
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, এ ধরনের প্রতিরোধ গড়ে উঠলেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়া ধীর না করে দ্রুত ও ব্যাপকভাবে তা সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। তা না হলে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা বারবার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ নেবেন। এ পরিস্থিতি ঠেকাতে দ্রুত ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের বিচার সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজেও গতি আনার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষ্য, সংস্কারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা গেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত হবে।
বিবৃতিতে ভারতের ভূমিকার সমালোচনাও করেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, পতিত আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ করে দিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে শত্রুতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি নিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এ নীতি ভারতের জন্যই ক্ষতির কারণ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পরিবর্তে একটি স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার পরিণতি ভারতকে বহন করতে হবে।
শেখ হাসিনার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারকে তার দৌরাত্ম্য বন্ধে ভারতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের নৃশংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচারণা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর দাবি, মিথ্যা প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দক্ষতা রয়েছে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারও এগিয়ে নিতে হবে। তাঁর মতে, এই দুই প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া গেলেই দেশে ফ্যাসিবাদ পুনরায় শক্তিশালী হওয়ার পথ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে প্রাতিষ্ঠানিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেছেন, এ ধরনের প্রতিরোধ গড়ে উঠলেই আওয়ামী ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত করা সম্ভব।
শনিবার (৮ আগস্ট) এক বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন। মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিচারে কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া যাবে না। একই সঙ্গে বিচারপ্রক্রিয়া ধীর না করে দ্রুত ও ব্যাপকভাবে তা সম্পন্ন করার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, দেশ থেকে ফ্যাসিবাদের শিকড় উপড়ে ফেলতে হবে। তা না হলে দেশে ফেরার ঘোষণা দিয়ে শেখ হাসিনা বারবার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির সুযোগ নেবেন। এ পরিস্থিতি ঠেকাতে দ্রুত ফ্যাসিবাদের সঙ্গে জড়িতদের বিচার সম্পন্ন করার ওপর জোর দেন তিনি।
ইসলামী আন্দোলনের মহাসচিব একই সঙ্গে রাষ্ট্র সংস্কারের কাজেও গতি আনার আহ্বান জানান। তাঁর ভাষ্য, সংস্কারের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলা গেলে আওয়ামী ফ্যাসিবাদের চূড়ান্ত পরাজয় নিশ্চিত হবে।
বিবৃতিতে ভারতের ভূমিকার সমালোচনাও করেন মাওলানা গাজী আতাউর রহমান। তিনি বলেন, পতিত আওয়ামী লীগের প্রধান শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দেওয়ার পাশাপাশি রাজনৈতিক যোগাযোগের সুযোগ করে দিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে শত্রুতামূলক সম্পর্ক বজায় রাখার নীতি নিয়েছে। দীর্ঘমেয়াদে এ নীতি ভারতের জন্যই ক্ষতির কারণ হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নয়নের পরিবর্তে একটি স্বৈরাচারী শক্তির সঙ্গে সম্পর্ককে গুরুত্ব দেওয়ার পরিণতি ভারতকে বহন করতে হবে।
শেখ হাসিনার বিষয়ে তিনি বলেন, সরকারকে তার দৌরাত্ম্য বন্ধে ভারতের ওপর চাপ অব্যাহত রাখতে হবে। একই সঙ্গে আওয়ামী লীগের নৃশংসতা নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে প্রচারণা আরও জোরদার করার আহ্বান জানান তিনি। তাঁর দাবি, মিথ্যা প্রচারণা চালানোর ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের দক্ষতা রয়েছে।
মাওলানা গাজী আতাউর রহমান বলেন, আওয়ামী লীগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিচার যেমন নিশ্চিত করতে হবে, তেমনি রাষ্ট্রের প্রয়োজনীয় সংস্কারও এগিয়ে নিতে হবে। তাঁর মতে, এই দুই প্রক্রিয়া একসঙ্গে এগিয়ে নেওয়া গেলেই দেশে ফ্যাসিবাদ পুনরায় শক্তিশালী হওয়ার পথ বন্ধ করা সম্ভব হবে।

তিনি বলেন, ‘যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নাই, বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করে নাই, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।’
১ দিন আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।’
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার বলার একটাই কথা, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি বাংলাদেশকে খুন করেননি, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি খুন, গুম, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সেই সব সত্যের মুখোমুখি যদি তিনি হতে চান, তাহলে অবশ্যই তিনি আসবেন।
১ দিন আগে
স্থানীয় সরকারমন্ত্রী বলেন, ‘দাবি নিয়ে সংসদে এসে কথা বলেন। রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে যেভাবে বিশৃঙ্খলা করা হয়েছে তাকে কোনোভাবেই গণতন্ত্র বলা যায় না।’
১ দিন আগে