
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

জবরদস্তি শাসনে দেশে লুণ্ঠনের রাজত্ব তৈরি হয়েছে :জোনায়েদ সাকি
কিছু লোক রাষ্ট্রক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ধনসম্পদ আহরণ করছে উল্লেখ করে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে লুন্ঠনের এক রাজত্ব কায়েম হয়েছে আর তাদের পাহারা দেয়ার জন্য জবরদস্তি কায়দায় ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, গণতন্ত্র ধ্বংস করে একটা সরকার ক্ষমতায় আছে। তারা পুরো রাষ্ট্রটাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল যে চেতনা, তার মূল যে আকাঙ্ক্ষা-- তার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
আজ মঙ্লবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় স্বাধীনতা দিবসে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিসংগ্রামের সকল শহীদের স্মৃতি ও আত্মত্যাগের শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে স্বাধীনতার ৫৪তম বার্ষিকীতে এসে আমাদের বলতে হচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল যে চেতনা বর্তমান বাংলাদেশ তার বিপরীত দিকে হাঁটছে। নাগরিকদের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এখানে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
তিনি বলেন, আজকে ৫৪ বছরে এসে রাষ্ট্রটাকে এমন একটা সরকার পরিচালনা করছে যারা পুরো জবরদস্তি কায়দায় দেশ চালাতে গিয়ে, নিজেদের গোষ্ঠী ও ব্যক্তি স্বার্থে দেশ চালাতে গিয়ে তারা মানুষের ভোটের অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছে। এই দেশে গুম হচ্ছে মানুষ, খুন হচ্ছে মানুষ। মানুষ বিচার পাচ্ছে না। মানুষ ন্যূনতম জীবনধারণ করতে গিয়ে ভয়ংকর অবস্থায় আছে। পায়ের সাথে আয়ের কোনে সংগতি নেই।
গণসংহতি আন্দোলনের নেতান আরো বলেন, মানুষ ৫৪ বছরে এসেও লড়াই করছে। এই লড়াই আমরা বিশ্বাস করি অবশ্যই বিজয়ী হবে। মানুষ নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং মানুষকে নতুন করে এই ঐক্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা কাজ করছি। স্বাধীনতার এই দিনে আমরা জনগণের প্রতি নতুন করে এই আহবানটা জানাই, যে বাংলাদেশ এই দেশের মানুষ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেটা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের আবারো নতুন করে লড়াই করতে হবে। আজকের তরুণদের মধ্যে সেই স্বপ্নটাকে আমরা নতুন করে জাগ্রত করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই লড়াইয়ে জনগণ অবশ্যই বিজয়ী হবো।
জোনায়েদ সাকি স্বাধীনতার এই দিনে আবারও দেশের সকল মানুষের প্রতি ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রাম জোরদার করা আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলিফ দেওয়ানসহ জাতীয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন আশুলিয়া থানা সমন্বয়কারী এ এফ এম নুরুল ইসলাম, আশুলিয়া থানা নির্বাহী সমন্বয়কারী রোকনুজ্জামন মনি, সাভার থানার সংগঠক রুপালি আক্তার, ধামরাই থানার সংগঠক আরিফ মোল্লা। এছাড়াও বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, আশুলিয়া থানা সভা প্রধান জিয়াদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান রিচার্ড অসাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফসহ বিভিন্ন গণসংগঠনের নেতা ও কর্মীবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

