
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে তা ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স’ হবে বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ-সংক্রান্ত সরকারের খসড়া নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি প্রকাশ করা এবং অন্তত ৬০ দিনের মধ্যে জনমত গ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরকারের নতুন জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে জমায়াতে ইসলামী।
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি খাত সংস্কারের বদলে এর নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার খরচ শেষ পর্যন্ত বহন করতে হবে সাধারণ মানুষকে। তিনি বলেন, “পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ খসড়া নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এটি সংস্কার নয়, এটি হস্তান্তর। এটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স।”
দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’ এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
শমিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হল দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা। এ ছাড়া একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা, এই নীতিমালার লক্ষ্য।
জ্বালানি খাত-সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে ওই নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কাজেই এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।”
তবে জামায়াতে ইসলামী বলছে, বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিলে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ব্যবস্থা ভেঙে ‘বেসরকারি একচেটিয়া প্রভাব’ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “এ ব্যবসায় গভীর সমুদ্রবন্দর, সিংগেল পয়েন্ট মুরিং, বড় ট্যাংক টার্মিনাল, পাইপলাইন ও বিপুল ব্যাংকিং সক্ষমতা প্রয়োজন। ফলে বাস্তবে হাতেগোনা কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীই এ বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান জ্বালানি সংকট বিপিসির ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা নয়। এটি মূলত বিশ্ববাজার ও ভূরাজনৈতিক সংকটের ফল। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও দেশে ভোক্তাদের ওপর চাপ কমাতে দাম না বাড়ানোর কারণে বিপিসি প্রতিদিন প্রায় ৭৮ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বলে জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন।”
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “গত ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ কমে গিয়ে দরদাতা সংকট, বেশি দাম ও সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে।”
গোলাম পরওয়ার বলেন, “দ্রুততা আর স্বচ্ছতা পরস্পর বিরোধী নয়। কিন্তু এখানে দ্রুততার নামে স্বচ্ছতাই বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি বাজার কয়েকটি গোষ্ঠীর হাতে গেলে প্রতি লিটারে সামান্য বাড়তি মুনাফাও বছরে হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আয়ে পরিণত হতে পারে।”
জ্বালানি আমদানি-বিপণন রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থেকে কোনো গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে না দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত বাজার অর্থনীতি বা বেসরকারি বিনিয়োগের বিরোধী নয়; তারা বিরোধিতা করছে জবাবদিহিতাহীন হস্তান্তরের। প্রতিযোগিতা মানে একচেটিয়া হাতবদল নয়। সংস্কার মানে প্রতিষ্ঠান মেরামত, প্রতিষ্ঠান বিক্রি নয়। জ্বালানি নিরাপত্তা মানে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ, গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নয়।”
পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন ব্যবস্থা বেসরকারি নিয়ন্ত্রণে গেলে এলপিজি খাতের মত ‘সিন্ডিকেট তৈরি হতে পারে’ বলে মন্তব্য করেন গোলাম পারওয়ার। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত ছয়টি দাবি তুলে ধরেন তিনি—
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির আ ন ম শামছুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. আব্দুর রব, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন।

পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন বেসরকারি খাতে ছেড়ে দিলে তা ‘দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স’ হবে বলে মন্তব্য করেছে জামায়াতে ইসলামী। দলের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। এ-সংক্রান্ত সরকারের খসড়া নীতিমালাসহ সংশ্লিষ্ট সব নথি প্রকাশ করা এবং অন্তত ৬০ দিনের মধ্যে জনমত গ্রহণের সুযোগ দেওয়ার দাবি তুলেছেন।
শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মগবাজারে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সরকারের নতুন জ্বালানি নীতিমালা প্রণয়নের পদক্ষেপ নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য ও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরে জমায়াতে ইসলামী।
সংবাদ সম্মেলনে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, জ্বালানি খাত সংস্কারের বদলে এর নিয়ন্ত্রণ বেসরকারি গোষ্ঠীর হাতে তুলে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যার খরচ শেষ পর্যন্ত বহন করতে হবে সাধারণ মানুষকে। তিনি বলেন, “পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতে দেওয়ার জন্য জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ খসড়া নীতিমালা তৈরির উদ্যোগ নিয়েছে। এটি সংস্কার নয়, এটি হস্তান্তর। এটি প্রতিযোগিতা নয়, এটি দুর্নীতি ও লুটপাটের লাইসেন্স।”
দেশে নিরবচ্ছিন্ন ও নিরাপদ জ্বালানি তেল সরবরাহ নিশ্চিত করতে ‘বেসরকারি পর্যায়ে পরিশোধিত জ্বালানি আমদানিপূর্বক সংরক্ষণ, পরিবহন, বিতরণ ও বিপণন নীতিমালা, ২০২৬’ এর একটি খসড়া প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।
