
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে’ এক সমাবেশে এ মন্তব্য করেন মঞ্চের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের হাঁকডাক সত্ত্বেও বাজারের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ।
বাজার নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপ যে কাজ করছে না, এটা এখন সরকারি স্বীকার করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার এখন বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সাভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু। সমাবেশ পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল তারেক।
সমাবেশে নেতারা বলেন, সরকার সর্বত্র ভয়-ত্রাস আর দমন পীড়ন করে মানুষের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে। গত ১৯শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার খামারবাড়ি এলাকায় নাগরিক ঐক্যের ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে হামলা করে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। এইভাবে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতেও হামলা প্রমাণ করে এক অজানা আতঙ্ক সরকারকে তাড়া করে ফিরছে।
সে কারণে হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার এবং গুম-খুনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে সরকার নিজেদের ভয় কাটানোর চেষ্টা করছে।
নেতারা আরো বলেন, অতীতের স্বৈরাচারীরাও এই পথে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পার পায়নি। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সকল ভয়-ত্রাস মোকাবেলা করে বিজয়ী হয়েছে। এই সরকারও শেষ রক্ষা করতে পারবে না।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হাসান মারুফ রুমী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মীর মোফাজ্জল হোসেন মোস্তাক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক ইমরান ইমন ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ইউসুফ সেলিম।

দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ করতে সরকার পুরোপুরি ব্যর্থ বলে মন্তব্য করেছে গণতন্ত্র মঞ্চ। শনিবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) গণতন্ত্র মঞ্চের উদ্যোগে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে ‘নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার প্রতিবাদে এবং রাজনৈতিক দমন-পীড়ন বন্ধের দাবিতে’ এক সমাবেশে এ মন্তব্য করেন মঞ্চের নেতারা। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন গণতন্ত্র মঞ্চের নেতারা।
সমাবেশে নেতারা বলেন, বাজার নিয়ন্ত্রণের হাঁকডাক সত্ত্বেও বাজারের দামের ঊর্ধ্বগতি রোধে সরকার সম্পূর্ণভাবে ব্যর্থ।
বাজার নিয়ন্ত্রণের কোন পদক্ষেপ যে কাজ করছে না, এটা এখন সরকারি স্বীকার করছে। নিজেদের ব্যর্থতা ঢাকতে সরকার এখন বিরোধী দলের ওপর দোষ চাপাচ্ছে।
জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক শহীদ উদ্দিন মাহমুদ স্বপনের সাভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় বক্তব্য রাখেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, বাংলাদেশের বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সধারণ সম্পাদক সাইফুল হক, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়ক হাসনাত কাইয়ুম, ভাসানী অনুসারী পরিষদের সদস্য সচিব হাবিবুর রহমান রিজু। সমাবেশ পরিচালনা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল তারেক।
সমাবেশে নেতারা বলেন, সরকার সর্বত্র ভয়-ত্রাস আর দমন পীড়ন করে মানুষের কণ্ঠ রোধ করতে চাইছে। গত ১৯শে ফেব্রুয়ারি ঢাকার খামারবাড়ি এলাকায় নাগরিক ঐক্যের ‘গণতন্ত্রের পক্ষে গণস্বাক্ষর’ কর্মসূচিতে হামলা করে নাগরিক ঐক্যের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিব আনোয়ারকে গুরুতর আহত করার ঘটনা তারই ধারাবাহিকতা। এইভাবে গণস্বাক্ষর কর্মসূচিতেও হামলা প্রমাণ করে এক অজানা আতঙ্ক সরকারকে তাড়া করে ফিরছে।
সে কারণে হামলা-মামলা, গ্রেপ্তার এবং গুম-খুনের আতঙ্ক ছড়িয়ে দিয়ে সরকার নিজেদের ভয় কাটানোর চেষ্টা করছে।
নেতারা আরো বলেন, অতীতের স্বৈরাচারীরাও এই পথে ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে চেয়েছিল। শেষ পর্যন্ত পার পায়নি। জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন সকল ভয়-ত্রাস মোকাবেলা করে বিজয়ী হয়েছে। এই সরকারও শেষ রক্ষা করতে পারবে না।
সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল্লাহ কায়সার, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. সিরাজ মিয়া, গণসংহতি আন্দোলনের রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য হাসান মারুফ রুমী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির রাজনৈতিক পরিষদের সদস্য মীর মোফাজ্জল হোসেন মোস্তাক, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলনের সাংগঠনিক সমন্বয়ক ইমরান ইমন ও ভাসানী অনুসারী পরিষদের যুগ্ম আহ্বায়ক আবু ইউসুফ সেলিম।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
২ দিন আগে
বিবৃতিতে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মামুনুল হক ও মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমদ বলেন, সাবেক রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-এর পদত্যাগ অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল।
২ দিন আগে
নাহিদ ইসলাম বলেন, শারীরিক অসুস্থতার অজুহাতে সাহাবুদ্দিনকে সেফ এক্সিট দেওয়া যাবে না। তিনি যাতে বিদেশে পালিয়ে যেতে না পারেন, সে জন্য সরকারকে সজাগ থাকতে হবে এবং অনতিবিলম্বে তাকে গ্রেপ্তার করতে হবে।
২ দিন আগে