
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণ ভোট বর্জন করেছে উল্লেখ করে সরকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে জবরদস্তি করেও ভোটার উপস্থিত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। দলটির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আগামী ৭ তারিখে সরকার ভোট নয়, ফলাফল ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় গণতন্ত্র মঞ্চের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে তারা এসব কথা বলেন।
তারা আরও বলেন, সরকার স্বেচ্ছা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৭ তারিখ সরকার ও প্রশাসন মিলে এ দেশের মালিক নাগরিকদের আবার অপমান করতে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একইভাবে করেছিল। ভোট কেন্দ্রে মানুষ আনার জন্য আইন আদালত, হুমকি-ধামকি ও টাকার লোভ দেখাচ্ছে। সরকার ভোট নয়, ফলাফল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই ঘোষণা এ দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সারা দুনিয়ার কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
তারা আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য সকল ভয়-ভীতি দমন-পীড়ন মোকাবেলা করে জনগণের ঐক্য বজায় রাখা। এ সময় নেতারা ৭ তারিখ ভোট বর্জনের মাধ্যমে নতুন গণপ্রতিরোধের সূচনা করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
গণসংযোগপূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

জনগণ ভোট বর্জন করেছে উল্লেখ করে সরকার বাড়ি বাড়ি গিয়ে জবরদস্তি করেও ভোটার উপস্থিত করতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছে গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা। দলটির নেতৃবৃন্দ বলেছেন, আগামী ৭ তারিখে সরকার ভোট নয়, ফলাফল ঘোষণা করতে যাচ্ছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় প্রেসক্লাব এলাকায় গণতন্ত্র মঞ্চের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণকালে তারা এসব কথা বলেন।
তারা আরও বলেন, সরকার স্বেচ্ছা মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আগামী ৭ তারিখ সরকার ও প্রশাসন মিলে এ দেশের মালিক নাগরিকদের আবার অপমান করতে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একইভাবে করেছিল। ভোট কেন্দ্রে মানুষ আনার জন্য আইন আদালত, হুমকি-ধামকি ও টাকার লোভ দেখাচ্ছে। সরকার ভোট নয়, ফলাফল ঘোষণা করতে যাচ্ছে। এই ঘোষণা এ দেশের মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। সারা দুনিয়ার কোথাও গ্রহণযোগ্য হবে না।
তারা আরও বলেন, আমাদের লক্ষ্য সকল ভয়-ভীতি দমন-পীড়ন মোকাবেলা করে জনগণের ঐক্য বজায় রাখা। এ সময় নেতারা ৭ তারিখ ভোট বর্জনের মাধ্যমে নতুন গণপ্রতিরোধের সূচনা করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
গণসংযোগপূর্ব সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন গণতন্ত্র মঞ্চের বর্তমান সমন্বয়ক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি। এতে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, ভাসানী অনুসারী পরিষদের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমম্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দীন মাহমুদ স্বপন, নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহীদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
২১ ঘণ্টা আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১ দিন আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
১ দিন আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
২ দিন আগে