
বাসস

ইসলামী আন্দোলনের নামে চরমোনাই পীররা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য পবিত্র ইসলামের অপব্যবহার করছেন’ বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসাইন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য ‘গাজায় হাজার হাজার মুসলমানকে হত্যার বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকা, আর দেশের জননির্বাচিত সরকারের পদত্যাগ দাবি করা- ভন্ডামিরই নামান্তর। তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে পার্টির পক্ষে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকী, ড. মোশাররফ হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করে আসছি যে, ইসলামী আন্দোলনের নামে চরমোনাই পীররা ও হেফাজতে ইসলামের নামে কিছু নেতা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য পবিত্র ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করছে। এ জন্য তারা নিজেদের মতো একটি ‘সিন্ডিকেট ইসলাম’ বানিয়েছে। অর্থাৎ সিন্ডিকেটের মন মতো হলে, সেটা ‘ইসলাম’ আর না হলে, ‘ইসলাম' নয়’।
তিনি বলেন, অসাংবিধানিক রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা ফিলিস্তিনে নারী-শিশুসহ হাজার হাজার মুসলমান হত্যার কোনো প্রতিবাদ করে না। মনে রাখতে হবে, ধর্মব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র ইসলামের শত্রু নয়, দেশ ও দশের শত্রু, মানবতার শত্রু।
তিনি বলেন, ‘চরমোনাই পীর সাহেবকে আমরা বলেছিলাম- হয় পীরগিরি করবেন, না হয় রাজনীতি করবেন, কিন্তু মানুষের ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে পীরালী’র নামে রাজনীতি চলবে না। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে লিপ্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চরমোনাইর পীর সাহেবদের জমিদখলসহ বিভিন্ন তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে।’
মাওলানা ইসমাইল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাই- চরমোনাইর পীর সাহেব কিভাবে বিএমডব্লিউ গাড়িতে চড়েন এবং পুলিশ প্রোটেকশনেই বা চলেন কিভাবে ? হুজুর, এত টাকা কোথা থেকে পাচ্ছেন আপনি ? সরকারের কাছে জানতে চাই, চরমোনাই পীর সাহেব কিভাবে পুলিশ প্রোটেকশন পায়, জাতি তা জানতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘চরমোনাই পীর সাহেব হুন্ডির মাধ্যমে বহু টাকা বিদেশ থেকে সংগ্রহ করেন বলে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে- এ বিষয়ে সরকারকে তদন্ত করতে হবে। চরমোনাই পীরের সব ব্যাংক-ব্যালেন্স, জায়গা-জমি আর যা কিছু নামে-বেনামে আছে, দুদকের মাধ্যমে তদন্তের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম তাদের প্রতিষ্ঠাতা আমীর আল্লামা শফীকে হত্যার ষড়যন্ত্রে তাকে যেভাবে হাটহাজারী মাদ্রাসার কক্ষে নির্যাতন করা হয়েছে, অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়াসহ অমানবিক আচরণের করুণ দৃশ্য বিভিন্ন মিডিয়ায় এসেছে, তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলায়ও এ সব অভিযোগ করা হয়েছে, তার ভক্তবৃন্দও এর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ইসমাইল বলেন, এই হত্যা ষড়যন্ত্র এবং তৎপরবর্তী মাদ্রাসা দখলের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা জোর দাবি জানাই।
