
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছেন সাত নারী প্রার্থী। তাদের মধ্যে ছয়জন ছিলেন বিএনপির প্রার্থী। বাকি একজন স্বতন্ত্র। তবে স্বতন্ত্র হিসেবে জয় পাওয়া রুমিন ফারহানাও বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোট করেছিলেন। সে হিসাবে সংসদে যাওয়ার পথে থাকা সাত নারীর সবাই মূলত বিএনপি নেতা।
যে সাত নারী এবারের জাতীয় নির্বাচনে জয় পেলেন তারা হলেন— মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল, নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণা করা বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা এক লাখ ৬৬ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬২ হাজার ৯১৬ ভোট।
ঝালকাঠি-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আসনটির সাবেক এমপি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শেখ নেয়ামুল করীম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৩ হাজার ২৯৫।
সিলেট-২ আসনে জয় পেয়েছেন ‘গুম’ হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। ব্যবধান ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট।
ফরিদপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে খেলাফতে মজলিশের মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। সে হিসাবে শামা ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
ফরিদপুর-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুত তাওয়াব পেয়েছেন এক লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ২৪ হাজার ৪৪০।
বেসরকারি ফলাফল বলছে, নাটোর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল জয়ী হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩০১ ভোট। ব্যবধান ১০ হাজার ৩৮৩।
ধানের শীষের ছয় প্রার্থীর বাইরে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা। দলের নির্দেশন অমান্য করে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এই নেতা হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। রুমিন জিতেছেন ৩৮ হাজার ১১৩ ভোটে।
এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোননয়ন দেওয়ার একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল। বাস্তবে বিএনপি সাড়ে ৩ শতাংশের মতো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, জামায়াত কোনো প্রার্থীই দিতে পারেনি।
সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে দুই হাজার ২৮ জনের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র ৮৫ জন। এর মধ্যে জিতলেন মাত্র সাতজন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয় পেয়েছেন সাত নারী প্রার্থী। তাদের মধ্যে ছয়জন ছিলেন বিএনপির প্রার্থী। বাকি একজন স্বতন্ত্র। তবে স্বতন্ত্র হিসেবে জয় পাওয়া রুমিন ফারহানাও বিএনপি থেকে মনোনয়ন না পেয়ে ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হিসেবে ভোট করেছিলেন। সে হিসাবে সংসদে যাওয়ার পথে থাকা সাত নারীর সবাই মূলত বিএনপি নেতা।
যে সাত নারী এবারের জাতীয় নির্বাচনে জয় পেলেন তারা হলেন— মানিকগঞ্জ-৩ আসনে আফরোজা খান রিতা, ঝালকাঠি-২ আসনে ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো, সিলেট-২ আসনে তাহসিনা রুশদীর লুনা, ফরিদপুর-২ আসনে শামা ওবায়েদ, ফরিদপুর-৩ আসনে নায়াব ইউসুফ কামাল, নাটোর-১ আসনে ফারজানা শারমিন পুতুল ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার ঘোষণা করা বেসরকারি ফলাফলে দেখা যায়, মানিকগঞ্জ-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী আফরোজা খানম রিতা এক লাখ ৬৬ হাজার ১৭৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট সমর্থিত বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. সাঈদ নূর পেয়েছেন ৬২ হাজার ৯১৬ ভোট।
ঝালকাঠি-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও আসনটির সাবেক এমপি ইসরাত সুলতানা ইলেন ভুট্টো ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর শেখ নেয়ামুল করীম দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৮০৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ৪৩ হাজার ২৯৫।
সিলেট-২ আসনে জয় পেয়েছেন ‘গুম’ হওয়া বিএনপি নেতা এম ইলিয়াস আলীর স্ত্রী তাহসিনা রুশদীর লুনা, পেয়েছেন এক লাখ ১৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী খেলাফত মজলিসের মুহাম্মদ মুনতাছির আলী পেয়েছেন ৩৮ হাজার ৬৩৫ ভোট। ব্যবধান ৭৯ হাজার ৩২১ ভোট।
ফরিদপুর-২ আসনে বেসরকারি ফলাফলে ধানের শীষের প্রার্থী শামা ওবায়েদ পেয়েছেন এক লাখ ২০ হাজার ৯০৯ ভোট। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী রিকশা প্রতীকে খেলাফতে মজলিশের মো. আকরাম আলী পেয়েছেন ৮৭ হাজার ৯৫৬ ভোট। সে হিসাবে শামা ৩২ হাজার ৯৫৩ ভোটের ব্যবধানে জয় পেয়েছেন।
ফরিদপুর-৩ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে এক লাখ ৪৮ হাজার ৫৪৫ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিএনপির চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. আবদুত তাওয়াব পেয়েছেন এক লাখ ২৪ হাজার ১১৫ ভোট। ভোটের ব্যবধান ২৪ হাজার ৪৪০।
বেসরকারি ফলাফল বলছে, নাটোর-১ আসনে বিএনপির প্রার্থী ফারজানা শারমিন পুতুল জয়ী হয়েছেন এক লাখ এক হাজার ৬৮৪ ভোট পেয়ে। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী পেয়েছেন ৯১ হাজার ৩০১ ভোট। ব্যবধান ১০ হাজার ৩৮৩।
ধানের শীষের ছয় প্রার্থীর বাইরে একমাত্র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে জয় পেয়েছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনে রুমিন ফারহানা। দলের নির্দেশন অমান্য করে বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত এই নেতা হাঁস প্রতীকে পেয়েছেন এক লাখ ১৮ হাজার ৫৪৭ ভোট। নিকটবর্তী প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ের মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিব খেজুরগাছ প্রতীকে পেয়েছেন ৮০ হাজার ৪৩৪ ভোট। রুমিন জিতেছেন ৩৮ হাজার ১১৩ ভোটে।
এর আগে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে রাজনৈতিক দলগুলোকে জাতীয় নির্বাচনে ৫ শতাংশ নারী প্রার্থী মনোননয়ন দেওয়ার একটি রূপরেখা দেওয়া হয়েছিল। বাস্তবে বিএনপি সাড়ে ৩ শতাংশের মতো নারী প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিল, জামায়াত কোনো প্রার্থীই দিতে পারেনি।
সব মিলিয়ে এ নির্বাচনে দুই হাজার ২৮ জনের মধ্যে নারী প্রার্থী ছিলেন মাত্র ৮৫ জন। এর মধ্যে জিতলেন মাত্র সাতজন।

শনিবার সন্ধ্যায় মাসব্যাপী এ কর্মসূচি ঘোষণার ঘণ্টাখানেকের মধ্যেই গোপালগঞ্জের পদযাত্রা কর্মসূচি তালিকা থেকে বাদ দেয় দলটি।
২ দিন আগে
বর্তমানে দেশে মুক্ত পরিবেশে নির্বিঘ্নে সবাই সবার কথা বলতে পারছে, যা অনেক দিন এ দেশে ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভী।
৪ দিন আগে
শারীরিক অসুস্থতার কারণে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী আপাতত তার সঙ্গে সাক্ষাৎ না করার অনুরোধ জানানো হয়েছে।
৬ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, জুলাই হত্যা মামলার তদন্ত ও বিচার ধীরগতিতে হচ্ছে। এটা আরও দ্রুত করতে হবে। ওসমান হাদির হত্যাকারীদের দেশে ফেরাতে হবে। শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে ফাঁসির রায় কার্যকর করতে হবে।
৬ দিন আগে