
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জ্বালানি সংকটের অজুহাতে অনলাইন ক্লাস জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত ৩১ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় ঢাকাসহ সব মহানগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও অপরিণামদর্শী। সরকার জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দিচ্ছে, যা জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর ষড়যন্ত্রেরই অংশ।’
অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার ফলে শিক্ষার্থীরা বহুমুখী ক্ষতির সম্মুখীন হয় বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক গরিব শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অনলাইন ক্লাসের নামে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ডিভাইসে আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিতে পড়ে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পঠন-পাঠন ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ার অভ্যাসও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
এই অবস্থায় অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা মানে জেনেশুনে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করা বলে বিবৃতিতে মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, কোভিড-১৯ সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব কেমন ছিল, তা ‘ন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট ২০২২’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা ও গণিতে শ্রেণি-উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এমনকি ময়মনসিংহের মতো দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ইউনিসেফসহ বিভিন্ন সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, অনলাইন ক্লাসের সময়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার ও শিশুশ্রম বেড়েছে।
যখন শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার করা সবচেয়ে জরুরি, তার পরিবর্তে আবারও অনলাইন ক্লাসে ফিরে যাওয়া আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি সংকটের দোহাই দিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করা কখনোই কাম্য হতে পারে না। যদি সত্যিই জ্বালানি সংকট থাকে, তবে রাষ্ট্রের বিলাসিতাসহ অন্য সব খাত সচল রেখে তার দায় কেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো হচ্ছে?
গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারকে অবশ্যই শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা অবিলম্বে এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত ও সশরীর পাঠদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

জ্বালানি সংকটের অজুহাতে অনলাইন ক্লাস জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। আজ বৃহস্পতিবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন তিনি।
বিবৃতিতে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘গত ৩১ মার্চ সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় ঢাকাসহ সব মহানগরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ক্লাস চালুর যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা অত্যন্ত অনভিপ্রেত ও অপরিণামদর্শী। সরকার জ্বালানি সংকটের অজুহাত দেখিয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইন ক্লাস চাপিয়ে দিচ্ছে, যা জাতিকে মেধাশূন্য করার এক গভীর ষড়যন্ত্রেরই অংশ।’
অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার ফলে শিক্ষার্থীরা বহুমুখী ক্ষতির সম্মুখীন হয় বলে মন্তব্য করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। ইন্টারনেটের উচ্চমূল্যের কারণে অনেক গরিব শিক্ষার্থী শিক্ষা কার্যক্রম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘অনলাইন ক্লাসের নামে স্মার্টফোন ব্যবহারের সুযোগে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা ডিভাইসে আসক্তি ও নৈতিক অবক্ষয়ের ঝুঁকিতে পড়ে। শ্রেণিকক্ষভিত্তিক পঠন-পাঠন ব্যাহত হওয়ায় শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়ার অভ্যাসও দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।’
এই অবস্থায় অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থা চালু করা মানে জেনেশুনে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন ধ্বংস করা বলে বিবৃতিতে মন্তব্য করেন তিনি।
মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, কোভিড-১৯ সময়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের ওপর অনলাইননির্ভর শিক্ষাব্যবস্থার প্রভাব কেমন ছিল, তা ‘ন্যাশনাল স্টুডেন্ট অ্যাসেসমেন্ট ২০২২’-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। সেখানে দেখা গেছে, প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বাংলা ও গণিতে শ্রেণি-উপযোগী যোগ্যতা অর্জন করতে পারেনি। এমনকি ময়মনসিংহের মতো দরিদ্র ও প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিক্ষার্থীরা অপেক্ষাকৃত সচ্ছল অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের তুলনায় অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ইউনিসেফসহ বিভিন্ন সংস্থার জরিপে দেখা গেছে, অনলাইন ক্লাসের সময়গুলোতে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার ও শিশুশ্রম বেড়েছে।
যখন শিক্ষাব্যবস্থার প্রয়োজনীয় সংস্কার করা সবচেয়ে জরুরি, তার পরিবর্তে আবারও অনলাইন ক্লাসে ফিরে যাওয়া আমাদের শিক্ষার্থীদের জন্য সুফল বয়ে আনবে না বলে মন্তব্য জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি সংকটের দোহাই দিয়ে শিক্ষার্থীদের জীবন ধ্বংস করা কখনোই কাম্য হতে পারে না। যদি সত্যিই জ্বালানি সংকট থাকে, তবে রাষ্ট্রের বিলাসিতাসহ অন্য সব খাত সচল রেখে তার দায় কেন কোমলমতি শিক্ষার্থীদের ওপর চাপানো হচ্ছে?
গোলাম পরওয়ার বলেন, সরকারকে অবশ্যই শিক্ষা খাতকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কার্যকর ও দায়িত্বশীল পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা অবিলম্বে এই অযৌক্তিক সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে সকল শিক্ষার্থীর জন্য নিয়মিত ও সশরীর পাঠদান নিশ্চিত করার আহ্বান জানাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সফর নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে রয়টার্সকে জানিয়েছেন তার প্রেস সচিব এ এ এম সালেহ। তিনি বলেন, শেখ হাসিনা ও ‘অন্যান্য পলাতক অপরাধীদের’ প্রত্যর্পণের বিষয়ে ভারতের জবাবের অপেক্ষায় রয়েছে ঢাকা।
১৩ ঘণ্টা আগে
শপথ নেওয়ার আগে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং দলের প্রয়াত চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত করেছেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
১৪ ঘণ্টা আগে
বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, মন্ত্রিসভায় নতুন যুক্ত হতে যাওয়া তিন পূর্ণ মন্ত্রী হতে যাচ্ছেন— আবদুল মঈন খান, আন্দালিভ রহমান পার্থ ও সাচিং প্রু জেরী। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে মন্ত্রিসভায় আসতে যাচ্ছেন মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন।
১৫ ঘণ্টা আগে
ফ্রান্স দূতাবাস তাদের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজের পোস্টে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের কথা তুলে ধরে। বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রায় একজন প্রবীণ রাজনীতিবিদ হিসেবে তাঁর অবদানের কথাও উল্লেখ করে দূতাবাসটি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও ফ্রান্সের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার করার অঙ্গীকার পুনর
১৯ ঘণ্টা আগে