
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার। এ দিন দেশের সাত জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসব সমাবেশে ধানের শীষের পাশাপাশি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়া প্রার্থীদের পক্ষেও ভোট চেয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে এসব নির্বাচনি সমাবেশে আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে সারাদেশে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিন সিলেট থেকে সমাবেশ শুরু করেন তিনি। এ দিন বেলা ১২টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। সর্বশেষ নরসিংদীর সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে রাত ৪টার কিছু পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে বেলা ৩টায় মৌলভীবাজার, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হবিগঞ্জ, রাত সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, রাত সোয়া ১২টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বক্তব্য দেন তিনি। রাত ৩টায় নরসিংদীর পৌর পার্কসংলগ্ন মাঠে পৌঁছান তারেক রহমান।

এরপর ভোররাত ৪টা ১৬ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জের একটি মাঠে প্রথম দিনের শেষ নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান। সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। শেষ কয়েকটি নির্বাচনি সমাবেশে ভোররাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের অপেক্ষা করিয়ে রাখার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতেও দেখা গেছে তারেক রহমানকে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান ভোররাত সোয়া ৪টার দিকে জানান, নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনে ১৬ ঘণ্টায় সাতটি সমাবেশ শেষে বাসায় ফিরেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তারেক রহমান রাত ৪টার কিছু সময় পরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গাউসিয়ায় শেষ নির্বাচনি সমাবেশটি করেন। সেখান থেকে বাসার উদ্দেশে রওনা হন।
সিলেট থেকে টানা ১৬ ঘণ্টা সফর করেন তারেক রহমান। পথে পথে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) তারেক রহমানের নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭-এর ভাসানটেকের বিআরবি ময়দানে নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে গতকাল বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) থেকে শুরু হয়েছে ভোটের আনুষ্ঠানিক প্রচার। এ দিন দেশের সাত জেলায় নির্বাচনি সমাবেশে অংশ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এসব সমাবেশে ধানের শীষের পাশাপাশি বিএনপির সঙ্গে আসন সমঝোতা হওয়া প্রার্থীদের পক্ষেও ভোট চেয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে এসব নির্বাচনি সমাবেশে আগামী দিনে বিএনপি সরকার গঠন করতে পারলে সারাদেশে খাল খনন, ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড, বেকারদের প্রশিক্ষণ দিয়ে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বিএনপির এই শীর্ষ নেতা।

বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিন সিলেট থেকে সমাবেশ শুরু করেন তিনি। এ দিন বেলা ১২টায় সিলেট সরকারি আলিয়া মাদরাসা মাঠে প্রথম নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন তারেক রহমান। সর্বশেষ নরসিংদীর সমাবেশে বক্তব্য দিয়ে রাত ৪টার কিছু পর তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।
এর আগে বেলা ৩টায় মৌলভীবাজার, সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় হবিগঞ্জ, রাত সাড়ে ১০টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল, রাত সোয়া ১২টায় কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় বক্তব্য দেন তিনি। রাত ৩টায় নরসিংদীর পৌর পার্কসংলগ্ন মাঠে পৌঁছান তারেক রহমান।

এরপর ভোররাত ৪টা ১৬ মিনিটের দিকে নারায়ণগঞ্জের একটি মাঠে প্রথম দিনের শেষ নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বিএনপির চেয়ারম্যান। সেখান থেকে তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন। শেষ কয়েকটি নির্বাচনি সমাবেশে ভোররাত পর্যন্ত নেতাকর্মীদের অপেক্ষা করিয়ে রাখার জন্য দুঃখ প্রকাশ করতেও দেখা গেছে তারেক রহমানকে।

বিএনপির মিডিয়া সেলের অন্যতম সদস্য শায়রুল কবির খান ভোররাত সোয়া ৪টার দিকে জানান, নির্বাচনি প্রচারের প্রথম দিনে ১৬ ঘণ্টায় সাতটি সমাবেশ শেষে বাসায় ফিরেছেন তারেক রহমান। তিনি বলেন, তারেক রহমান রাত ৪টার কিছু সময় পরে নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ গাউসিয়ায় শেষ নির্বাচনি সমাবেশটি করেন। সেখান থেকে বাসার উদ্দেশে রওনা হন।
সিলেট থেকে টানা ১৬ ঘণ্টা সফর করেন তারেক রহমান। পথে পথে অনুষ্ঠিত জনসমাবেশগুলোতে বিপুলসংখ্যক মানুষের উপস্থিতি দেখা গেছে। বিএনপির মিডিয়া সেলের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আজ শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) তারেক রহমানের নিজ নির্বাচনি এলাকা ঢাকা-১৭-এর ভাসানটেকের বিআরবি ময়দানে নির্বাচনি সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন তিনি।

বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৪ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৪ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৬ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার বাজেটের মাধ্যমে জনগণকে স্বস্তি দিতে চাইলেও বিরোধীদল তা মানছে না; তবে ভোটের কালি শুকানোর আগেই সরকার নির্বাচনি প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন শুরু করেছে।
৮ দিন আগে