
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জনগণের অধিকারবিহীন রাষ্ট্র ক্রমাগত ভয়ংকর হয়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।
তিনি বলেছেন, গণমানুষের চিন্তার স্বাধীনতা ছাড়া নিরাপত্তা থাকে না। সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেও গণতন্ত্রকে রক্ষার বয়ান দিয়ে রাজনীতিতে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।
শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে শ্রমজীবী কর্মজীবী ও পেশাজীবী জনগণের রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদারিত্ব প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডিসকোর্স হাজির করা হয়েছে। এই নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা রাষ্ট্রের উপরিকাঠামো বা সমাজের উপর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যমান ভাবাদর্শ ও সংস্কৃতির বিপরীতে এক উন্নত ভাবাদর্শ ও সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা করবে, শোষণ, লুন্ঠন ও নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিপরীতে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করবে। অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে দীর্ঘস্থায়ী বিপ্লবের সূচনা। কারণ এই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রে অর্থনীতি, উৎপাদন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ সকল ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উৎকর্ষতা লাভের প্রক্রিয়া শুরু হবে। অংশীদারিত্বের গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হবে গণতন্ত্র। মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির লক্ষ্যে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠার কাজ হল উৎপাদন, উন্নয়ন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে জড়িত সবাইকে রাষ্ট্রক্ষমতায় সাংবিধানিকভাবে অংশীদারিত্ব দেওয়া।
আজ শনিবার জেএসডি নোয়াখালী জেলা কাউন্সিলে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন এসব কথা বলেন।
সভায় নোয়াখালী জেলা জেএসডি'র যুগ্ম আহ্বায়ক নুর রহমানের পরিচালনায় কাউন্সিলে আরো বক্তব্য দেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল কবির মানিক, অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব, লক্ষ্মীপুর জেলা জেএসডি'র সভাপতি অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বাবুল,মোহাম্মদ উল্লাহ,আমির হোসেনসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

জনগণের অধিকারবিহীন রাষ্ট্র ক্রমাগত ভয়ংকর হয়ে ওঠে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন।
তিনি বলেছেন, গণমানুষের চিন্তার স্বাধীনতা ছাড়া নিরাপত্তা থাকে না। সরকার গণতন্ত্রকে হত্যা করেও গণতন্ত্রকে রক্ষার বয়ান দিয়ে রাজনীতিতে সহিংসতা উসকে দিচ্ছে।
শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন বলেন, উপনিবেশিক শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তে শ্রমজীবী কর্মজীবী ও পেশাজীবী জনগণের রাষ্ট্রক্ষমতার অংশীদারিত্ব প্রদানের গুরুত্বপূর্ণ ডিসকোর্স হাজির করা হয়েছে। এই নতুন রাজনৈতিক ব্যবস্থা রাষ্ট্রের উপরিকাঠামো বা সমাজের উপর প্রতিষ্ঠিত বিদ্যমান ভাবাদর্শ ও সংস্কৃতির বিপরীতে এক উন্নত ভাবাদর্শ ও সংস্কৃতির প্রতিষ্ঠা করবে, শোষণ, লুন্ঠন ও নিপীড়নমূলক রাষ্ট্রব্যবস্থার বিপরীতে রাষ্ট্রের সকল নাগরিকের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অধিকার নিশ্চিত করবে। অংশীদারিত্বের গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা হবে দীর্ঘস্থায়ী বিপ্লবের সূচনা। কারণ এই রাজনৈতিক ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রে অর্থনীতি, উৎপাদন, প্রযুক্তি, শিক্ষা ও সংস্কৃতিসহ সকল ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ উৎকর্ষতা লাভের প্রক্রিয়া শুরু হবে। অংশীদারিত্বের গণতন্ত্রের মূল ভিত্তি হবে গণতন্ত্র। মানুষের স্বাধীনতা ও মুক্তির লক্ষ্যে নতুন সমাজ প্রতিষ্ঠার কাজ হল উৎপাদন, উন্নয়ন ও জ্ঞান-বিজ্ঞানে জড়িত সবাইকে রাষ্ট্রক্ষমতায় সাংবিধানিকভাবে অংশীদারিত্ব দেওয়া।
আজ শনিবার জেএসডি নোয়াখালী জেলা কাউন্সিলে শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপন এসব কথা বলেন।
সভায় নোয়াখালী জেলা জেএসডি'র যুগ্ম আহ্বায়ক নুর রহমানের পরিচালনায় কাউন্সিলে আরো বক্তব্য দেন, সাংগঠনিক সম্পাদক আনোয়ারুল কবির মানিক, অধ্যক্ষ আবদুল মোতালেব, লক্ষ্মীপুর জেলা জেএসডি'র সভাপতি অধ্যক্ষ হারুনুর রশিদ বাবুল,মোহাম্মদ উল্লাহ,আমির হোসেনসহ বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ।

বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম দাবি ছিল, সাহাবুদ্দিন চুপ্পু রাষ্ট্রপতির পদে থাকবেন না। তিনি একসময় স্পষ্টভাবে বলেছিলেন, শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছিলেন। পরে সেই বক্তব্য অস্বীকার করে মিথ্যাচার করেছেন, যা রাষ্ট্রপতি হিসেবে নেয়া শপথের লঙ্ঘন। দেরিতে হলেও জাতির ঘাড় থেকে ফ্যাসি
২ দিন আগে