
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসির দেয়ালে একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র আঁকা হয়েছে; যেখানে বিরোধী দল বিএনপির একাধিক নেতা এবং সরকারবিরোধী বলে পরিচিত কয়েকজনের মুখাবয়ব স্থান পেয়েছে।
ব্যঙ্গচিত্রের বড় অংশজুড়ে আছে লাঠিসোঁটা, তরবারি ও আগুন হাতে ঘোড়ার পিঠে সওয়ার একজন রাজনৈতিক নেতা, যার সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুখাবয়বের মিল রয়েছে। এই নেতার মাথার ওপর যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগানোর দৃশ্যপট আঁকা হয়েছে।
ব্যঙ্গচিত্রে আরও দেখা যায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ কয়েকজন জামায়াত নেতাকে, যাদের হাতে লাঠি, ছুরি বা মশাল।
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে দেখা যায় গাভির দুধ দোয়াতে। আর গাভির মুখে বসানো হয়েছে আ স ম আব্দুর রবের মুখমণ্ডলের ছবি। গাভিকে ঘাস খাওয়াচ্ছেন এক নেতা।
এই দৃশ্যপটে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে দেখা যায় ক্যামেরা হাতে। শহিদুল আলমের দুটি ফিগার ব্যবহার করা হয়েছে ব্যঙ্গচিত্রে; একটিতে ছবি তোলা অবস্থায়, আরেকটিতে ক্যামেরা হাতে। ক্যামেরা হাতে ফিগারের সঙ্গে মার্কিন পতাকার রংয়ের ব্যবহার দেখা যায়।
ব্যঙ্গচিত্রে একটি হাঁসের ছবি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে ব্যঙ্গ করে সরকার সমর্থক কেউ কেউ প্রকাশ্যে ‘হাঁস’ বলতেন। ব্যঙ্গচিত্রে হাঁসের গলায় লেখা ‘পি’ যা পিটারের আদ্যক্ষর।
ব্যাঙের মুখের উপর বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মুখের ছবি বসিয়ে মাইক্রোফোনের নিচে লেখা হয়েছে ‘ভয়েস ফ্রম লন্ডন’, যার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে তারেক রহমানের কথা তুলে ধরেন রিজভী।
একটি প্রাণীর ওপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখমণ্ডলের ছবি বিকৃতভাবে বসানো হয়েছে। এ ছাড়া গয়েশ্বর রায়ের ঘাড়ের ওপর লাঠি হাতে মির্জা ফখরুলের মুখাবয়ব দেখা যায়।
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে টাকার থলি এগিয়ে দিতে দেখা যায় এমন এক নারীকে যার সঙ্গে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের চেহারার মিল আছে। ড. ইউনূসকে খালি গা ও খালি পায়ে থাকা একদল মানুষ হাত বাড়িয়ে পেছন থেকে ডাকছেন, যারা দেখতে ক্ষুদ্রঋণের গ্রাহকের মতো।
ব্যঙ্গচিত্রকে যিনি এঁকেছেন, তার নাম বা স্বাক্ষর অবশ্য দেওয়া হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়াল এখন মূলত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের স্লোগান এবং বক্তব্যে ভরপুর।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় টিএসসির দেয়ালে একটি রাজনৈতিক ব্যঙ্গচিত্র আঁকা হয়েছে; যেখানে বিরোধী দল বিএনপির একাধিক নেতা এবং সরকারবিরোধী বলে পরিচিত কয়েকজনের মুখাবয়ব স্থান পেয়েছে।
ব্যঙ্গচিত্রের বড় অংশজুড়ে আছে লাঠিসোঁটা, তরবারি ও আগুন হাতে ঘোড়ার পিঠে সওয়ার একজন রাজনৈতিক নেতা, যার সঙ্গে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের মুখাবয়বের মিল রয়েছে। এই নেতার মাথার ওপর যাত্রীবাহী বাসে আগুন লাগানোর দৃশ্যপট আঁকা হয়েছে।
ব্যঙ্গচিত্রে আরও দেখা যায় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও গয়েশ্বর চন্দ্র রায়সহ কয়েকজন জামায়াত নেতাকে, যাদের হাতে লাঠি, ছুরি বা মশাল।
ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরকে দেখা যায় গাভির দুধ দোয়াতে। আর গাভির মুখে বসানো হয়েছে আ স ম আব্দুর রবের মুখমণ্ডলের ছবি। গাভিকে ঘাস খাওয়াচ্ছেন এক নেতা।
এই দৃশ্যপটে আলোকচিত্রী শহিদুল আলমকে দেখা যায় ক্যামেরা হাতে। শহিদুল আলমের দুটি ফিগার ব্যবহার করা হয়েছে ব্যঙ্গচিত্রে; একটিতে ছবি তোলা অবস্থায়, আরেকটিতে ক্যামেরা হাতে। ক্যামেরা হাতে ফিগারের সঙ্গে মার্কিন পতাকার রংয়ের ব্যবহার দেখা যায়।
ব্যঙ্গচিত্রে একটি হাঁসের ছবি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে ব্যঙ্গ করে সরকার সমর্থক কেউ কেউ প্রকাশ্যে ‘হাঁস’ বলতেন। ব্যঙ্গচিত্রে হাঁসের গলায় লেখা ‘পি’ যা পিটারের আদ্যক্ষর।
ব্যাঙের মুখের উপর বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভীর মুখের ছবি বসিয়ে মাইক্রোফোনের নিচে লেখা হয়েছে ‘ভয়েস ফ্রম লন্ডন’, যার মাধ্যমে বোঝানো হয়েছে তারেক রহমানের কথা তুলে ধরেন রিজভী।
একটি প্রাণীর ওপর বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের মুখমণ্ডলের ছবি বিকৃতভাবে বসানো হয়েছে। এ ছাড়া গয়েশ্বর রায়ের ঘাড়ের ওপর লাঠি হাতে মির্জা ফখরুলের মুখাবয়ব দেখা যায়।
নোবেল বিজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে টাকার থলি এগিয়ে দিতে দেখা যায় এমন এক নারীকে যার সঙ্গে সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের চেহারার মিল আছে। ড. ইউনূসকে খালি গা ও খালি পায়ে থাকা একদল মানুষ হাত বাড়িয়ে পেছন থেকে ডাকছেন, যারা দেখতে ক্ষুদ্রঋণের গ্রাহকের মতো।
ব্যঙ্গচিত্রকে যিনি এঁকেছেন, তার নাম বা স্বাক্ষর অবশ্য দেওয়া হয়নি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন দেয়াল এখন মূলত বাংলাদেশ ছাত্রলীগের স্লোগান এবং বক্তব্যে ভরপুর।

ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
১ দিন আগে
দলটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সংবাদ সম্মেলনে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতিসহ গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বিষয়ে দলের অবস্থান তুলে ধরা হতে পারে।
১ দিন আগে
জামায়াতের পাঠানো চিঠিতে বলা হয়েছে, গাজী নজরুল ইসলামের বিরুদ্ধে প্রকাশিত বিভিন্ন অভিযোগ নিয়ে দলীয় তদন্ত পরিচালনা করা হয়। সেই তদন্তে তাঁর নৈতিক স্খলনের প্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় গঠনতন্ত্রের ৬২ নম্বর ধারা অনুযায়ী তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
২ দিন আগে