
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৩৭৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জোনায়েদ সাকি তার দল গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি আর ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে নির্বাচনে জিততে পারেননি তিনি।
পরে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন তার দলের নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হয়েছিল তাকে। সে নির্বাচনেও জয় পাননি তিনি।
এবারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের সমর্থন পান তিনি। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী হিসেবে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। তারই সূত্র ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোটের সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান এই ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এ আসনের ৯৮টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে এক লাখ ৪৯ হাজার ৬০৩টি।
ফলাফলের তথ্য বলছে, এ আসনে মাথাল প্রতীকে জোনায়েদ সাকি ভোট পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৩৪২টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬৭টি ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে ৯৮টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটের ভোটও যোগ করা হয়েছে। আসনের মোট ভোটার দুই লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ (বাঞ্ছারামপুর) আসনে জয় পেয়েছেন বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক জোনায়েদ সাকি। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে ৫৫ হাজার ৩৭৫ ভোট বেশি পেয়েছেন তিনি।
ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জোনায়েদ সাকি তার দল গণসংহতি আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। ২০১৫ সালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র নির্বাচনে অংশ নিয়েছিলেন তিনি। জনসম্পৃক্ত কর্মসূচি আর ব্যতিক্রমধর্মী প্রচারের মাধ্যমে ভোটারদের দৃষ্টি আকর্ষণ করলেও সে নির্বাচনে জিততে পারেননি তিনি।
পরে ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১২ আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন। তখন তার দলের নিবন্ধন না থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী হতে হয়েছিল তাকে। সে নির্বাচনেও জয় পাননি তিনি।
এবারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি জোটের সমর্থন পান তিনি। এর আগে দীর্ঘদিন ধরে রাজপথে বিএনপির যুগপৎ আন্দোলনের সঙ্গী হিসেবে আওয়ামী লীগবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন তিনি। তারই সূত্র ধরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে বিএনপি জোটের সমর্থন পেয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার রাত ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান এই ফলাফল ঘোষণা করেন। তিনি জানান, এ আসনের ৯৮টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে এক লাখ ৪৯ হাজার ৬০৩টি।
ফলাফলের তথ্য বলছে, এ আসনে মাথাল প্রতীকে জোনায়েদ সাকি ভোট পেয়েছেন ৯৫ হাজার ৩৪২টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. মহসীন দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৩৯ হাজার ৯৬৭টি ভোট।
রিটার্নিং কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জাহান জানান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে ৯৮টি কেন্দ্রের সব কটির ফলাফল ঘোষণা করা হয়েছে। পোস্টাল ব্যালটের ভোটও যোগ করা হয়েছে। আসনের মোট ভোটার দুই লাখ ৮৯ হাজার ৬৭৪। ভোট পড়েছে ৫২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

তিনি আরও বলেন, শুধু আন্দোলন নয়, আমাদের সাবেক আমির আন্দোলনের নেতা— যিনি তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আদায়ের জন্যে ১৯৭২ সালে বক্তব্য দিয়েছেন। ১৯৭৬ সালে বক্তব্য দিয়েছেন। ১৯৪৮ সালে বক্তব্য দিয়েছেন। মরহুম শেখ মুজিবের মুক্তির জন্য যে ডাইরেক্ট অ্যাকশন কমিটি হয়েছিল। সেই অ্যাকশন কমিটির সেক্রেটার
২ দিন আগে
হঠাৎ অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন পরিচালনা কমিটির চেয়ারম্যান সারজিস আলম।
২ দিন আগে
জাতীয় সংসদে মুক্তিযুদ্ধ ও রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে বিতর্কের জেরে মুখোমুখি অবস্থানে দেখা গেছে কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান এবং জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে।
২ দিন আগে
কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা ফজলুর রহমান সংসদে বলেছেন, মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের কেউ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী করতে পারে না। আজ মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ অধিবেশনে বক্তব্য দেওয়ার সময় বিরোধী দলীয় নেতা ও জামায়াত আমিরকে 'খোঁচা' দিয়ে এমন বক্তব্য দেন তিনি।
২ দিন আগে