
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেত্রী ফারাহ এমদাদ। জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘সংগঠক’ পদে ‘সম্মতি ও অবগত’ করা ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে আজ শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি।
এর আগে আজ দুপুরে এনসিপির নারী উইং ‘জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগপত্র শেয়ার করে ফারাহা এমদাদ লিখেছেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত। সবাই ভালো থাকবেন।’
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফারাহা এমদাদকে ‘সংগঠক’ পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এ বিষয়ে পূর্বানুমতি না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সভাপতির বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সংগঠক পদে মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে তার কোনো সম্মতি নেওয়া হয়নি বা তাকে অবহিতও করা হয়নি। পূর্ব অনুমতি ছাড়া এমন দায়িত্ব দেওয়া সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক মাস ধরে তিনি এনসিপির কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি কেন্দ্রীয় নারী শক্তির সংগঠক ও মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কের পদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।
ফারাহা এমদাদ জানান, তার সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই তাকে নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা অনৈতিক। তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মাসুমুল বারী কাউছার বলেন, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অভিমান করে ফারাহা এমদাদ পদত্যাগ করেছেন। তাকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার নিজের।

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন দলটির কেন্দ্রীয় নেত্রী ফারাহ এমদাদ। জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে ‘সংগঠক’ পদে ‘সম্মতি ও অবগত’ করা ছাড়াই অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগ তুলে আজ শনিবার বিকেলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ঘোষণা দিয়ে পদত্যাগ করেন তিনি।
এর আগে আজ দুপুরে এনসিপির নারী উইং ‘জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এই কমিটি ঘোষণার কিছুক্ষণ পরই দল থেকে পদত্যাগ করেন তিনি।
নিজের ফেসবুক আইডিতে পদত্যাগপত্র শেয়ার করে ফারাহা এমদাদ লিখেছেন, ‘এনসিপির সঙ্গে আমার পথচলা এখানেই শেষ। সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাকালে যদি কারও মনে কষ্ট দিয়ে থাকি, তার জন্য দুঃখিত। সবাই ভালো থাকবেন।’
জানা গেছে, শনিবার দুপুরে জাতীয় নারী শক্তির ৫৩ সদস্যবিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটিতে ফারাহা এমদাদকে ‘সংগঠক’ পদে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। তবে এ বিষয়ে পূর্বানুমতি না নেওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টি ও জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক ও সভাপতির বরাবর পাঠানো পদত্যাগপত্রে তিনি উল্লেখ করেন, ১৮ এপ্রিল ২০২৬ তারিখের বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে তিনি জানতে পারেন যে তাকে কেন্দ্রীয় কমিটিতে সংগঠক পদে মনোনীত করা হয়েছে। কিন্তু এ বিষয়ে তার কোনো সম্মতি নেওয়া হয়নি বা তাকে অবহিতও করা হয়নি। পূর্ব অনুমতি ছাড়া এমন দায়িত্ব দেওয়া সাংগঠনিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও জানান, গত কয়েক মাস ধরে তিনি এনসিপির কুমিল্লা মহানগরের যুগ্ম সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। বর্তমান পরিস্থিতিতে তিনি কেন্দ্রীয় নারী শক্তির সংগঠক ও মহানগর কমিটির যুগ্ম সমন্বয়কের পদ থেকে তাৎক্ষণিকভাবে পদত্যাগ করেছেন।
ফারাহা এমদাদ জানান, তার সঙ্গে কোনো ধরনের আলোচনা ছাড়াই তাকে নতুন কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যা অনৈতিক। তাই স্বেচ্ছায় পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি।
এ বিষয়ে কুমিল্লা মহানগর এনসিপির যুগ্ম সমন্বয়কারী মাসুমুল বারী কাউছার বলেন, জাতীয় নারী শক্তির কেন্দ্রীয় কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় অভিমান করে ফারাহা এমদাদ পদত্যাগ করেছেন। তাকে সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনার জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত তার নিজের।

রাশেদ খানের ভাষ্য, মীর শাহে আলমকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ঘনিষ্ঠ হিসেবে তুলে ধরে তার সমালোচনার আড়ালে মূলত প্রধানমন্ত্রীকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে।
২ দিন আগে
শফিকুর রহমান বলেন, “ইন্টেরিম গভর্নমেন্টের পরিচয় ছিল নিরপেক্ষ, দল নিরপেক্ষ। তারাও এই ষড়যন্ত্রে শরিক ছিল। এটা তারাই স্বীকার করেছে যে, ষড়যন্ত্র করে ১১ দলকে হারানো হয়েছে।”
৩ দিন আগে
সাভারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সমাবেশে ককটেল হামলা এবং কয়েকজন আহত হওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি। একই সঙ্গে স্থানীয় প্রশাসন এ হামলার দায় এড়াতে পারে না উল্লেখ করে দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানিয়েছে দলটি।
৪ দিন আগে
রাশেদ খাঁন লেখেন, “আমরা না হয় বিরোধিতা বা সমালোচনা করতে পারি। কিন্তু একসঙ্গে একজোটে থেকে কীভাবে এনসিপির উত্থান ও জাগরণ ঠেকাতে জাশি (জামায়াত-শিবির) এমন ফ্রেমিং করা শুরু করলো? যেখানে জাশির (জামায়াত-শিবির) পক্ষ থেকে বিবৃতি বা বিক্ষোভ করে জোটসঙ্গীদের পাশে থাকার কথা ছিল।”
৪ দিন আগে