দেশবাসী মনে করে, নির্বাচনের আগে দেশবিরোধী চক্রের ইন্ধনে কিছু হেফাজত নেতা ও চরমোনাই পীর দেশে শান্তি বিনষ্ট করতে চায়’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘সেই কারণেই বিতর্কিত হুজুর মামুনুল হককে নিয়ে এতদিন তারা চুপ থাকলেও হঠাৎ তার মুক্তির দাবিতে ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।
বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের ষড়যন্ত্রে জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করতে হবে।’ মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘এদের ভন্ডামি যখন দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে, তখন তারা ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে মিথ্যা বিবৃতির আশ্রয় নিয়েছে। তাই আমরা এ সকল ভন্ড ও ফেতনা সৃষ্টিকারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি মুসলমান ভাই-বোনদের সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

ইসলামী আন্দোলনের নামে চরমোনাই পীররা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য পবিত্র ইসলামের অপব্যবহার করছেন’ বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ ইউনাইটেড ইসলামী পার্টির চেয়ারম্যান মাওলানা মোঃ ইসমাইল হোসাইন। তিনি বলেন, নিজেদের স্বার্থের জন্য ‘গাজায় হাজার হাজার মুসলমানকে হত্যার বিরুদ্ধে নিশ্চুপ থাকা, আর দেশের জননির্বাচিত সরকারের পদত্যাগ দাবি করা- ভন্ডামিরই নামান্তর। তিনি আজ দুপুরে রাজধানীর তোপখানা রোডে জাতীয় প্রেসক্লাবের মানিক মিয়া হলে পার্টির পক্ষে ডাকা সংবাদ সম্মেলনে এ সব কথা বলেন। মাওলানা শাহ মোহাম্মদ ওমর ফারুক, মাওলানা মহিউদ্দিন ফারুকী, ড. মোশাররফ হোসেনসহ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘আমরা অত্যন্ত দুঃখের সাথে লক্ষ্য করে আসছি যে, ইসলামী আন্দোলনের নামে চরমোনাই পীররা ও হেফাজতে ইসলামের নামে কিছু নেতা রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিলের জন্য পবিত্র ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করছে। এ জন্য তারা নিজেদের মতো একটি ‘সিন্ডিকেট ইসলাম’ বানিয়েছে। অর্থাৎ সিন্ডিকেটের মন মতো হলে, সেটা ‘ইসলাম’ আর না হলে, ‘ইসলাম' নয়’।
তিনি বলেন, অসাংবিধানিক রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের জন্য তারা ফিলিস্তিনে নারী-শিশুসহ হাজার হাজার মুসলমান হত্যার কোনো প্রতিবাদ করে না। মনে রাখতে হবে, ধর্মব্যবসায়ীরা শুধুমাত্র ইসলামের শত্রু নয়, দেশ ও দশের শত্রু, মানবতার শত্রু।
তিনি বলেন, ‘চরমোনাই পীর সাহেবকে আমরা বলেছিলাম- হয় পীরগিরি করবেন, না হয় রাজনীতি করবেন, কিন্তু মানুষের ধর্মীয় আবেগ ব্যবহার করে পীরালী’র নামে রাজনীতি চলবে না। কিন্তু তিনি রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে লিপ্ত হয়েছেন। শুধু তাই নয়, দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে চরমোনাইর পীর সাহেবদের জমিদখলসহ বিভিন্ন তথ্যও পাওয়া যাচ্ছে।’
মাওলানা ইসমাইল সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনাদের মাধ্যমে জাতিকে জানাতে চাই- চরমোনাইর পীর সাহেব কিভাবে বিএমডব্লিউ গাড়িতে চড়েন এবং পুলিশ প্রোটেকশনেই বা চলেন কিভাবে ? হুজুর, এত টাকা কোথা থেকে পাচ্ছেন আপনি ? সরকারের কাছে জানতে চাই, চরমোনাই পীর সাহেব কিভাবে পুলিশ প্রোটেকশন পায়, জাতি তা জানতে চায়।’
