
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাকে কাজে লাগিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেছেন, যেকোনো ধরনের 'মব সন্ত্রাস' পুরোপুরি বন্ধ করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ওপর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তারেক রহমানের ওপর এক গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, বহুত্ববাদী ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের নেতৃত্ব প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বিতর্কিত পদক্ষেপ ও তৎপরতা থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিদায় কেন্দ্র করে অনভিপ্রেত ঘটনাবলী সরকার ভাবমূর্তী ক্ষুণ্ণ করেছে ও অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক উসকিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনও টাকার খেলা, পেশীশক্তি, প্রশাসনিক ম্যানিপুলেশন ও ধর্মের ব্যবহার রোধ করতে পারেনি। নির্বাচন দৃশ্যতঃ শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অনেকগুলো আসনের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। এ কারণে জননন্দিত অনেক প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি।
পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, রাশিদা বেগম, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল করিম টিপু,সজীব সরকার, সাইফুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান মাসুদ, নির্মল বড়ুয়া মিলন, শাহজাহান সিকদার, মীর রেজাউল আলম, অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, জসীম রাডি, মীর রেজাউল আলম, জুই চাকমা, ফিরোজ আলী, শাহীন আলম, আজাদুর রহমান আজাদ, জামাল সিকদার, আউয়াল মাহমুদ, নীলূফার ইয়াসমিন, আবু হানিফ প্রমুখ।

ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনের মধ্য দিয়ে গণতন্ত্রের যে সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে তাকে কাজে লাগিয়ে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছেন বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক।
তিনি বলেছেন, যেকোনো ধরনের 'মব সন্ত্রাস' পুরোপুরি বন্ধ করে মানুষের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় সংহতি মিলনায়তনে পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, সময় ও পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমানের ওপর দেশের গণতান্ত্রিক উত্তরণের ঐতিহাসিক দায়িত্ব অর্পিত হয়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন তারেক রহমানের ওপর এক গণতান্ত্রিক, প্রগতিশীল, বহুত্ববাদী ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের নেতৃত্ব প্রদানের দায়িত্ব অর্পণ করেছে। তিনি আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, প্রজ্ঞা, দূরদর্শিতা ও দক্ষতা নিয়ে তিনি এই দায়িত্ব পালন করবেন।
তিনি বিতর্কিত পদক্ষেপ ও তৎপরতা থেকে সরকারকে বিরত থাকার আহ্বান জানান এবং বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের বিদায় কেন্দ্র করে অনভিপ্রেত ঘটনাবলী সরকার ভাবমূর্তী ক্ষুণ্ণ করেছে ও অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক উসকিয়ে দিয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনও টাকার খেলা, পেশীশক্তি, প্রশাসনিক ম্যানিপুলেশন ও ধর্মের ব্যবহার রোধ করতে পারেনি। নির্বাচন দৃশ্যতঃ শান্তিপূর্ণ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হলেও ভোটের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে অনেকগুলো আসনের ফলাফল নির্ধারিত হয়েছে। এ কারণে জননন্দিত অনেক প্রার্থী নির্বাচনে জয়ী হতে পারেননি।
পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তব্য রাখেন পার্টির কেন্দ্রীয় নেতা বহ্নিশিখা জামালী, আকবর খান, আবু হাসান টিপু, আনছার আলী দুলাল, মীর মোফাজ্জল হোসেন মোশতাক, মাহমুদ হোসেন, রাশিদা বেগম, অ্যাডভোকেট মাহমুদুল করিম টিপু,সজীব সরকার, সাইফুল ইসলাম, মাসুদুর রহমান মাসুদ, নির্মল বড়ুয়া মিলন, শাহজাহান সিকদার, মীর রেজাউল আলম, অরবিন্দু বেপারী বিন্দু, জসীম রাডি, মীর রেজাউল আলম, জুই চাকমা, ফিরোজ আলী, শাহীন আলম, আজাদুর রহমান আজাদ, জামাল সিকদার, আউয়াল মাহমুদ, নীলূফার ইয়াসমিন, আবু হানিফ প্রমুখ।

শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
২ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৩ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৩ দিন আগে
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাভার মডেল থানার ওসি তদন্ত নুর মোহাম্মদ। তিনি বলেন, আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান চলছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা যায়নি।
৩ দিন আগে