৈতিক জোট গঠন করতে পারে বলে জানিয়েছেন দলটির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরূদ্দীন পাটওয়ারী।
বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) এনসিপির নির্বাচন পরিচলনা কমিটির ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। এ কমিটিরও দায়িত্বে রয়েছেন তিনি।
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের গণভোট ইস্যুতে সরকার রাজনৈতিক দলগুলোকে আলোচনার টেবিলে বসে সিদ্ধান্ত নিতে বলেছে। কিন্তু আমরা দেখেছি বিএনপি ও জামায়াত তারা বিষয়টি নিয়ে মারামারি করছে। এ অবস্থায় গণতন্ত্র মঞ্চ, এবি পার্টি, গণঅধিকার পরিষদ ও আমরা এনসিপিসহ ৯টি দল আলোচনায় বসেছিলাম। কীভাবে এ সংকটের সমাধান করা যায়, সে বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি।
রাজনৈতিক জোট গঠন প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে দেশ সংকটে রয়েছে। সেখান থেকে বিএনপি ও জামায়াত যদি সংস্কারের একটি পর্যায়ে আসতে পারে এবং সংস্কার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতি দেয়, তাহলে বিএনপি বা জামায়াত যে কারও সঙ্গেই জোট হতে পারে। তবে বিচার ও সংস্কারের বিষয়ে কোনো সমাধান না হলে কারও সঙ্গে কোনো জোটে যাব না।
৯ দলকে নিয়ে রাজনৈতিক জোটের সম্ভাবনার কথা তুলে ধরে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, গণতন্ত্র মঞ্চের ছয় দলসহ যে ৯টি দল আলোচনায় বসেছিলাম, তাদের মধ্যে রাজনৈতিক জোটের একটি চিন্তাভাবনা চলছে। এই ৯টি দলের মধ্যে রাজনৈতিক জোট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
গণতন্ত্র মঞ্চ মূলত ছয়টি রাজনৈতিক দলের একটি জোট। এই ছয়টি দল হলো— জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), নাগরিক ঐক্য, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, ভাসানী জনশক্তি পার্টি ও রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন।
এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য অনুযায়ী এই ছয়টি দলের সঙ্গে এনসিপি, এবি পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদ যুক্ত হয়ে নতুন রাজনৈতিক জোট হতে পারে।
সংবাদ সম্মেলনে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপির মনোনয়ন ফরম বিক্রি উন্মুক্ত হওয়ার তথ্য জানানো হয়। নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী বলেন, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য এনসিপি মনোনয়ন আবেদন ফরম বিক্রির কার্যক্রম শুরু করেছে। আবেদন ফরমের মূল্য ১০ হাজার টাকা ঘোষণা করা হয়েছে। তবে জুলাইযোদ্ধা ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য মনোনয়ন ফরমের দাম দুই হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এই নির্বাচনের মাধ্যমে এনসিপি দলীয় প্রতিনিধি নয়, সংসদে জনগণের প্রতিনিধি পাঠাতে চায় বলে জানান নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, চাঁদাবাজ, দুর্নীতিবাজ, পেশীশক্তির অধিকারী নয়, যারা স্বচ্ছ ভাবমূর্তির মানুষ, তাদের আমরা প্রার্থী করতে চাই।
তিনি আরও বলেন, আলেম সমাজের যারা আছেন, নারীদের মধ্যে যারা আছেন, শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি যারা আছেন, চিকিৎসক-প্রকৌশলী-শিক্ষক যারা আছেন, সব পেশাজীবীদের নিয়ে আমরা সংসদে যেতে চাই। অন্যরা সবাই দলের প্রতিনিধিত্ব করে, আমরা জনগণের প্রতিনিধিদের মনোনয়ন দিতে চাই, জনগণের ভোটে নির্বাচিত করে তাদের সংসদে পাঠাতে চাই।

স্পিকারের উদ্দেশে শফিকুর রহমান বলেন, আপনি একজন গর্বিত বীর মুক্তিযোদ্ধা, বীর বিক্রম। আমিও ক্ষুদ্র একটি শহীদ পরিবারের সন্তান। মুক্তিযুদ্ধে যারা জীবন দিয়েছিলেন, আমাদের পরিবারের কয়েকজনের রক্ত দিয়ে তাদের সঙ্গে শরিক হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে।
২ দিন আগে
সমাবেশে সিপিবির প্রেসিডিয়াম সদস্য জলি তালুকদার অভিযোগ করে বলেন, "খসড়া এগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড নিয়ে কাজ করার সময় তৎকালীন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অত্যন্ত গোপনে ও দ্রুততার সাথে এই চুক্তি স্বাক্ষরে অতি-তৎপর ছিলেন। এমনকি নথিপত্র আদান-প্রদানের অভিযোগে একজন নিরীহ সরকারি কর্মকর্তাকে বরখাস্ত ও হয়রা
২ দিন আগে
দলটির সিদ্ধান্ত— ঢাকা দক্ষিণ সিটিতে মেয়র প্রার্থী দলের মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া, উত্তরে সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম আদীব।
৪ দিন আগে
রোববার (২৯ মার্চ) রাত ৯টা ৫২ মিনিটে এনসিপির ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে মেয়র পদে প্রার্থী হিসেবে আসিফ মাহমুদের ছবিসহ একটি পোস্টার শেয়ার করা হয়েছে। এতে লেখা হয়েছে— ‘ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনে এনসিপি মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী’।
৪ দিন আগে