তিনি বলেন, ‘চরমোনাই পীর সাহেব হুন্ডির মাধ্যমে বহু টাকা বিদেশ থেকে সংগ্রহ করেন বলে আমাদের কাছে তথ্য এসেছে- এ বিষয়ে সরকারকে তদন্ত করতে হবে। চরমোনাই পীরের সব ব্যাংক-ব্যালেন্স, জায়গা-জমি আর যা কিছু নামে-বেনামে আছে, দুদকের মাধ্যমে তদন্তের জোর দাবি জানাচ্ছি।’
মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘হেফাজতে ইসলাম তাদের প্রতিষ্ঠাতা আমীর আল্লামা শফীকে হত্যার ষড়যন্ত্রে তাকে যেভাবে হাটহাজারী মাদ্রাসার কক্ষে নির্যাতন করা হয়েছে, অক্সিজেন মাস্ক খুলে নেওয়াসহ অমানবিক আচরণের করুণ দৃশ্য বিভিন্ন মিডিয়ায় এসেছে, তার পরিবারের পক্ষ থেকে মামলায়ও এ সব অভিযোগ করা হয়েছে, তার ভক্তবৃন্দও এর প্রতিবাদ জানিয়েছে।
ইসমাইল বলেন, এই হত্যা ষড়যন্ত্র এবং তৎপরবর্তী মাদ্রাসা দখলের সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার জন্য আমরা জোর দাবি জানাই।
দেশবাসী মনে করে, নির্বাচনের আগে দেশবিরোধী চক্রের ইন্ধনে কিছু হেফাজত নেতা ও চরমোনাই পীর দেশে শান্তি বিনষ্ট করতে চায়’ অভিযোগ করে তিনি বলেন, ‘সেই কারণেই বিতর্কিত হুজুর মামুনুল হককে নিয়ে এতদিন তারা চুপ থাকলেও হঠাৎ তার মুক্তির দাবিতে ২৯ ডিসেম্বর ঢাকায় মহাসমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে।
বিএনপি-জামায়াতের রাজনৈতিক স্বার্থ উদ্ধারের ষড়যন্ত্রে জড়িত সবাইকে খুঁজে বের করতে হবে।’ মাওলানা ইসমাইল বলেন, ‘এদের ভন্ডামি যখন দেশবাসীর কাছে উন্মোচিত হয়েছে, তখন তারা ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে নিজেদের অপকর্ম আড়াল করতে মিথ্যা বিবৃতির আশ্রয় নিয়েছে। তাই আমরা এ সকল ভন্ড ও ফেতনা সৃষ্টিকারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে দেশের প্রতিটি মুসলমান ভাই-বোনদের সচেতন থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’

মঙ্গলবার (১৬ জুন) সংসদের এলডি হলে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে জামায়াত আমির বলেন, জনগণ তাদের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে পাঠিয়েছে। তাই তারা যুক্তি ও বাস্তবতার ভিত্তিতে বিরোধী দলের দায়িত্ব পালন করবেন।
৫ দিন আগে
বিভিন্ন গোষ্ঠী ‘আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে’ উল্লেখ করে তাদের প্রতিহত করার আহ্বান জানিয়ছেন স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে আমরা সবসময় সবকিছু সোজা পথে পাই না। আজকে আবার বিভিন্নভাবে বিভিন্ন গোষ্ঠী মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। তারা বিভিন্নভাবে সমস্যা তৈরি করছেন, আইনশৃঙ্খলা পর
৫ দিন আগে
সাংবাদিকদের সঙ্গে এ মতবিনিময় সভায় দেশের সমসাময়িক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সরকারের ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। তবে অনুষ্ঠান শেষে বিশ্বকাপ ফুটবল নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত মন্তব্য সাংবাদিকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ ও হাস্যরসের জন্ম দেয়।
৬ দিন আগে
বিএনপির মহাসচিব বলেন, দুর্ভিক্ষপীড়িত একটি রাষ্ট্রকে টেনে তুলেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান। দেশে স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং গণতন্ত্রকে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় চলতে দেওয়ার লক্ষ্য ছিল তার। তিনি আরও ১০ বছর বেঁচে থাকলে আজকে বাংলাদেশ একটি অনন্য দেশ হিসেবে গড়ে উঠতো এবং সমাজে এতো নেতিবাচকতা তৈরি হতো না
৮ দিন আগে