জবরদস্তি শাসনে দেশে লুণ্ঠনের রাজত্ব তৈরি হয়েছে :জোনায়েদ সাকি
কিছু লোক রাষ্ট্রক্ষমতা কাজে লাগিয়ে ধনসম্পদ আহরণ করছে উল্লেখ করে গণসংহতি আন্দোলনের নেতা জোনায়েদ সাকি বলেছেন, দেশে লুন্ঠনের এক রাজত্ব কায়েম হয়েছে আর তাদের পাহারা দেয়ার জন্য জবরদস্তি কায়দায় ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়ে, গণতন্ত্র ধ্বংস করে একটা সরকার ক্ষমতায় আছে। তারা পুরো রাষ্ট্রটাকে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল যে চেতনা, তার মূল যে আকাঙ্ক্ষা-- তার বিপরীতে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে।
আজ মঙ্লবার (২৬ মার্চ) সকাল সাড়ে ১০ টায় স্বাধীনতা দিবসে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির উদ্যোগে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিসংগ্রামের সকল শহীদের স্মৃতি ও আত্মত্যাগের শ্রদ্ধা নিবেদন করে। এসময় জোনায়েদ সাকি এসব কথা বলেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে জোনায়েদ সাকি বলেন, এটা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যের বিষয় যে স্বাধীনতার ৫৪তম বার্ষিকীতে এসে আমাদের বলতে হচ্ছে স্বাধীনতা যুদ্ধের মূল যে চেতনা বর্তমান বাংলাদেশ তার বিপরীত দিকে হাঁটছে। নাগরিকদের জন্য সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক ন্যায়বিচার এখানে প্রতিষ্ঠা করা যায়নি।
তিনি বলেন, আজকে ৫৪ বছরে এসে রাষ্ট্রটাকে এমন একটা সরকার পরিচালনা করছে যারা পুরো জবরদস্তি কায়দায় দেশ চালাতে গিয়ে, নিজেদের গোষ্ঠী ও ব্যক্তি স্বার্থে দেশ চালাতে গিয়ে তারা মানুষের ভোটের অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছে। এই দেশে গুম হচ্ছে মানুষ, খুন হচ্ছে মানুষ। মানুষ বিচার পাচ্ছে না। মানুষ ন্যূনতম জীবনধারণ করতে গিয়ে ভয়ংকর অবস্থায় আছে। পায়ের সাথে আয়ের কোনে সংগতি নেই।
গণসংহতি আন্দোলনের নেতান আরো বলেন, মানুষ ৫৪ বছরে এসেও লড়াই করছে। এই লড়াই আমরা বিশ্বাস করি অবশ্যই বিজয়ী হবে। মানুষ নতুন করে ঐক্যবদ্ধ হচ্ছে এবং মানুষকে নতুন করে এই ঐক্যে নিয়ে আসার জন্য আমরা কাজ করছি। স্বাধীনতার এই দিনে আমরা জনগণের প্রতি নতুন করে এই আহবানটা জানাই, যে বাংলাদেশ এই দেশের মানুষ প্রতিষ্ঠা করতে চেয়েছিলেন, সেটা বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের আবারো নতুন করে লড়াই করতে হবে। আজকের তরুণদের মধ্যে সেই স্বপ্নটাকে আমরা নতুন করে জাগ্রত করতে হবে। আমরা বিশ্বাস করি এই লড়াইয়ে জনগণ অবশ্যই বিজয়ী হবো।
জোনায়েদ সাকি স্বাধীনতার এই দিনে আবারও দেশের সকল মানুষের প্রতি ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চলমান সংগ্রাম জোরদার করা আহ্বান জানান।
এসময় উপস্থিত ছিলেন দলটির কেন্দ্রীয় সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, জুলহাসনাইন বাবু, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আলিফ দেওয়ানসহ জাতীয় পরিষদের নেতৃবৃন্দ। শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে আরো উপস্থিত ছিলেন গণসংহতি আন্দোলন আশুলিয়া থানা সমন্বয়কারী এ এফ এম নুরুল ইসলাম, আশুলিয়া থানা নির্বাহী সমন্বয়কারী রোকনুজ্জামন মনি, সাভার থানার সংগঠক রুপালি আক্তার, ধামরাই থানার সংগঠক আরিফ মোল্লা। এছাড়াও বাংলাদেশ গার্মেন্টস শ্রমিক সংহতির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক বাবুল হোসেন, আশুলিয়া থানা সভা প্রধান জিয়াদুল ইসলাম, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মশিউর রহমান রিচার্ড অসাধারণ সম্পাদক সৈকত আরিফসহ বিভিন্ন গণসংগঠনের নেতা ও কর্মীবৃন্দ শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচিতে অংশ নেন।

ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী, আজকের সমাবেশের পাশাপাশি আগামী ৪ জুলাই দেশব্যাপী সকল জেলায় বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করবে ১১ দলীয় জোট।
১৯ ঘণ্টা আগে
বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে শিষ্টাচারবহির্ভূত মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করে তিনি আরও বলেন, "রাজনৈতিক শিষ্টাচার লঙ্ঘনকারীদের আমরা স্পষ্ট ভাষায় হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—যুবদল রাজপথের সংগঠন। রাজপথে থেকেই আমরা অতীতে সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করেছি, এবারও এসব অপপ্রচারের দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে।"
১৯ ঘণ্টা আগে
বিক্ষোভ মিছিলটি মিরপুরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের মাধ্যমে শেষ হয়। এতে নেতৃত্ব দেন ঢাকা মহানগরী উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমান।
২০ ঘণ্টা আগে
সংসদে বাজেট আলোচনায় অংশ নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতি নিষিদ্ধ করার দাবি তুলেছেন বিএনপি থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামাল। সোমবার (২২ জুন) জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ১৯৭১ সালে স্বাধীনতার বিরোধিতাকারী কোনো দলের বাংলাদেশের রাজনীতিতে থাকার অধিকার নেই।
১ দিন আগে