
রাবি প্রতিনিধি

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আটক তিন শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে এই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করে নগরীর মতিহার থানা পুলিশ। পরে বিকাল ৪টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত শিক্ষকেরা উপস্থিত থেকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীদের।
পুলিশ ও শিক্ষকদের সূত্র জানা যায়, বুধবার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সৈয়দ সামিউল বাসিত, মাজেদ হাসান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পরে দিবাগত ১টা পর নগরীর মতিহার থেকে এই তিনজনকে ছাড়িয়ে আনেন শিক্ষকেরা।
তবে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নগরের মহিষবাথান এলাকা থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হাসান এবং আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রত্যয়কে আটক করা হয়। প্রত্যয়কে রাজপাড়া থানা-পুলিশ এবং রিফাত হাসানকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করে। তবে এই দুইজন শিক্ষার্থী অন্য থানায় আটক হওয়ায় তাদের ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি ঘিরে এদের আটক করেছিল পুলিশ। তারা বলছেন, কারফিউ মধ্যে শিক্ষার্থীরা আইন ভঙ্গ করেছেন। আন্দোলনকে দমানোর জন্য শিক্ষার্থীদের আটক করা হয়েছে। পুলিশ মনে করছে, শিক্ষার্থীরা যে ধরনের দাবি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে আন্দোলনটা যাতে না ছড়াতে পারে তাই তারা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের আটকে খবর শুনে বিকাল ৪টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকেরা থানায় ছুটে যান। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষকদের সংখ্যা থানাগুলোতে বাড়তে থাকে। মতিহার থানায় আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে অবস্থা করছিলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রোবাইদা আখতার, ইনস্টিটিউট অব ইংলিশ অ্যান্ড আদার ল্যাঙ্গুয়েজের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার, নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক মো. হাবিব জাকারিয়াসহ অন্তত ২০ শিক্ষক।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আটক তিন শিক্ষার্থীকে মধ্যরাতে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।
বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা থেকে এই তিন শিক্ষার্থীকে আটক করে নগরীর মতিহার থানা পুলিশ। পরে বিকাল ৪টা থেকে দিবাগত রাত ১টা পর্যন্ত শিক্ষকেরা উপস্থিত থেকে থানা থেকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসেন শিক্ষার্থীদের।
পুলিশ ও শিক্ষকদের সূত্র জানা যায়, বুধবার দুপুরের দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিকেল সেন্টারের সামনে থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী সৈয়দ সামিউল বাসিত, মাজেদ হাসান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে থেকে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী নাইম ইসলামকে আটক করে পুলিশ। পরে দিবাগত ১টা পর নগরীর মতিহার থেকে এই তিনজনকে ছাড়িয়ে আনেন শিক্ষকেরা।
তবে বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে নগরের মহিষবাথান এলাকা থেকে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী রিফাত হাসান এবং আইন বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী প্রত্যয়কে আটক করা হয়। প্রত্যয়কে রাজপাড়া থানা-পুলিশ এবং রিফাত হাসানকে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি) আটক করে। তবে এই দুইজন শিক্ষার্থী অন্য থানায় আটক হওয়ায় তাদের ছাড়ের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
আটক হওয়া শিক্ষার্থীদের উদ্ধারের বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম কনক বলেন, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কর্মসূচি ঘিরে এদের আটক করেছিল পুলিশ। তারা বলছেন, কারফিউ মধ্যে শিক্ষার্থীরা আইন ভঙ্গ করেছেন। আন্দোলনকে দমানোর জন্য শিক্ষার্থীদের আটক করা হয়েছে। পুলিশ মনে করছে, শিক্ষার্থীরা যে ধরনের দাবি নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে আন্দোলনটা যাতে না ছড়াতে পারে তাই তারা কঠোর পদক্ষেপ নিচ্ছে।
শিক্ষার্থীদের আটকে খবর শুনে বিকাল ৪টা থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষকেরা থানায় ছুটে যান। সন্ধ্যার দিকে শিক্ষকদের সংখ্যা থানাগুলোতে বাড়তে থাকে। মতিহার থানায় আটক ছাত্রদের মুক্তির দাবিতে অবস্থা করছিলেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক রোবাইদা আখতার, ইনস্টিটিউট অব ইংলিশ অ্যান্ড আদার ল্যাঙ্গুয়েজের পরিচালক আব্দুল্লাহ আল মামুন, গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক সেলিম রেজা নিউটন, আব্দুল্লাহ আল মামুন, সহযোগী অধ্যাপক কাজী মামুন হায়দার, নাট্যকলা বিভাগের অধ্যাপক মো. হাবিব জাকারিয়াসহ অন্তত ২০ শিক্ষক।

সাতক্ষীরা-৪ আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামীর নেতা গাজী নজরুল ইসলামকে ঘিরে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অন্তরঙ্গ ভিডিও নিয়ে শুরু হওয়া আলোচনা এখন তার দ্বিতীয় বিয়ের দাবি, ভাইরাল হওয়া একটি বায়োডাটার তথ্য এবং ভিডিও ধারণের সময়কাল— সবকিছু ঘিরেই নতুন প্রশ্নের জন্ম দ
১ দিন আগে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) সংগঠনটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এক বিবৃতিতে বলেন, বিষয়টি দলের নজরে রয়েছে এবং তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
১ দিন আগে
তারেক রহমান বলেন, আমরা এতদিন একসঙ্গে ছিলাম। কেন কাউকে সরিয়ে দেবো? আমরা একসঙ্গেই থাকব। চলতে গেলে এদিক-ওদিক হতেই পারে। কেউ একজন বলেছেন, এটা ফেয়ারওয়েল ডিনার কি না। কেন ফেয়ারওয়েল হবে? ফেয়ারওয়েল ডিনার যদি দিতে হয়, গুপ্ত-সুপ্তদের বলতে পারি, স্বৈরাচারকে বলতে পারি। কিন্তু আমরা যারা ছিলাম, আমরা ইনশাল্লাহ এক
২ দিন আগে
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় বৈঠক শুরুর আগে নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, ভাসানী জনশক্তি পার্টির নেতা শেখ রফিকুল ইসলাম, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকসহ যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দলগুলোর নেতাদের যমুনায় হাজির হন।
২ দিন আগে