শমিনার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রস্তাবিত নীতিমালা প্রণয়নের মূল উদ্দেশ্য হল দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও নিরবচ্ছিন্ন সরবরাহ ব্যবস্থা বজায় রাখা। এ ছাড়া একটি স্বচ্ছ ও প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা গড়ে তোলার মাধ্যমে জরুরি বা সংকটকালীন পরিস্থিতিতে বিদ্যমান সরকারি ব্যবস্থার পাশাপাশি বেসরকারি খাতের অবকাঠামো ও বিনিয়োগ সক্ষমতাকে জাতীয় স্বার্থে ব্যবহার করা, এই নীতিমালার লক্ষ্য।
জ্বালানি খাত-সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনের মতামত ও পরামর্শ গ্রহণ করে ওই নীতিমালাটি চূড়ান্ত করা হবে বলেও জানিয়েছে জ্বালানি মন্ত্রণালয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “জনস্বার্থ, জ্বালানি নিরাপত্তা, প্রতিযোগিতামূলক বাজার ব্যবস্থা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা সম্ভব হলেই এ ধরনের নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনা করা হবে। কাজেই এই নীতিমালার মাধ্যমে কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গোষ্ঠীকে বিশেষ সুবিধা দেওয়ার সুযোগ নেই।”
তবে জামায়াতে ইসলামী বলছে, বেসরকারি খাতকে সুযোগ দিলে রাষ্ট্রীয় একচেটিয়া ব্যবস্থা ভেঙে ‘বেসরকারি একচেটিয়া প্রভাব’ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এ বিষয়ে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, “এ ব্যবসায় গভীর সমুদ্রবন্দর, সিংগেল পয়েন্ট মুরিং, বড় ট্যাংক টার্মিনাল, পাইপলাইন ও বিপুল ব্যাংকিং সক্ষমতা প্রয়োজন। ফলে বাস্তবে হাতেগোনা কয়েকটি বড় শিল্পগোষ্ঠীই এ বাজারে প্রবেশের সক্ষমতা রাখে।”
তিনি আরও বলেন, “বর্তমান জ্বালানি সংকট বিপিসির ব্যবস্থাপনাগত ব্যর্থতা নয়। এটি মূলত বিশ্ববাজার ও ভূরাজনৈতিক সংকটের ফল। বিশ্ববাজারে দাম বাড়লেও দেশে ভোক্তাদের ওপর চাপ কমাতে দাম না বাড়ানোর কারণে বিপিসি প্রতিদিন প্রায় ৭৮ কোটি টাকা লোকসান দিচ্ছে বলে জ্বালানিমন্ত্রী সংসদে জানিয়েছেন।”
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, “গত ২৮ জুলাই অর্থনৈতিক বিষয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি ২০২৬ সালের সেপ্টেম্বর-ডিসেম্বর মেয়াদের পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানির আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের সময়সীমা ৪২ দিন থেকে কমিয়ে ১০ দিন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে বড় আন্তর্জাতিক সরবরাহকারীদের অংশগ্রহণ কমে গিয়ে দরদাতা সংকট, বেশি দাম ও সিন্ডিকেটের সুযোগ তৈরি হতে পারে।”
গোলাম পরওয়ার বলেন, “দ্রুততা আর স্বচ্ছতা পরস্পর বিরোধী নয়। কিন্তু এখানে দ্রুততার নামে স্বচ্ছতাই বিসর্জন দেওয়া হচ্ছে। বছরে প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকার জ্বালানি বাজার কয়েকটি গোষ্ঠীর হাতে গেলে প্রতি লিটারে সামান্য বাড়তি মুনাফাও বছরে হাজার কোটি টাকার অতিরিক্ত আয়ে পরিণত হতে পারে।”
জ্বালানি আমদানি-বিপণন রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ থেকে কোনো গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণে না দেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, “জামায়াত বাজার অর্থনীতি বা বেসরকারি বিনিয়োগের বিরোধী নয়; তারা বিরোধিতা করছে জবাবদিহিতাহীন হস্তান্তরের। প্রতিযোগিতা মানে একচেটিয়া হাতবদল নয়। সংস্কার মানে প্রতিষ্ঠান মেরামত, প্রতিষ্ঠান বিক্রি নয়। জ্বালানি নিরাপত্তা মানে রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ, গোষ্ঠীর নিয়ন্ত্রণ নয়।”
পরিশোধিত জ্বালানি তেল আমদানি, মজুত ও বিপণন ব্যবস্থা বেসরকারি নিয়ন্ত্রণে গেলে এলপিজি খাতের মত ‘সিন্ডিকেট তৈরি হতে পারে’ বলে মন্তব্য করেন গোলাম পারওয়ার। দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সংক্রান্ত ছয়টি দাবি তুলে ধরেন তিনি—
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতের নায়েবে আমির আ ন ম শামছুল ইসলাম, সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আযাদ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য মো. আব্দুর রব, অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, ড. রেজাউল করিম, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য জাহিদুর রহমান, ব্যারিস্টার নাজিবুর রহমান মোমেন এমপি, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার এবং ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের সহকারী প্রচার সম্পাদক আব্দুস সাত্তার সুমন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘গত পরশুদিন পতিত ফ্যাসিট সরকার ভারতে বসে প্রেস কনফারেন্সের চেষ্টা করেছেন। এর প্রেক্ষিতে আমাদের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় যে ধরনের প্রতিবাদ জানিয়েছে। সে ধরনের প্রতিবাদ এর আগে কোনো সরকার জানাতে পারেনি।’
১ দিন আগে
তিনি বলেন, ‘যারা গণহত্যা এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য দায়ী, যাদের কোনো অনুশোচনা নাই, বাংলাদেশের মানুষের সামনে ক্ষমা প্রার্থনা করে নাই, তাদের কোনো রাজনীতি বাংলাদেশের মানুষ কখনো গ্রহণ করবে না।’
১ দিন আগে
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিকাশে স্বাধীন সাংবাদিকতার কোনো বিকল্প নেই। বর্তমান সময়ে গণমাধ্যমের ওপর সরকারের পক্ষ থেকে অতীতের মতো কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই। সরকার বিশ্বাস করে, একটি টেকসই গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা গড়ে তুলতে স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও বস্তুনিষ্ঠ গণমাধ্যমের ভূমিকা অপরিহার্য।’
১ দিন আগে
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা সম্পর্কে আমার বলার একটাই কথা, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি বাংলাদেশকে খুন করেননি, আমরা অস্বীকার করতে পারি না যে উনি খুন, গুম, গণহত্যার সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। সেই সব সত্যের মুখোমুখি যদি তিনি হতে চান, তাহলে অবশ্যই তিনি আসবেন।
১ দিন আগে