
প্রতিবেদক, রাজনীতি ডটকম

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নিবে বলে জানিয়েছে দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। দ্বাদশ ভোটের প্রচারণা শুরু হওয়ার আগের দিন ভোটে অংশ নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছেন, সব বাধা অতিক্রম করে আমরা নির্বাচন করছি। কোন চাপ নয়, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটে এসেছি।
রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
গত ৩০ নভেম্বর ২৮৯ আসনে প্রার্থীর হওয়ার কথা জানায় জাপা। তবে ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন দলটি জানায়, নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। গুঞ্জন রয়েছে এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে দলটি।
সাংবাদিকদের চুন্নু বলেন, আমাদের একটা দাবি ছিল যে একটা ভালো ভোটের পরিবেশ যদি সৃষ্টি হয়, তাহলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে। ইসি ও সরকারের আশ্বাসে মোটামুটিভাবে একটা আস্থা এসেছে যে তারা নির্বাচনটা ভালোভাবে করতে চান। সরকার ইসিকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে, আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা সহযোগিতা করবে। সেই কারণে জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের পক্ষ থেকে সব প্রার্থীকে অনুরোধ করছি যে, আমরা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে জাপা মহাসচিব বলেন, ২৮৩ আসনে ভোট করছি। কিছু কিছু আসনে আমাদের যারা সিনিয়র নেতা যারা আছেন; সেই সমস্ত আসনে তাদের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে বা হবে এ রকম একটা অবস্থায় আছি। বাট নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি এটাই বড় কথা। সেই সংখ্যাটা আপনারা জানতে পারব না। সব বাধা অতিক্রম করে নির্বাচনটা আমরা করছি। সেটাই বড় কথা। আমরা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে ঘোষণা দিচ্ছি।
কোনো চাপ ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাপ থাকলে তো যারা নির্বাচনে আসে নাই তারাও আসতো। না কোন চাপ না, স্বাধীনভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্বাচনকে অর্থবহ করতে ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আলোচনা চলবে।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টি অংশ নিবে বলে জানিয়েছে দলটির মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নু। দ্বাদশ ভোটের প্রচারণা শুরু হওয়ার আগের দিন ভোটে অংশ নেয়ার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়ে তিনি বলেছেন, সব বাধা অতিক্রম করে আমরা নির্বাচন করছি। কোন চাপ নয়, স্বাধীনভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে ভোটে এসেছি।
রোববার বিকেলে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।
গত ৩০ নভেম্বর ২৮৯ আসনে প্রার্থীর হওয়ার কথা জানায় জাপা। তবে ভোটের পরিবেশ নিয়ে উদ্বিগ্ন দলটি জানায়, নির্বাচনের প্রচারণা শুরুর আগে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে। গুঞ্জন রয়েছে এর মধ্যে আওয়ামী লীগের সঙ্গে আসন বণ্টন নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছে দলটি।
সাংবাদিকদের চুন্নু বলেন, আমাদের একটা দাবি ছিল যে একটা ভালো ভোটের পরিবেশ যদি সৃষ্টি হয়, তাহলে জাতীয় পার্টি নির্বাচনে থাকবে। ইসি ও সরকারের আশ্বাসে মোটামুটিভাবে একটা আস্থা এসেছে যে তারা নির্বাচনটা ভালোভাবে করতে চান। সরকার ইসিকে সহযোগিতা করে যাচ্ছে, আমাদের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে নির্বাচন হওয়ার আগ পর্যন্ত তারা সহযোগিতা করবে। সেই কারণে জাপা চেয়ারম্যান জিএম কাদেরের পক্ষ থেকে সব প্রার্থীকে অনুরোধ করছি যে, আমরা এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব।
আসন সমঝোতা প্রসঙ্গে জাপা মহাসচিব বলেন, ২৮৩ আসনে ভোট করছি। কিছু কিছু আসনে আমাদের যারা সিনিয়র নেতা যারা আছেন; সেই সমস্ত আসনে তাদের সঙ্গে আমাদের সমঝোতা হয়েছে বা হবে এ রকম একটা অবস্থায় আছি। বাট নির্বাচনে আমরা যাচ্ছি এটাই বড় কথা। সেই সংখ্যাটা আপনারা জানতে পারব না। সব বাধা অতিক্রম করে নির্বাচনটা আমরা করছি। সেটাই বড় কথা। আমরা জাতীয় পার্টির পক্ষ থেকে ঘোষণা দিচ্ছি।
কোনো চাপ ছিল কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, চাপ থাকলে তো যারা নির্বাচনে আসে নাই তারাও আসতো। না কোন চাপ না, স্বাধীনভাবে নির্বাচন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। নির্বাচনকে অর্থবহ করতে ও সুষ্ঠু পরিবেশ নিশ্চিতের লক্ষ্যে ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে আলোচনা চলছে, আলোচনা চলবে।

বিএনপিও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। তিনি বলেছেন, এখন যারা সরকারে আছে, তারাও (বিএনপি) মজলুম ছিল। কিন্তু তারাও ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগের পথে হাঁটা শুরু করেছে। সমাজের সব ক্ষেত্রে বেপরোয়া নির্লজ্জ দলীয়করণ করে দুর্নীতিকে তারা জাতীয়করণ
৩ দিন আগে
সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করলে আগামী পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষ করে যেতে পারবে না বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেছেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে বিএনপি সরকারকে আর সহযোগিতা করা হবে না।
৩ দিন আগে
শনিবার (২৫ জুলাই) রাজধানীর কাকরাইলের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ অধিবেশনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পরে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।
৩ দিন আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, মেঘমল্লার বসু ও মাঈন আহমেদের দাখিল করা পদত্যাগপত্র কেন্দ্রীয় সংসদে গৃহীত হয়েছে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে একটি নতুন রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মের সঙ্গে সম্পৃক্ত হওয়ায় একই সঙ্গে দুটি রাজনৈতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করলে সাংগঠনিক মতদ্বৈধতা বা স্বার্থের দ্বন্দ্ব (কনফ্লিক্
৪ দিন আগে