
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমান। আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে।
বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে আবু সাইয়িদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মোকাবেলা ও প্রতিরোধের জন্য আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি।’
‘যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন পাবনা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী। আসনটিতে রীতিমতো প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আমি মনে করছি, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা রোধে বিএনপিতে যোগদানের বিকল্প নেই,’— বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল মেয়াদে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাও ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীনই দলের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর তিনি গণফোরামে যোগ দেন। গত কয়েক বছর ধরে ৮২ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।

সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক আবু সাইয়িদ বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলে (বিএনপি) যোগ দিয়েছেন। আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) বিকেলে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের হাতে ফুলের তোড়া দিয়ে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বিএনপিতে যোগ দেন।
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনে পাবনা-১ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন অধ্যাপক আবু সাইয়িদ। এই আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামসুর রহমান। আগামী ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত এই আসনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের সময় রয়েছে।
বিএনপিতে যোগ দেওয়ার কারণ সম্পর্কে আবু সাইয়িদ রাজনীতি ডটকমকে বলেন, ‘জঙ্গিবাদ, সাম্প্রদায়িকতা ও ধর্মীয় উগ্রবাদ মোকাবেলা ও প্রতিরোধের জন্য আমি বিএনপিতে যোগদান করেছি।’
‘যুদ্ধাপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া মতিউর রহমান নিজামীর ছেলে ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন পাবনা-১ আসনে জামায়াতের প্রার্থী। আসনটিতে রীতিমতো প্রতিহিংসার রাজনীতি শুরু হয়েছে। এই প্রেক্ষাপটে আমি মনে করছি, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতা রোধে বিএনপিতে যোগদানের বিকল্প নেই,’— বলেন তিনি।
উল্লেখ্য, ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল মেয়াদে অধ্যাপক আবু সাইয়িদ আওয়ামী লীগ সরকারের তথ্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাও ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় থাকাকালীনই দলের সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়। এরপর তিনি গণফোরামে যোগ দেন। গত কয়েক বছর ধরে ৮২ বছর বয়সী এই প্রবীণ রাজনীতিক অনেকটাই নিষ্ক্রিয় ছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামী ২২৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। নির্বাচনসংক্রান্ত আইন গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ অনুযায়ী, দুই শতাধিক আসনে প্রার্থী দিলে কোনো দল নির্বাচনে সাড়ে চার কোটি টাকা ব্যয় করতে পারে।
২ দিন আগে
নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আরও বলেন, ‘এনসিপি সরকার গঠন করতে পারলে সীমান্তবর্তী এলাকায় খাল খননের উদ্যোগ নেওয়া হবে, যাতে মাদক পাচার রোধ করা যায়। ভারত সীমান্তঘেঁষা এলাকায় মাদক উৎপাদন ও পাচার বাড়ছে, যার প্রভাব বাংলাদেশের যুবসমাজের ওপর পড়ছে।’
২ দিন আগে
নাহিদ বলেন, আলেমদের হত্যার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর দায় আছে। তারা যথার্থ ভূমিকা পালনে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমান ক্ষমতাসীন বিএনপি তখন আলেমদের পাশে দাঁড়াতে পারেনি।
২ দিন আগে
তিনি অভিযোগ করে বলেন, স্বাস্থ্য খাতে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ থাকা সত্ত্বেও প্রয়োজনীয় টিকা কেনা হয়নি। জনগণের জীবন রক্ষার চেয়ে সরকার অন্য বিষয় নিয়ে বেশি ব্যস্ত ছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্তদের অবহেলার কারণেই সময়মতো ইউনিসেফের টিকা সংগ্রহ করা হয়নি।
২ দিন আগে